অবৈধভাবে ইউরোপে প্রবেশ ঠেকাতে ও বৈধ পথে অভিবাসীদের নিরাপদ প্রবেশেইউরোপীয় কমিশন আগামী ৫ বছরের জন্য নতুন অভিবাসন নীতি ঘোষণা করেছে, যার মূলমন্ত্র হলো—ইউরোপে কারা প্রবেশ করবে তা ইউরোপই নির্ধারণ করবে। অবৈধ অভিবাসীদের নিজ দেশে ফেরত পাঠানো বা ‘কার্যকর প্রত্যাবাসন’কে জরুরি অগ্রাধিকার দেওয়া হয়েছে, কারণ বর্তমানে আদেশপ্রাপ্তদের মাত্র এক-চতুর্থাংশ ফেরত যায়।
্ ইইউর সীমান্তের বাইরে ‘রিটার্ন হাব’ (Return Hubs) তৈরির প্রস্তাব করা হয়েছে, যেখানে আশ্রয় না পাওয়া অভিবাসীদের ফেরত পাঠানোর আগে রাখা হতে পারে।- অবৈধ প্রবেশ কঠোরভাবে দমনের পাশাপাশি ইউরোপের অর্থনীতির চাকা সচল রাখতে দক্ষ ও মেধাবী কর্মীদের বৈধ পথে আসার সুযোগ সহজ করা হবে।
যুদ্ধ বন্ধ না হলে অবৈধ অভিবাসন ঠেকানো কৌশল কোন কাজে আসবেনা। মানবাধিকার সংস্থা অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল এই নীতির তীব্র সমালোচনা করে বলেছে, এটি তৃতীয় দেশগুলোর ওপর নির্ভরতা বাড়াবে এবং মানবাধিকার লঙ্ঘনের ঝুঁকি তৈরি করবে।২০২৫ সালে ইউরোপে অনিয়মিত বা অবৈধ প্রবেশ ২৫ শতাংশেরও বেশি কমেছে, তবুও রাজনৈতিক চাপের মুখে ইইউ এই কঠোর অবস্থান নিয়েছে।তবে ভু- মধ্য সাগর উপকূলীয় দেশ তিউনিসিয়া, মিশর ও মরক্কোর মতো দেশগুলো অভিবাসীদের ফেরত না নিলে বা সহযোগিতা না করলে তাদের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়ার ইঙ্গিত দিয়েছে ব্রাসেলস।
ইউরোপীয় ইউনিয়নের অভিবাসন নীতি ঘোষণা মানবাধিকার সংগঠন গুলো সমালোচনা
আপডেট:

