মঙ্গলবার, ফেব্রুয়ারি ১৭, ২০২৬

ইতালি উপকূলে ৬২ শিশুসহ ২২২ অভিবাসী উদ্ধার রয়েছেন বাংলাদেশি

আপডেট:

​অনলাইন ডেস্ক | তারিখ: ১৬ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬
​রোম: ভূমধ্যসাগরের উত্তাল জলরাশি আর হাড়কাঁপানো ঠান্ডাকে হার মানিয়ে মৃত্যুর মুখ থেকে ফিরে এলেন ৩১৭ জন অভিবাসী। ইতালির সিসিলির পোজাল্লো বন্দর এবং লাম্পেদুসা উপকূলে পৃথক দুটি উদ্ধার অভিযানে তাদের নিরাপদ আশ্রয়ে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। উদ্ধারকৃতদের মধ্যে বাংলাদেশসহ পাকিস্তান, মিশর, সোমালিয়া ও ফিলিস্তিনের নাগরিকরা রয়েছেন।পোজাল্লোতে দুই দিন-রাত মৃত্যুর সাথে পাঞ্জা সিসিলির পোজাল্লো বন্দরে কোস্টগার্ডের একটি অত্যন্ত জটিল অভিযানে উদ্ধার করা হয় ২২২ জন অভিবাসীকে। যাদের মধ্যে ৬২ জনই শিশু।
​সূত্র জানায়, একটি জরাজীর্ণ ও অত্যন্ত নড়বড়ে কাঠের নৌকায় গাদাগাদি করে টানা দুই দিন ও দুই রাত মাঝ সাগরে ভাসছিলেন তারা। উদ্ধারের সময় অধিকাংশ অভিবাসীর শরীর প্রচণ্ড ঠান্ডায় জমে গিয়েছিল (Hypothermia)। ঘাটে নামানোর সময় শুরুতে পর্যাপ্ত অ্যাম্বুলেন্স না থাকায় কিছুটা বিশৃঙ্খলা দেখা দিলেও পরে স্বাস্থ্যকর্মীরা এসে দ্রুত জরুরি চিকিৎসা ও প্রয়োজনীয় সহায়তা প্রদান করেন।লাম্পেদুসায় অভিবাসী আগমনের হিড়িক একই সময়ে ইতালির প্রবেশদ্বার হিসেবে পরিচিত লাম্পেদুসা দ্বীপে আরও ৯৫ জন অভিবাসী পৌঁছেছেন। ১২ মিটারের একটি নৌকায় করে তারা গত সোমবার রাতে লিবিয়ার ত্রিপোলি থেকে রওনা দিয়েছিলেন। উদ্ধারকৃতদের মধ্যে বেশ কয়েকজন অসুস্থ হয়ে পড়ায় তাদের স্থানীয় পলিঅ্যাম্বুলেটরিতে ভর্তি করা হয়েছে।
​উদ্বেগজনক হারে বাড়ছে অভিবাসন গত এক সপ্তাহে লাম্পেদুসা দ্বীপে অভিবাসী আগমনের হার আশঙ্কাজনকভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। লিবিয়া উপকূল থেকে যাত্রা করা এই অভিবাসীদের মধ্যে বড় একটি অংশই দক্ষিণ এশিয়া এবং উত্তর আফ্রিকার দেশগুলোর নাগরিক। জীবনের ঝুঁকি নিয়ে ছোট ছোট নৌকায় সমুদ্র পাড়ি দেওয়ার এই প্রবণতা ইতালির কোস্টগার্ড ও প্রশাসনের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

সংশ্লিষ্ট সংবাদ:

সর্বাধিক পঠিত