জুসেপ্পে কন্তে এই সংস্কারকে সাধারণ কোনো প্রশাসনিক পরিবর্তন হিসেবে দেখছেন না; বরং তিনি একে একটি “রাজনৈতিক ষড়যন্ত্র” হিসেবে চিহ্নিত করেছেন।
রাজনৈতিক সুরক্ষা: কন্তের দাবি, এই সংস্কারের মূল উদ্দেশ্য বিচারিক স্বাধীনতা খর্ব করা, যাতে রাজনীতিবিদরা তদন্ত ও আইনি জবাবদিহিতা থেকে রেহাই পান।তিনি সতর্ক করেছেন যে, এই পদক্ষেপ ইতালীয় সংবিধানের গণতান্ত্রিক কাঠামোর ভারসাম্য নষ্ট করবে।পিটু (P2) লজের সাথে তুলনা: কন্তে সরকারের এই এজেন্ডাকে অতীতে ইতালির কুখ্যাত ‘পিটু মাসোনিক লজ’-এর গোপন পরিকল্পনার সাথে তুলনা করেছেন, যা ইতালির রাজনীতিতে অত্যন্ত স্পর্শকাতর এবং গুরুতর একটি অভিযোগ।কন্তে একটি গুরুত্বপূর্ণ তথ্য সামনে এনেছেন—বর্তমানে বিচারকদের কাজের ধরন পরিবর্তনের হার মাত্র ০.৪%। তিনি প্রশ্ন তুলেছেন, এত নগণ্য একটি বিষয়ের ওপর ভিত্তি করে কেন সংবিধানের মতো বড় জায়গায় সংশোধন আনার প্রয়োজন পড়ল?কন্তে বর্তমান বিচারমন্ত্রী কার্লো নর্দিও-র পূর্ববর্তী লেখা ও অবস্থানের কড়া সমালোচনা করেছেন। তিনি মনে করেন, সরকারের বর্তমান অবস্থান দুর্নীতি এবং ঘুষের মতো অপরাধের বিরুদ্ধে নমনীয়তা প্রদর্শন করছে, যা আইনের শাসনের পরিপন্থী। আন্তর্জাতিক অবস্থান: গাজা ও নেতানিয়াহু কন্তের ভাষণে শুধু অভ্যন্তরীণ রাজনীতি নয়, আন্তর্জাতিক মানবাধিকারের বিষয়ও উঠে এসেছে।
তিনি গাজা সংকটে ইতালির কঠোর অবস্থান নেওয়ার দাবি জানান।বেঞ্জামিন নেতানিয়াহুর নীতির সমালোচনা করে আন্তর্জাতিক আইন বজায় রাখার ওপর জোর দিয়েছেন।”আইন সবার জন্য সমান” — কন্তের এই বক্তব্যের মাধ্যমে তিনি মূলত ক্ষমতার অপব্যবহারের বিরুদ্ধে সাধারণ মানুষের অধিকার রক্ষার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন।
বিচার বিভাগীয় সংস্কার রাজনৈতিক ষড়যন্ত্র” জুসেপ্পে কন্তে
আপডেট:

