গতিয়া খালে মাছ ধরার জন্য প্রবাহমান পানির শ্রোতে বাঁধা, কৃষকদের আবাধি জমি নষ্টের অভিযো
ফুলগাজী উপজেলার জিএমহাট ইউনিয়নের নুরপুর ব্রিক ফিল্ড এলাকা হইতে হাসানপুর ব্রিজ পর্যন্ত গতিয়া খালের মধ্যে মাছ ধরার উদ্দেশ্যে বাঁধ নির্মাণের অভিযোগ উঠেছে। এতে করে খালের প্রাকৃতিক পানিপ্রবাহ বাধাগ্রস্ত হয়ে শতাধিক কৃষকের আমন ধান চাষ হুমকির মুখে পড়েছে।সরেজমিনে দেখা যায়, ধোপাইছড়ি ও হাসানপুর গ্রামের কিছু ব্যক্তি খালের মাঝ বরাবর বাঁশ ও জাল দিয়ে বাঁধ তৈরি করে রেখেছে। এর ফলে পানি প্রবাহ বন্ধ হয়ে আশপাশের প্রায় দেড় শত একর জমির ফসলি জমিতে পানি জমে ধানগাছ পচে যাচ্ছে।স্থানীয় কৃষকরা জানান, একাধিকবার স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষণ করা হলেও এখনও পর্যন্ত কোনো দৃশ্যমান পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি।স্থানীয় কৃষক মো. মোঃ মোস্তফা ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, আমরা দিনমজুর মানুষ, বছরের এক ফসলই আমাদের ভরসা। খালের পানি আটকায় এখন ধানগাছ পচে যাচ্ছে। যদি দ্রুত ব্যবস্থা না নেয়, তাহলে পুরো মৌসুমের ফসল শেষ হয়ে যাবে।জিএমহাট ইউনিয়নের বাসিন্দা ও উপজেলা যুবদলের আহবায়ক ফরিদ আহমেদ ভূঁইয়া বলেন, কিছু অসাধু ব্যক্তি নিজেদের স্বার্থে মাছ ধরার জন্য খালে বাঁধ দিয়ে রেখেছে। এতে এলাকার শত শত কৃষকের ক্ষতি হচ্ছে। প্রশাসনের উচিত দ্রুত ব্যবস্থা নিয়ে বাঁধ সরিয়ে দেওয়া।জিএমহাট ইউনিয়ন পরিষদের প্রশাসক সৈয়দ আসিফ মুহাম্মদ এ বিষয়ে বলেন, ঘটনাটি জানার পর আমরা এলাকাবাসীর সঙ্গে কথা বলেছি। বিষয়টি উপজেলা প্রশাসনকে অবহিত করা হয়েছে। শীঘ্রই বাঁধ অপসারণে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।ফুলগাজী উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মাশিয়াত আকতার জানান, গতিয়া খালে পানিপ্রবাহ বাধাগ্রস্ত হওয়ার বিষয়ে আমরা অবগত হয়েছি। জেলা প্রশাসক ও উপজেলা নির্বাহী অফিসারের নির্দেশনা মতে তদন্ত সাপেক্ষে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।স্থানীয়দের দাবি, অবিলম্বে বাঁধ অপসারণ করে খালের প্রাকৃতিক প্রবাহ নিশ্চিত না করলে কৃষকদের কয়েক লাখ টাকার ক্ষতি হবে এবং ভবিষ্যৎ চাষাবাদও ঝুঁকির মুখে পড়বে।
তথ্য সুত্র ফটো : সহযোগী দৈনিক নয়াপয়গাম

