এছাড়াও মৌলিক অধিকার ও নাগরিক অধিকার রক্ষা করবে এমন একটা রাষ্ট্রের ঘোষণা কিংবা রূপকল্প উপস্থাপন করা হবে এই ঘোষণাপত্রে।এই ঘোষণাপত্র তৈরির সাথে জড়িত এক সংগঠক বলেন, ‘এই ঘোষণাপত্র রেট্রোস্পেক্টিভ কায়দায় ৫ আগস্ট থেকে কার্যকর হবে।’গণঅভ্যুত্থানের গত ৫ আগস্ট শেখ হাসিনা সরকারের পতন ঘটে। এরপর অন্তর্বর্তী সরকার গঠনের পর গত কয়েক মাসে দেশের বিভিন্ন ক্ষেত্রে নানা ধরনের অসন্তোষ দেখা গেছে।সাম্প্রতিক সময়ে সরকারি কর্মকর্তারাও একটি সংস্কার প্রস্তাবকে ঘিরে আন্দোলনে নেমেছেন।এছাড়াও সরকারের পক্ষ থেকে প্রশাসনের বিভিন্ন জায়গায় যখন রদবদলের চেষ্টা করা হয়েছে তখনও এক ধরনের অস্থিরতা তৈরি হয়েছে।বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের শীর্ষ কয়েকজন সংগঠক বলেন, ৫ আগস্ট পরবর্তী সরকার বিপ্লবী সরকার না হওয়ায় অনেক সিদ্ধান্তই তারা বিপ্লবী কায়দায় নিতে পারেনি। যে কারণে এখনো প্রশাসন ও সরকারে নানা সংকট দেখা যাচ্ছে।বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের মুখ্য সমন্বয়ক আব্দুল হান্নান মাসউদ বলেন, ‘এই সরকার না বিপ্লবী, না সাংবিধানিক সরকার। সে সময় যদি একটা বিপ্লবী সরকার গঠিত হতো তাহলে এই তারা অনেক ধরনের সিদ্ধান্তই নিতে পারতো।তবে এই ঘোষণা হঠাৎ কেন এখন ঘোষণা হচ্ছে এমন প্রশ্নে সরকারের উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ বলেন, ‘জুলাইয়ের ঘোষণাপত্র। জুলাইয়ের গণঅভ্যুত্থানের কিছু অসমাপ্ত কাজ আছে সেটা সমাপ্ত করার কাজটি আমরা এই বছরের মধ্যেই করতে চাই।প্রায় একই রকম বলেছেন বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সদস্য আরিফ সোহেলও।সোহেল বলেন, ‘এটি অনেক আগেই করা উচিত ছিল। কিন্তু এই ২৪ আর জুলাই আর কখনো ফিরে আসবে না। তাই একটু তাড়াহুড়ো করে হলেও বছরের শেষদিন জুলাই ঘোষণাপত্র দেবো।এই ঘোষণা চূড়ান্ত করার আগে রাজনৈতিক দল, সুশীল সমাজ, বিভিন্ন শ্রেণি প্রেশার অংশীজনদের সাথেও এরই মধ্যে আলোচনা শুরু করেছে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন।
সূত্র : বিবিসি

