আনোয়ারা মোরশেদ মজুমদার (বুলেট)
ঈদুল ফিতর মুসলিমদের ধর্মী উৎসবের মধ্যে অন্যতম। আরবে অন্ধকারে ডুবে জাতিকে আলোর পথে নিয়ে আসে মহানবী হজরত মুহাম্মদ (সঃ) পবিত্র কোরআনে আলোকে। এই অন্ধকার আচ্ছন্ন জতিকে ইসলামের মধ্যদিয়ে উন্নত মানবিক জাতি হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করে। মদিনা শহরের ইহুদীরা ৪০ টি রোজা পালন করতো। খৃষ্টানরাও রোজা পালন করে ৪০ দিন কিন্তু ইসলামের রোজা পালন তাদের থেকে একেবারে ভিন্ন। আল্লাহ সুবহানাহু ওয়াতাআ’লা এই রমজান মাসে মহাগ্রন্থ আল কোরআন নাজিল করেন। ইসলামের জাকাত প্রথা যদি সঠিকভাবে পরিচালিত হতো বিশ্বে কোথাও একজন দরিদ্র মুসলিম খুজে পাওয়া যেতোনা আজ বাংলাদেশ সহ পৃথিবীর অনেক দেশে ঈদুল ফিতর পালিত হবে। গতকাল ইউরোপ ও মধ্য প্রাচ্যে ঈদুল ফিতর পালিত হয়। নির্যাতিত ফিলিস্তিনের মুসলমান ভাইবোনরা যুদ্ধে মধ্য ঈদুল ফিতর পালন করেছে কিন্তু আজ মুসলমানদের অনৈক্যের সুবিধা নিয়ে কোরআনে বর্ণীত অভিশপ্ত জাতি ইয়াহুদি দ্বারা নিযাতনে স্বীকার। আরব ধনী দেশগুলো কোন প্রতিকার করতে পারছেনা। আমাদের দেশে গত ১৬ বছরের আনন্দের পরিবর্তে দ্রব্যমুল্য কারসাজি করে ছিলো অসাধু মুসলিম নাম ধারী জালিম। এই বার মানুষ নিরাপদে বাড়ি ফিরতে পেরেছে। দ্রব্যমুল্য ছিলো সহনীয় পর্যায়ে। প্রিয় মাতৃভূমি সকল মুসলিম ও অন্যন্যা জাতি ও ধর্মীগোষ্ঠির একই সাথে ঈদুল ফিতর আনন্দে উদযাপন করবে প্রত্যাশা রইলো।

