আনোয়ার মোরশেদ মজুমদার (বুলেট)
গাজা নিয়ে তুঘলগি কান্ড দীর্ঘদিন ধরে গাঁজা কে নরকে করেছে ইহুদিবাদের সম্রাজ্য রাজ্য বিস্তারকারীরা। ক্যাপিটালিজম ইসলাম সমর্থন করে না কিন্তু ১৯২৩ সালের পরে আরবের সাম্রাজ্যের পতনের পর ব্রিটিশদের করতলে থেকে স্বাধীন রাষ্ট্র ব্যবস্থা তৈরি করে অনেকগুলো আরো রাষ্ট্রের জন্মগ্রহণ করে। প্রথম বিশ্বযুদ্ধের পরে থেকে তারা পশ্চিবাদের সাথে বিশেষ করে বৃটেনের সাথে গভীর সম্পর্ক তৈরি করে শিল্প বিপ্লবের পর আরবদের জ্বালানি তেল সাম্রাজ্যের কারণে আরবেরা ইসলামের মূল রীতি থেকে দূরে সরে গিয়ে নিজেদের ভোগ বিলাসে মত্ত হয়ে উঠে। ব্যতিক্রম যে আরব শাসক ছিল না তা বলা যাবে না ১৯৪৭ সালে ব্রিটেন যেমন বাংলাদেশ ভারত পাকিস্তান মাঝে কাশ্মীর ও পাঞ্জাব নিয়ে বাংলাদেশের কলকাতা সহ অন্যান্য জায়গায় ডিবাইড এন্ড রোল তাদের কার্যকর করে। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পরে আমেরিকা একক পরাশক্তি হিসেবে আবির্ভূত হয়। পৃথিবীর দুই ভাগে বিরক্ত হয়ে পড়ে এক সমাজতান্ত্রিক শক্তি সোভিয়েত ইউনিয়ন কে নিয়ে আর পশ্চিমা শক্তি ব্রিটেন ফ্রান্স কথা বলয় তৈরি করে ১৯৪৭ সালে আরবদের ভূমি থেকে উচ্ছেদ করে ফিলিস্তিনি নামক রাষ্ট্রকে যদিও ফিলিস্তিনি কখনো কোন রাষ্ট্র ছিল না এটি সিরিয়া লেবান জর্ডান শ্যাম নাম একই রাষ্ট্র ছিল। ৪৭ সালের পরে লেবানন সহ অনেকগুলো আরব রাষ্ট্রের জন্ম হয়। কথা হচ্ছে ফিলিস্তিনের বিভীষিকাময় দৃশ্যকে facebook সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম সবকিছুতে নাড়িয়ে দিচ্ছে আবাল বাংলাদেশের কিছু জনগণ কোন কিছু না বুঝেই নানা রকম কর্মসুচি দিচ্ছে এবং নো ইস্কুল এই স্লোগানটি দিচ্ছি বস্তুত ফিলিস্তিনে হত্যার জন্য দায়ী আরব শাসকের, কারণ তারা তাদের ক্ষমতাকে টিকিয়ে রাখতে আধিপত্য বিস্তার করতে নিরীহ মুসলমান পৃথিবীতে হত্যায় উৎসাহিত করছে। আজ পর্যন্ত ওআইসি নিতে পারেনি, কোন সামরিক পদক্ষেপ। মুসলিম রাষ্ট্র পৃথিবীতে একক কোন অর্থনৈতিক শক্তি হিসেবে তারা দাঁড়াতে পারেনি। আল্লাহ আমাদেরকে প্রকৃতি সম্পদ জনসম্পদ এবং একটি মহাগ্রন্থ দিয়েছেন কিন্তু আমরা সেটিকে গবেষণা করেছি। শুধু নেকি লাভের আশায় কোরআন পাঠ করি অথচ জীবনের প্রতিটি শাখায় কোরআন প্রয়োজন। নিজের আধিপত্য বিস্তারে ব্যবহার করছি কথা হচ্ছে এ ৫৬ টি মুসলিম রাষ্ট্রের যদি পঞ্চাশ হাজার সৈন্য করে যদি একটি সামরিক বাহিনী তৈরি করে জড়ে করলে আগামী কাল একজন ফিলিস্তিন হত্যার চিন্তা ও করবে না কোন শক্তি। যদি এটি করা হয় তাহলে ২৬ লাখ বিশাল একটি বাহিনী তৈরি হয়। আজও কি আমরা সেটি করতে পেরেছি আরব আমিরাত বাহারাইন মরক্কো, সহ আরব রাষ্ট্র তাদের সাথে সম্পর্ক তৈরি করেছে এত হত্যার পরেও বিভীষিকাময় পরিস্থিতির পরেও কূটনীতিক সম্পর্ক বিচ্ছিন্ন করেছে কোন আরব রাষ্ট। যদি এই অবস্থা আমরা ফেসবুকে বাংলাদেশের কিছু ইলেকট্রনিক্স মিডিয়া ইরানের কে ফলো করে প্রচার করছে গাজা কে তুলে ধরছে এগুলো হচ্ছে সস্তা প্রচারণার একটি অংশ মূলত যদি ফিলিস্তিনির জন্য কিছু করতে হয় সকল আরব শক্তি ও অনারব শক্তি একসাথে মিলিত হই আগামী এক মাসের মধ্যে সারা বিশ্বের রাষ্ট্রের কাছে কি বন্ধ করতে হবে এবং অবিলম্বে জাতিসংঘের মাধ্যমে ফিলিস্তিনে শান্তিরক্ষী পাঠাতে হবে এবং ১৯৭০ সালের সীমানা অনুসারে ফিলিস্তিন রাষ্ট্র গঠন করতে হবে এইসব হায় হুতাশ এবং সস্তা ফেসবুক প্রচারণা থেকে বিরত থেকে আমাদেরকে কার্যকর পদক্ষেপ অবলম্বন করতে হবে। নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাই ওয়াসাল্লাম তিনি যখন সৈন্য প্রেরণ করেছিলেন তখন কি হয়েছে যুদ্ধে পরাক্রমশালীরা পরাজয় বরন করে। আমাদের দরকার ব্যাপক সামরিক উপস্থিতি ফিলিস্তিনের জীবন বাঁচাতেৃ হলে। আর আমরা চিৎকার চেঁচামেচি করব আর আল্লাহ কেন সাহায্য করছে না তা বলে আকাশের দিগে তাকিয়ে থাকবো। আল্লাহ সুবহানুতায়ালা আমাদেরকে সব দিয়েছে কাল কিয়ামতের মাঠে এই ২০০ কোটি মুসলমানকে আল্লাহ সুবহানাতায়ালা জিজ্ঞাসার আওতায় আনবেন সেদিন আমরা কি পার পেতে পারবো সেই চিন্তাটা করা আগে উচিত।

