বৃহস্পতিবার, মার্চ ১২, ২০২৬

মাটি খোর থেকে ফসলি জমির রক্ষার সমন্বিত কার্যকর ভূমিকা নিতে হবে

আপডেট:

আনোয়ার মোরশেদ মজুমদার (বুলেট)

ফেনী সদর উপজেলা, ছাগলনাইয়া, ফুলগাজী, পরশুরাম, দাগনভূঞা, সোনাগাজী, এই উপজেলা গুলোতে মাটি কেটে ইট ভাটা সরবরাহকারীরা কোন এক অদৃশ্য শক্তির বলে সব সময় এ কাজটি করে আসছে। ফেনী সদর উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা সহকারী ভূমি কমিশনার ফুলগাজী, পরশুরাম, ছাগলনাইয়া ভূমি কমিশনার ও উপজেলা নির্বাহী অফিসার বারংবার অভিযান পরিচালনা করেও এই মাটি সরবরাহকারীদের থেকে ফসলি জমি রক্ষা করতে পারছে না এর আসল রহস্য কি? গত কিছুদিন আগে বিএনপি’র ঢাকা মহানগর দক্ষিণের আহবায় রফিকুল মজনু এই মাটি উত্তোলনকারীদের সাথে তার দলের সম্পৃক্ততা নেই বলে দাবি করেছেন।ফেনী জেলা বিএনপির আহবায়ক শেখ ফরিদ বাহার, যুগ্ম আহবায়ক গাজী হাবিবউল্লাহ মানিক, যুগ্ম আহবায়ক আনোয়ার হোসেন পাটোয়ারী সদস্য সচিব আলাল উদ্দিন সংবাদ সম্মেলনে বলেছেন যদি কেউ এই ধরনের কাজ করে তাকে দলীয় ব্যবস্থা নেবেন বলেছেন । আজ ফেনী সদর উপজেলার ফরাহদ নগরে উপজেলা নির্বাহী অফিসার অভিযান পরিচালনা করে মাটি সরবরাহকারীদের একটি এস ক্লাবেরেটর তিনটি পিকআপ জব্দ করেন কিন্তু পিকআপ এর মালিকের কোন পরিচয় পাওয়া যায়নি বলে জানিয়েছেন। তাহলে আমাদের গোয়েন্দা সংস্থা কি কাজ করেন। তারা কি জানেনা যে মাটি যারা সরবরাহ করে তারা কারা। তাহলে তাদের কাজ কি জনগণের জালমান নিরাপত্তা বিধান করা রাষ্ট্রীয় আইনের যথাযথ প্রয়োগ করা। তাদের কর্তব্যের মধ্যে পড়ে পুলিশ সেবা সংস্থা এই সেবকেরা যদি জনগণের সেবা করতে না পারেন তাহলে বেতন ভাতা নিয়ে দিয়ে তাদের পরিবার-পরিজন পরিচালনা করছেন। কোনভাবেই ধর্মীয় নৈতিকতা পরিপন্থী। এই যদি হয় আমাদের কার্যক্রম তাহলে জনগণ কোথায় যাবে। ফেনীর নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ডিসি তিনি অনেক ধরনের নির্দেশ প্রদান করেছেন কিন্তু কার্যকর করার যে সংস্থাগুলো তারা কি সঠিকভাবে কার্যগুলো পরিচালনা করছেন জনগণ বলছে না যাদের মাটি কেটে নেওয়া হচ্ছে তাদেরকে সামান্য টাকা দিয়ে নানার ধরনের কথা বলে এক ফুটের জায়গায় ১০ ফুট মাটি গভীর করে নিয়ে যায়। এই দুষ্ট চক্র ইট ভাটার মালিকেরা স্থানীয় টাউট বাটপারে মাধ্যমে এই মাটি কাটার কাজ গুলো করিয়ে নেয়। আগের ফ্যাসিবাদিদের অনেকে রঙ বদলে নতুনদের সাথে মিশে এরাই বর্তমানে ঘষ দিয়ে অনেকে ম্যানেজ করেছে বলে দাবী করে থাকে। এটি সত্যতা নিশ্চিত করা যায়নি তাহলে এই মাটি উত্তোলনকারীদেরকে না ধরে প্রথমত ফেনীতে যত ইট ভাটার মালিক রয়েছে বা ইট বাটা মালিক সমিতির সভাপতি সেক্রেটারি যারা রয়েছে অনুমোদিহীন সব ব্রিক ফিল্ড কে তাদের যত মালামাল আছে সব জব্দ করে অবিলম্বে নিলামের ব্যবস্থা করা হোক। তাতে যদি মাটি খোর থেকে রক্ষা পাওয়া যায় ফেনী শহরের একজন নাম প্রকাশ না করে আমাকে বলেছেন গত সরকারের আমলে তারাই এই কাজগুলো নতুনদের দিয়ে করিয়ে নিচ্ছে। ফেনী বারের এডভোকেট জামাল জায়গায় মাটি রেখেছিল স্থানীয় এমপি নিজাম উদ্দিন হাজারী তিনি সেটি রক্ষা করতে পারেন তখনো যখন নিজাম হাজারী পালিয়ে গেলে, তখন স্থানীয় দুর্বৃত্তরা তাকে আওয়ামীলীগের তকমা দিয়ে তার ১০০ শতাংশ সম্পত্তির মাটিগুলো কেটে নিয়ে যায়। গভীর রাতে উপজেলা নির্বাহী অফিসার অভিযান পরিচালনা করে কোন দুর্বৃত্তকে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়নি। এদের পেছনে কারা আছে পুলিশ প্রশাসন যদি গোয়েন্দা বাহিনী যদি জেলা প্রশাসককে এই বিষয়ে অবহিত না করে তাহলে তাদের এই অভিযান লোক দেখানো৷ বলছে জনগন ফেনী পরিবেশ আন্দোলন কারীরা ও সচেতন মহল। তারা আশা প্রকাশ করে দেশের খাদ্য ও পরিবেশের নিরাপত্তায় এই মাটি কাটা বন্ধ করতে হবে। লাইসেন্স বিহীন যত ইটভাটা আছে তাদের ঈটভাটা লীলাম করে করে দিতে হবে। বিষয়টি জেলা প্রশাসক পরিবেশ অধিদপ্তর পরিবেশ উপদেষ্টা পরিবেশ সচিব স্বরাষ্ট্র সচিব দেখবেন বলে ফেনীর জনগণ আশা করে দৈনিক সকালের কন্ঠ এ বিষয়ে অনেকবার প্রতিবেদন ও সম্পাদকীয় প্রকাশ করেছে কিন্তু কাজের কাজ কিছুই হয়নি।

সংশ্লিষ্ট সংবাদ:

সর্বাধিক পঠিত