বুধবার, মার্চ ১৮, ২০২৬

সম্মান রক্ষার্থে হত্যা ইতালিতে পিতা, মাতা যাবজ্জীবন কারাদণ্ড

আপডেট:

অনার কিলিং বা সম্মান রক্ষার্থে হত্যা যেন পাকিস্তানের নৈমিত্তিক ঘটনা। ২০২১ সালে এমন ঘটনার পুনরাবৃত্তি ঘটান ইতালিতে বসবাসকারী পাকিস্তানি এক পরিবার। তাদের পছন্দের পাত্রকে বিয়ে করতে রাজি না হওয়ায় পরিবারের সদস্যরা মিলে হত্যা করে ১৮ বছর বয়সী সামান আব্বাসকে। এ ঘটনায় ওই তার পিতামাতাকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেয় আদালত। শুক্রবার ওই রায় বহাল রেখেছে ইতালির একটি আপিল কোর্ট। এ খবর দিয়েছে অনলাইন আরব নিউজ। ওই ঘটনায় ইতালির অনেক অভিবাসী হতবাক হয়ে পড়েন। উল্লেখ্য, নিখোঁজ হওয়ার ১৮ মাস পর ২০২২ সালে একটি ফার্ম হাউসে সামানের মৃতদেহ পাওয়া যায়। ওই হত্যা মামলায় সামানের পিতা শাবির আব্বাস, মাতা নাজিয়া শাহীন ও দুই কাজিনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেয়া হয়। সামানের চাচা দানিশ হাসনাইনকেও ২২ বছরের কারাদণ্ড দেয়া হয়। এর আগে তাকে ১৪ বছরের কারাদণ্ড দেয়া হয়। অভিবাসী নারী যারা পরিবারের মতে বিয়ে না করায় নির্যাতনের শিকার হয়েছেন তাদের ওপর করা তদন্তের ভিত্তিতে ইতালির দক্ষিণাঞ্চলের রেজিও এমিলিয়ার ওই মামলা বেশ হাই প্রোফাইল মামলা হিসেবে পরিচিতি পেয়েছে। ইতালির প্রসিকিউটরা দাবি করছেন, সামানকে ২০২১ সালের ১লা মে হত্যা করা হয়। এর কিছুদিন পর তার পরিবার মিলান থেকে পাকিস্তান চলে যায়। পরবর্তীতে তার পিতাকে পাকিস্তান থেকে গ্রেপ্তার করা হয় এবং বিচারের জন্য ইতালিতে প্রত্যর্পণ করা হয়। তিন বছর পলাতক থাকার পর গত বছর মে মাসে তার ‘মা’ কে গ্রেপ্তার করা হয়। ২০২৩ সালের ফেব্রুয়ারিতে প্রথম বিচারের সম্মুখীন হন সামানের চাচা, দুই কাজিন , পিতা ও মাতা। সামানকে কিশোরী বয়সে পাকিস্তান থেকে ইতালি নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে গিয়ে দ্রুত পশ্চিমা সংস্কৃতিতে অভ্যস্ত হয়ে পড়েন তিনি। এর পরিপ্রেক্ষিতে মাথার স্কার্ফ নেয়া বন্ধ করে দেন। নিজের পছন্দের ছেলের সঙ্গে প্রেমের সম্পর্কেও জড়ান। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রেমিকের সঙ্গে তার ছবিও দেখা যায়। ইতালির তদন্তকারীদের মতে, সামানের প্রেমিকের বিষয়ে জানতে পেরেই চটে যায় তার পরিবার। কারণ তারা তাকে পাকিস্তানে এক কাজিনের সঙ্গে বিয়ে দিতে চান। সামানকে সর্বশেষ ২০২১ সালের ৩০ শে এপ্রিল জীবিত দেখা যায়। ইতালি ২০১৯ সালে কোনো ইতালিয় নাগরিক বা বাসিন্দাকে জোর করে বিয়ে দেয়ার বিষয়টিকে পারিবারিক সহিংসতা আইনের আওতায় অপরাধ হিসেবে ঘোষণা করে।

Bengali
Italian
অনার কিলিং বা সম্মান রক্ষার্থে হত্যা যেন পাকিস্তানের নৈমিত্তিক ঘটনা। ২০২১ সালে এমন ঘটনার পুনরাবৃত্তি ঘটান ইতালিতে বসবাসকারী পাকিস্তানি এক পরিবার। তাদের পছন্দের পাত্রকে বিয়ে করতে রাজি না হওয়ায় পরিবারের সদস্যরা মিলে হত্যা করে ১৮ বছর বয়সী সামান আব্বাসকে। এ ঘটনায় ওই তার পিতামাতাকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেয় আদালত। শুক্রবার ওই রায় বহাল রেখেছে ইতালির একটি আপিল কোর্ট। এ খবর দিয়েছে অনলাইন আরব নিউজ। ওই ঘটনায় ইতালির অনেক অভিবাসী হতবাক হয়ে পড়েন। উল্লেখ্য, নিখোঁজ হওয়ার ১৮ মাস পর ২০২২ সালে একটি ফার্ম হাউসে সামানের মৃতদেহ পাওয়া যায়। ওই হত্যা মামলায় সামানের পিতা শাবির আব্বাস, মাতা নাজিয়া শাহীন ও দুই কাজিনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেয়া হয়। সামানের চাচা দানিশ হাসনাইনকেও ২২ বছরের কারাদণ্ড দেয়া হয়। এর আগে তাকে ১৪ বছরের কারাদণ্ড দেয়া হয়। অভিবাসী নারী যারা পরিবারের মতে বিয়ে না করায় নির্যাতনের শিকার হয়েছেন তাদের ওপর করা তদন্তের ভিত্তিতে ইতালির দক্ষিণাঞ্চলের রেজিও এমিলিয়ার ওই মামলা বেশ হাই প্রোফাইল মামলা হিসেবে পরিচিতি পেয়েছে। ইতালির প্রসিকিউটরা দাবি করছেন, সামানকে ২০২১ সালের ১লা মে হত্যা করা হয়। এর কিছুদিন পর তার পরিবার মিলান থেকে পাকিস্তান চলে যায়। পরবর্তীতে তার পিতাকে পাকিস্তান থেকে গ্রেপ্তার করা হয় এবং বিচারের জন্য ইতালিতে প্রত্যর্পণ করা হয়। তিন বছর পলাতক থাকার পর গত বছর মে মাসে তার ‘মা’ কে গ্রেপ্তার করা হয়। ২০২৩ সালের ফেব্রুয়ারিতে প্রথম বিচারের সম্মুখীন হন সামানের চাচা, দুই কাজিন , পিতা ও মাতা। সামানকে কিশোরী বয়সে পাকিস্তান থেকে ইতালি নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে গিয়ে দ্রুত পশ্চিমা সংস্কৃতিতে অভ্যস্ত হয়ে পড়েন তিনি। এর পরিপ্রেক্ষিতে মাথার স্কার্ফ নেয়া বন্ধ করে দেন। নিজের পছন্দের ছেলের সঙ্গে প্রেমের সম্পর্কেও জড়ান। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রেমিকের সঙ্গে তার ছবিও দেখা যায়। ইতালির তদন্তকারীদের মতে, সামানের প্রেমিকের বিষয়ে জানতে পেরেই চটে যায় তার পরিবার। কারণ তারা তাকে পাকিস্তানে এক কাজিনের সঙ্গে বিয়ে দিতে চান। সামানকে সর্বশেষ ২০২১ সালের ৩০ শে এপ্রিল জীবিত দেখা যায়। ইতালি ২০১৯ সালে কোনো ইতালিয় নাগরিক বা বাসিন্দাকে জোর করে বিয়ে দেয়ার বিষয়টিকে পারিবারিক সহিংসতা আইনের আওতায় অপরাধ হিসেবে ঘোষণা করে।

বিজ্ঞাপন

Gli omicidi d’onore sono un fenomeno comune in Pakistan. Una famiglia pakistana residente in Italia ha ripetuto un episodio simile nel 2021. I familiari hanno ucciso il diciottenne Saman Abbas dopo che questi si era rifiutato di sposare l’uomo da loro scelto. Per questo incidente il tribunale ha condannato i suoi genitori all’ergastolo. Venerdì la corte d’appello italiana ha confermato la sentenza. Lo riporta Online Arab News. Molti immigrati in Italia sono rimasti scioccati dall’accaduto. Vale la pena notare che il corpo di Saman è stato ritrovato in una fattoria nel 2022, 18 mesi dopo la sua scomparsa. Il padre di Saman, Shabir Abbas, la madre Nazia Shaheen e due cugini sono stati condannati all’ergastolo per quel caso di omicidio. Anche lo zio di Saman, Danish Hasnain, è stato condannato a 22 anni di carcere. In precedenza era stato condannato a 14 anni di carcere. Il caso di Reggio Emilia, nell’Italia meridionale, è diventato un caso di alto profilo basato su un’indagine sulle donne migranti che hanno subito abusi perché si sono rifiutate di sposarsi secondo la volontà delle loro famiglie. I pubblici ministeri italiani sostengono che Saman sia stato assassinato il 1° maggio 2021. Poco dopo, la sua famiglia si è trasferita da Milano in Pakistan. Successivamente il padre venne arrestato in Pakistan ed estradato in Italia per essere processato. Sua “madre” è stata arrestata nel maggio dell’anno scorso, dopo essere stata latitante per tre anni. Lo zio di Saman, due cugini, il padre e la madre sono stati processati per la prima volta nel febbraio 2023. Saman è stato portato dal Pakistan in Italia quando era adolescente. Una volta lì, si abituò rapidamente alla cultura occidentale. Per questo motivo, smise di indossare il velo. Iniziò anche una relazione sentimentale con il ragazzo che le piaceva. Le sue foto con il fidanzato si possono vedere anche sui social media. Secondo gli inquirenti italiani, la famiglia di Saman è rimasta sconvolta quando ha saputo della scomparsa del suo fidanzato. Perché vogliono farla sposare con un cugino in Pakistan. Saman è stato visto vivo l’ultima volta il 30 aprile 2021. Nel 2019, l’Italia ha dichiarato il matrimonio forzato di un cittadino o residente italiano un reato ai sensi delle leggi sulla violenza domestica।

সংশ্লিষ্ট সংবাদ:

সর্বাধিক পঠিত