বুধবার, ফেব্রুয়ারি ২৫, ২০২৬

L’Iran non scenderà a compromessi sul programma nucleare e sulle scorte di armi

আপডেট:

পারস্য উপসাগরে মার্কিন রণতরী আর যুদ্ধবিমানের সারি। যে কোনো মুহূর্তে ধেয়ে আসতে পারে ক্ষেপণাস্ত্র। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের কড়া হুশিয়ারি আর চরম উত্তেজনার মাঝেও নিজেদের পারমাণবিক কর্মসূচি ও অস্ত্রভাণ্ডার নিয়ে নতিস্বীকার করতে নারাজ ইরান। তেহরানের এই অনড় অবস্থান মার্কিন কর্মকর্তাদের রীতিমতো বিস্মিত করেছে। বিশ্লেষকদের মতে, ইরানের শাসকগোষ্ঠীর কাছে তাদের আদর্শগত ভিত্তি ও সার্বভৌমত্ব বিসর্জন দেওয়ার অর্থ হলো নিজেদের অস্তিত্ব বিলীন করা। তাই ট্রাম্পের দাবি মেনে নেওয়ার চেয়ে যুদ্ধের ঝুঁকি নেওয়াকেই তারা বেঁচে থাকার জন্য কম বিপজ্জনক মনে করছেন। মার্কিন সংবাদমাধ্যম নিউইয়র্ক টাইমস এ খবর জানিয়েছে।যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের কর্মকর্তাদের মধ্যে সংঘাত এড়ানোর শেষ চেষ্টা হিসেবে বৃহস্পতিবার জেনেভায় একটি বৈঠক হওয়ার কথা রয়েছে। সেখানে যুদ্ধ এড়ানোর একটি পথ হিসেবে বেসামরিক উদ্দেশ্যে সীমিত ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণের প্রস্তাবটি বিবেচনা করা হতে পারে।ট্রাম্প প্রশাসন চাইছে ইরান যেন কোনোভাবেই ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধ করতে না পারে। সেই সঙ্গে ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্রের পাল্লা কমানো এবং আঞ্চলিক সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলোর প্রতি সমর্থন বন্ধের দাবিও রয়েছে ওয়াশিংটনের। বিপরীতে তেহরানের অবস্থান হলো, পারমাণবিক কর্মসূচি কেবল শান্তিপূর্ণ কাজের জন্য এবং ক্ষেপণাস্ত্র তাদের আত্মরক্ষার অধিকার।তেহরান বিশ্ববিদ্যালয়ের রাষ্ট্রবিজ্ঞানী ও ইরান সরকারের সাবেক কৌশলগত বিষয়ক উপ-সহকারী প্রধান সসান করিমি বলেন, ‘যুদ্ধ এড়িয়ে চলা অবশ্যই উচ্চ অগ্রাধিকারের বিষয়, তবে তা যে কোনো মূল্যে নয়

সংশ্লিষ্ট সংবাদ:

সর্বাধিক পঠিত