লেখক ঃ ইঞ্জিঃ মোঃ সিরাজুল ইসলাম।
তাং ঃ ১৫.১১.২০২৩
ধর্ম মনের, লেবাস প্রদর্শনে আসল নকল বোঝা যায় না।
এজন্য ভন্ডরা ধার্মিক তকমায় এগিয়ে, কুরআন, গীতা বাইবেল তাওরত এর আসল ধার্মিক রা নাস্তিক খেতাবে দূরে।
ইসরায়েল গাঁজায় গনহত্যা শুরু করলে ইরান তুরস্ক ছাড়া বাকী মুসলমান দেশ যখন নিজ গদি বাঁচায় আমেরিকার প্রেসক্রিপশনে মুখে হামাস কে সমর্থন দিচ্ছে, কোন কোন দেশে ইসলামের রক্ষকরা যারা ইসলাম ইসলাম করে মুখে ফেনা তুলে ফেলতো তারা ইঁদুরের গর্তে তখন আমেরিকায় কয়েক হাজার ইহুদি “ফিলিস্তিন” স্বাধীনতার পক্ষে আমেরিকার “ক্যাপিটাল হিল” দখল করে নেয়! অবরুদ্ধ করে ফেলে ক্যাপিটাল হিলকে! কি লজ্জা কি আশ্চর্য ভন্ড মুসলমানদের ইসলাম প্রীতি শুধু ব্যবসা এবং ক্ষমতার সিড়ি তাদের কাছে ধর্ম!
এই ইহুদি গোষ্ঠী কেন গাঁজায় ইসরায়েল আগ্রাসন বিরোধী? তারা মনে করে তাদের ধর্ম এবং নবী মূসা আঃ বানী অন্যের ক্ষতি নিষিদ্ধ, রক্তপাত পবিত্র ধর্মগ্রন্থ “তোরাহ” কঠিন পাপ বলা হয়েছে তা ভঙ্গ করে যারা নারী শিশু হত্যা করছে তারা ইহুদি নয়, রাস্ট্র, যে রাস্ট্রের কর্ম তারা সমর্থন করে না! তারা সরাসরি তাদের ধর্ম গ্রন্হ ও মূসার বানী অনুসরণ করে। এমন কি তারা মনে করে “যীশু” আসবেন, বিশ্ব বিশাল পরিবর্তন হবে এবং তখনই সব শান্তি আসবে তার আগে যে যেখানে আছে সেখানে সেই বিশ্ব ব্যবস্হায় শাসকের অনুগত্য হয়ে জীবন কাটাও, কথাটা বক্তৃতায় বলেছেন তাদের নেতা “রেবাই ওযাইন”! Ref ঃ ১০ই নভেম্বর নিউইয়র্ক পোস্ট।
প্রিয় পাঠক, গ্রামের একজন অশিক্ষিত মুসলমান ও জানেন, ” ঈসা আঃ (যীশু) আসবেন, ইহুদিরা ও তাই জানেন ষথচ মুসলমান, খৃষ্টান নবী, ইহুদি নবী এক না
আবার এক! আমরা তো ১/২ লাখ ২৪ হাজার পয়গম্বরের থেকে ঈসা মূসা আঃ কে অস্বীকার করতে পারি না, তা হলে তো কাফের হয়ে যাই।একটা কথা জানায় রাখি, আমরা যখন ইতিহাস লিখি তখন ১৯৪৮ সালে ইহুদিরা ফিলিস্তিন উড়ে এসে জুড়ে বসলো তা বলে থাকি, এ কথা ও ঠিক হিটলার ৬০ লাখ ইহুদি হত্যা করেছে সূদুর রাশিয়া পর্যন্ত যেয়ে, রাশিয়া ইহুদিদের আশ্রয় দেয়ায় জার্মান বোমা ফেলা শুরু করলো।আরও একটা মজার গল্প আছে, জার্মান যেদিন বোমা ফেলা শুরু করে সেদিন “জারের” নির্দেশে “তৈমুর লং” এর লাশ কবর খূড়ে বের করা হয়েছে কেবল। সেই তৈমুর যিনি ইউরোপ পর্যন্ত মুসলমান শাসন নিয়ে গেছিলেন কিন্ত মানুষ হত্যাও করেছেন লাখ লাখ, সে গল্পে যাব না।
জার্মান বোমা ফেললে, জার তাড়াতাড়ি “,তৈমুরের” লাশ কবর দিতে বলে, কি সম্পর্ক তৈমুরের লাশ আর জার্মান বোমার, তৈমুর মরার সময় বলেছিলেন, “আমাকে আবার যদি কেউ জাগায়,সেদিন বিশ্বে প্রলয় ঘটবে” তার পাথর বাঁধা দশ টা কবরে এই কথা লেখা ছিলো! নয়টা কবর ছিলো ডুপ্লিকেট!
পাঠক, আসল কথা ইহুদি রা কি উড়ে এসে জুড়ে বসেছে? মোটেই তা নয়! মূসা নবী মিশর থেকে তাড়া খেয়ে কোথায় শেষ জীবন পর্যন্ত কাটালেন? এই জেরুজালেম, তা হলে ইহুদির বাবা (নবী) ই তো এখানে ছিলেন যিনি আমার আপনার ও নবী। তাছাড়া যারা কুরআনের তর্জমা শুনেন তারা নিশ্চয়ই শুনেছেন, “যদি কেউ ভালো কাজ করে তার প্রভুর ভীতি মনে পোষণ করে সে তার পুরষ্কার হিসাবে enter in Paradise.
“বেহেশতে যাবে খৃষ্টান বা ইহুদি হলে ও” এমন মনে হয় আয়াত টা।
তা হলে কোন ইহুদিরা ক্যাপিটাল হিল ঘেরাও করলো, গাঁজা ইসরায়েলকে হত্যা বন্ধ করতে, কোন মুসলমানরা কাবা ঘেরাও করে ১৩ দিন তওয়াফ বন্ধ রেখে জীবন দিলো? কেন সৌদি বেদুঈন রা তাবু ছেড়ে বিলাসবহুল হাজার খানেক ২৪ তলা বিল্ডিং প্রত্যাখ্যান করে ছাগল দুম্বা চড়ায় গরম মরুভুমিতে জীবন পার করে?
তারা, যারা মনে করে বর্তমান শাসক তোরাহ, কুরআন বর্নিত ইহুদি মুসলমান না, শুধু শাসক, ধর্মের নামে প্রতারনা করে দেশের শাসক, এ ধর্ম ব্যবসা, ধর্মীয় ভন্ডামি, হত্যা খুন আগ্রাসন, পূঁজি বাদ তোষন, মূসা বা মুহাম্মদ সঃ দেখানো পথ না ! আপনার দেশে কারা গাঁজা মুসলমান হত্যার নিন্দা জানায় না আবার ইসলামের ঘাড়ে সওয়ার হয়ে ক্ষমতায় যেতে চায় তারা এই ইহুদি সমান আল্লাহ পেয়ারা কি? বিবেচনায় রাখবেন!
ভালো থাকেন সুস্থ থাকেন নিজ দেশেকে ভালোবসেন।
আল্লাহর পাপ করলে তাকে শেষ বিচারের দিন ও ক্ষমা নিতে পাবেন আপনার প্রভু “রব” কে, বান্দার সরিষা পরিমাণ পাপ থেকে বিরত থাকেন কারন ক্ষমা চাইতে তাকে খুঁজে পাবেন না, অহেতুক যাবে মসজিদে ছোটা আর কপালে দাগ ফেলা। সৃষ্টিকর্তার সনদ পাবেন কিন্ত
বেহেশতে প্রবেশ সনদ পাবেন না যে দুর্বল ভাইকে আজ দুর্বল পেয়ে ঠকাচ্ছেন তার সনদ না পান!
ক্যাপিটাল হিলে ইহুদি মিছিল!



