ক্রমবর্ধমান মানব পাচার ও অবৈধ অভিবাসীদেরকে সনাক্তকরণে মাদক অপরাধীদেরকে ধরতে নতুন একটি প্রস্তাব পাস করেছে ইউরোপীয় ইউনিয়ন। এর আওতায় নতুন করে ইউরোপোলকে শক্তিশালী করতে আরো ৫০ মিলিয়ন ইউরো বরাদ্দ করেছে ইউরোপীয় ইউনিয়ন। ভূমধ্যসাগরে মানব পাচারের কারণে প্রতিবছর অনেক জনের প্রাণহানি ঘটে তা রোধে গ্রহণ এই বাজেট সহায়ক ভূমিকে পালন করবে বলে ইউরোপীয় পার্লামেন্ট সদস্যরা মনে করে। মানবপাচার ও চোরাচালান রোধে ইউরোপীয় পুলিশ সংস্থা ‘ইউরোপোল’-এর ক্ষমতা বাড়াতে ৫৫৬ ভোটে ঐতিহাসিক প্রস্তাব পাস করল ইউরোপীয় পার্লামেন্ট। এর আওতায় ‘ইউরোপিয়ান সেন্টার এগেইনস্ট মাইগ্রেন্ট স্মাগলিং’ (ECAMS) নামে একটি নতুন অপারেশনাল হাব বা কেন্দ্র চালু করা হবে। ইউরোপোল, ইউরোজাস্ট এবং ফ্রন্টেক্সের কর্মকর্তাদের নিয়ে গঠিত এই কেন্দ্রটি তথ্যের আদান-প্রদান এবং যৌথ অভিযানে নেতৃত্ব দেবে এই কার্যক্রম পরিচালনার জন্য ২০২৫-২০২৭ সালের মধ্যে অতিরিক্ত ৫০ মিলিয়ন ইউরো বাজেট এবং ৫০ জন নতুন কর্মী নিয়োগের অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। নতুন নিয়মে ইউরোপোল এখন থেকে বায়োমেট্রিক ডেটা (আঙুলের ছাপ ও ফেসিয়াল রিকগনিশন) বিশ্লেষণ করে ভুয়া পরিচয় বা মাল্টিপল আইডি শনাক্ত করতে পারবে। সদস্য রাষ্ট্রগুলো এখন সরাসরি ‘অপারেশনাল টাস্ক ফোর্স’ গঠন করতে পারবে এবং ইউরোপোল তাদের কৌশলগত ও প্রযুক্তিগত সহায়তা দেবে।বায়োমেট্রিক নজরদারি আর বাড়তি বাজেটের এই নতুন ‘সুপার পুলিশ’ ব্যবস্থা কি সত্যিই মানবপাচারকারীদের নেটওয়ার্ক ভাঙতে পারবে কিনা তা সময় বলে দিবে।
সুত্র : ইউরো নিউজ

