সম্পাদক :আনোয়ার মোরশেদ বুলেট
ফেনী জেলা রাজনৈতিক ভাবে বাংলাদেশের অনান্য জেলা শহরের ছেয়ে আলাদা। রাজনৈতিক ভাবে আওয়ামীলীগ তার অঙ্গসংগঠন সমূহ ১৯৮৫ থেকে বিরোধী দল থাকা কালিন ১৯৯৬ পর্যন্ত বেশ শক্ত অবস্থান ধরে রেখেছে। তখন কার মধ্যবিত্ত পরিবারের ৫৫ ভাগ আওয়ামীলীগের রাজনীতির সাথে জড়িত ছিলো। বি,এন পি ও তাদের মতো করে সোনাগাজী ও ছাগলনাইয়া উপজেলা কৃষক ও শ্রমজীবীদের মাঝে বেশ জনপ্রিয় ছিলো। কিন্তু শিক্ষিত মধ্যবৃত্তের মাঝে ছাত্রলীগ, ও আওয়ামীলীগ আলাদা আবস্থান বজায় রেখেছিলো। ফেনী তৎকালীন এম,পি রাজনৈতিক নেতা জয়নাল হাজারী ফেনীকে আলাদা ভাবে পরিচয় করেছেন। তার রাজনৈতিক সিদ্ধান্ত নিয়ে বির্তক সমালোচনা আছে তবে তিনি প্রকৃত নেতা ছিলেন তা তার বিরোধী দল বি,এন, পি, জামায়াত ও স্বীকার করে। ২০০১ সালে বি,এন,পি ক্ষমতায় আসলে জয়নাল হাজারী ভারতে চলে গেলে পটপরিবর্তন শুরু হয়। আওয়ামীলীগ, ছাত্রলীগ, যুবলীগ নেতা হারিয়ে কিছুটা ঝিমিয়ে পড়ে। তারপর ২০০৬ সালে বি,এন, পি ক্ষমতা হারলে আওয়ামীলীগ সংগঠিত হতে থাকে, তৎকালীন ছাত্র নেতারা নিজেদের ঘুছিয়ে নিয়ে মাঠে ফিরে আসে। ২০০৮ সালে আওয়ামীলীগ ক্ষমতায় আসলে বর্তমান এম,পি সাবেক ছাত্রলীগ নেতা চট্টগ্রাম থেকে নিজ শহর ফেনী এসে সংগঠন কে শক্তিশালী করে, মেয়র নির্বাচিত হন। জয়নাল হাজারী নিজের ভুলের জন্য ফেনীতে আর নিজের অস্তিত্ব জানান দিতে পারেনি। বর্তমান এম,পি সাবেক ছাত্রনেতাদের নিয়ে পথ চলতে শুরু করেন সফলতা পান। কিন্তু সেখানে কিছু কাউয়া এসে জড়ো হয়। তারা সাবেক ছাত্রনেতা ও ত্যাগি নেতাদের দূরে সরিয়ে দিয়ে নিজেদের আগের গোছাতে থাকে এতে দল হিসাবে আওয়ামীলীগ, ছাত্রলীগে ও যুবলীগের স্বাধীনতা বিরোধী রা ডুকে পড়ে। আওয়ামীলীগ তার রাজনৈতিক আবস্থান হারিয়ে পেলে। কোটা বিরোধী আন্দোলন তার প্রভাব লক্ষ্য করার যায়। তবে ফেনীতে গত ১৫ বছর কোন রাজনৈতিক প্রতিহিংসা ছিলোনা। এটি বর্তমান এম,পি নিজাম উদ্দীন হাজারীর অবদান বলছে জনগন। বি,এন, পি শক্তি অর্জন করতে গত ১৫ বছর চেষ্টা করছে বটে কিন্তু ফলাফল তেমন সুবিধা জনক নয়। তবে জামায়াত আওয়ামীলীগের কাউয়াদের উপর ভর করে, ব্যবসা বানিজ্য চলিয়ে বেশ শক্ত অবস্থান তৈরি করছে। ফেনী ২ আসনের অনেক নেতা স্বাধীনতা বিরোধীদের সাথে ব্যবসা করছে বলে স্থানীয় গণমাধ্যমে এসেছে। তবে উন্নয়ন অগ্রযাত্রা তেমন হয়নি বলে জনগন ক্ষোভ প্রকাশ করেছে বিশেষ করে ৯০ থেকে ২০০৬ সালের নিবেদিত আওয়ামীলীগের নেতা কর্মীরা। দূঃষ সময়ের নেতা কর্মীরা এখন কাউয়া আওয়ামীলীগের পতন চায়। তবে কোটা বিরোধী আন্দোলন পর ৯০ নেতা কর্মীরা নিরভে দলের জন্য অশ্রু ঝরিয়েছে। তারা বলছে জননেত্রী মাননীয় প্রধানমন্ত্রী কে এখন সিদ্ধান্ত নিতে হবে, ব্যাংক লুটেরা, ইয়াবা কারবারি, দুর্নীতিতে নিমজ্জিত কাউয়া আওয়ামীলীগদের বিদায় করে দিয়ে, বেশী কথা বলা মন্ত্রীদের বাদ দিয়ে দেশকে এগিয়ে নিতে হবে। ফেনীর বি,এন,পি, বেশ শক্ত অবস্থান রয়েছে। তবে তারা কোন ভাবে সহ অবস্থান নষ্ট হোক তা চায় না।
ফেনীতে গত কিছুদিনের রাজনৈতিক হালচাল
আপডেট:

