২৮ বছর পর বিশ্বকাপের মূল পর্ব প্রায় নিশ্চিত হয়ে গেছিল নরওয়ের। আর্লিং ব্রুট হালান্দ ও অ্যালেক্সান্দার সরলথের জোড়া গোলে এস্তোনিয়ার সঙ্গে ৪-১ গোলে জয় তুলে নেয় নরওয়ে। মলদোভার মাঠে ইতালি ড্র করলেই নিশ্চিতভাবে বিশ্বকাপের টিকিট পেয়ে যেত নরওয়ে। তবে ‘আই’ গ্রুপে নিজেদের ম্যাচের শেষদিকের জোড়া গোলে জয় নিয়েই ফেরে আজ্জুরিরা। আগামী রোববার ঘরের মাঠে হালান্দদের স্বাগত জানাবে ইতালিয়ানরা। সবকিছু ঠিকঠাক থাকলে, সেদিনই বিশ্বকাপের টিকিট হাতে পাবে নরওয়ে।ইউরোপিয়ান অঞ্চলের বাছাইপর্বে গ্রুপের শীর্ষ দলগুলো সরাসরি জায়গা করবে বিশ্বকাপের মূলপর্বে। রানার্সআপ বা দুইয়ে থাকা দলগুলোর খেলে আসতে হবে প্লে-অফ পর্ব। ৭ ম্যাচের সবগুলোতে জিতে ২১ পয়েন্টে সবার উপরে নরওয়ে। সমান ম্যাচে ১৮ পয়েন্টে দুইয়ে চারবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন ইতালি। আগামী রোববারের ম্যাচে নরওয়েজিয়ানদের সঙ্গে জয় ছাড়া অন্য বিকল্প নেই ইতালির। তবে গোল ব্যবধানে ইতালির চেয়ে (+১২) অনেকটা এগিয়ে নরওয়ে (+২৯)। হালান্দদের টপকে বিশ্বকাপে সরাসরি জায়গা করতে আজ্জুরিদের ঘোচাতে হবে ১৭ গোলের ব্যবধান, যা আক্ষরিকভাবে অসম্ভবই বলা চলে। বিশ্বকাপের এবারের বাছাইপর্বের নরওয়ের সঙ্গে আগের ম্যাচে ৩-০ গোলে হার দেখে ইতালি।
চিসিনাওয়ের জিমব্রু স্টেডিয়ামে ইতালিকে স্বাগতিক মলদোভা আর কিছুক্ষণ আটকে রাখতে পারলেই মূল পর্বের টিকিট পেয়ে যেত নরওয়ে। এদিন ইতালিয়ানরা তাদের গোল দু’টি পায় ৮৮ ও যোগ করা তৃতীয় মিনিটে। জিয়ানলুকা মানচিনির পর দ্বিতীয় গোলটি করেন পিও এসপিসোতো। তবে পুরো ম্যাচে আধিপত্য বিস্তার করে ইতালিই। ৭০ শতাংশ বল নিজেদের পায়ে রাখা ইতালিয়ানরা ২৫টি শটের মধ্যে লক্ষ্যে রাখে ৯টি। মলদোভার ৩টি মধ্যে লক্ষ্যে থাকে ১টি শট। স্বাগতিকদের গোলকিপার অ্যান্ড্রি কোজুখার না থাকলে নরওয়ের সঙ্গে গোল ব্যবধানটা আরেকটু কমিয়ে নিতে পারতো শেষ দুই আসরে সুযোগ না পাওয়া ইতালি।এর আগের ম্যাচে এস্তোনিয়ার সঙ্গে দ্বিতীয়ার্ধে ১২ মিনিটের মধ্যেই টানা চার গোল পায় নরওয়ে। ৫০ ও ৫২তম মিনিটে প্রথমে গোল করেন অ্যাটলেটিকো মাদ্রিদের সরলথ। ৫৬ ও ৬২তম মিনিটে জোড়া গোল করেন ম্যানচেস্টার সিটির তারকা ফরোয়ার্ড হালান্দ। মিনিট দুয়েক পর এস্তোনিয়া এক গোল শোধ দিলেও, তা শুধু ব্যবধানই কমায়।
আই’ গ্রুপে নিজেদের ম্যাচের শেষদিকের জোড়া গোলে জয় নিয়ে মাঠ ছাড়ে আজ্জুরিরা
আপডেট:

