বৃহস্পতিবার, মার্চ ৫, ২০২৬

উৎকণ্ঠা নিয়ে প্লে অফের দিকে তাকিয়ে ইতালি

আপডেট:

একরাশ হতাশা নিয়ে সান সিরো থেকে বেরিয়ে এলেন ইতালির সমর্থকরা। টানা তৃতীয়বার প্লে অফে তীব্র স্নায়ু চাপের মুখোমুখি হওয়ার চ‍্যালেঞ্জ দেশটির সামনে। ভাগ‍্যবদলের আশায় সেই দিকে তাকিয়ে চারবারের বিশ্ব চ‍্যাম্পিয়নরা।২০২৬ বিশ্বকাপে সরাসরি খেলতে হলে নরওয়ের বিপক্ষে ৯ গোলের ব‍্যবধানে জিততে হতো ইতালির। এতো বড় ব‍্যবধানে জয়ের বাস্তবিক কোনো সম্ভাবনা তাদের ছিল না। কিন্তু দলটি সান্ত্বনার জয়টিও পায়নি। উল্টো হেরেছে ৪-১ ব‍্যবধানে।চারবারের বিশ্ব চ‍্যাম্পিয়নরা তাদের সবশেষ শিরোপা জেতে ২০০৬ সালে। পরের দুই আসরে তারা বিদায় নেয় গ্রুপ পর্ব থেকেই। আর শেষ দুই আসরে তো বাছাইয়েই শেষ তাদের বিশ্বকাপ। টানা তৃতীয়বার বিশ্বকাপের চূড়ান্ত পর্বে খেলতে না পারার শঙ্কা তাদের সামনে। সেটি এড়াতে জিততেই হবে মার্চের প্লে অফ পর্বে।গত দুই আসরে এই প্লে অফ পর্বেই ব‍্যর্থ হয়েছিল ইতালি। ২০১৮ আসরের প্লে অফে দুই লেগের লড়াইয়ে সুইডেনের বিপক্ষে হারে তারা। পরেরবার বিস্ময়করভাবে নর্থ মেসিডোনিয়ার বিপক্ষে হেরে যায় ইতালি। সেই ম‍্যাচে জিতলে অবশ‍্য পরে পর্তুগালের মুখোমুখি হতে হতো তাদের।নরওয়ের বিপক্ষে ইতালির হারের পর ৫৪ বছর বয়সী পরামর্শক লুকা রাজ্জির কণ্ঠে ফুটে উঠল হতাশা ও উৎকণ্ঠা।ইতালিকে টানা তিনটি বিশ্বকাপে না দেখা হবে হতাশাজনক। প্রায় যেন টানা পাঁচটি, কারণ ২০১০ ও ২০১৪ আসরে আমরা গ্রুপ পর্ব পার হতে পারিনি।”যে ইতালিয়ানরা দলকে ১৯৮২, ১৯৯৪ ও ২০০৬ আসরে ফাইনালে খেলতে দেখে বেড়ে উঠেছেন, তারা এখন দেখছেন বিশ্বমানের খেলোয়াড়দের ঘাটতি। ব‍্যতিক্রম কেবল গোলরক্ষক জানলুইজি দোন্নারুম্মা।৫৭ বছর বয়সী সাংবাদিক আন্দ্রেয়া সারোন্নি রয়টার্সকে বলছিলেন নরওয়ের বিপক্ষে ম‍্যাচ নিয়ে নিজের অভিজ্ঞতা।এই ম‍্যাচ ছিল আমার ১০ বছর বয়সী ছেলের জন‍্য জন্মদিনের উপহার। সে ইতালিকে খেলতে দেখে খুশি, যদিও সে বেশি রোমাঞ্চিত ছিল হলান্ডকে দেখে।”
বয়স্ক সমর্থকরা দেখছেন যে, অনেক ইতালিয়ান শিশু দলকে এখনও বিশ্বকাপে খেলতেই দেখেনি। কেউ কেউ মনে করেন, ইতালির প্রতিপক্ষ দলগুলো খেলার দিক থেকে অনেক ভালো অবস্থানে আছে এবং উঠতি প্রতিভাদের ঠিকভাবে বেড়ে উঠতে দিচ্ছে। সারোন্নি প্রশ্ন তুললেন খেলোয়াড়দের নিবেদন নিয়েই।

সংশ্লিষ্ট সংবাদ:

সর্বাধিক পঠিত