বুধবার, মার্চ ৪, ২০২৬

টিউলিপের দূর্নীতির কোন তথ্য প্রমান নেই– বৃটিশ সরকারের কর্মকর্তা

আপডেট:

ইসলামের সঙ্গে শেয়ার করেন মোতালিফ। মজিবুল হলেন আওয়ামী লীগের একজন সাবেক এমপি’র ছেলে। সাবেক এই এমপি ২০১৪ থেকে ২০২৪ সাল পর্যন্ত টানা এমপি ছিলেন। দক্ষিণ-পূর্ব লন্ডনের ওই ঠিকানায় তারা নিবন্ধিত বলে নিশ্চিত করেছেন মোতালিফ ও মজিবুল ইসলাম। ফিন্যান্সিয়াল টাইমস আরও লিখেছে, ল্যান্ড রেজিস্ট্রি নথি অনুযায়ী, টিউলিপ সিদ্দিক এমপি নির্বাচিত হওয়ার আগে কিংস ক্রসের ওই উপহারের প্রোপার্টিটি নির্মিত হয়েছিল। এর অর্থ হলো, এ বিষয়ে টিউলিপকে কোনো ঘোষণা দেয়ার প্রয়োজন হয়নি। ২০১৮ সালের বিভিন্ন ডকুমেন্ট বলছে যে, কিংস ক্রসের এই প্রোপার্টির লিজ বাড়িয়ে ৯০ হাজার পাউন্ট করেন টিউলিপ সিদ্দিক। এছাড়া তার নির্বাচনী আসন হ্যাম্পস্টেড এবং হাইগেটে স্বামীর সঙ্গে যৌথভাবে ৮ লাখ ৬৫ হাজার পাউন্ডে একটি ফ্ল্যাট কেনে। ল্যান্ড রেজিস্ট্রি ডকুমেন্ট ইঙ্গিত দিচ্ছে যে, দু’টি ফ্ল্যাটের কোনোটিতে এখন আর কোনো মর্টগেজ নেই। এ বিষয়ে জানেন এমন একজন ব্যক্তি বলেছেন, নিজের নির্বাচনী এলাকায় স্বামীর সঙ্গে ফ্ল্যাট কেনার ৫ বছর পর এই দম্পতির নিজস্ব তহবিল ব্যবহার করে মর্টগেজের বাকি অর্থ পরিশোধ করেছেন টিউলিপের স্বামী। কিন্তু এই ফ্ল্যাটের ভাড়া থেকে পাওয়া আয় প্রকাশ না করায় গত বছর বৃটিশ পার্লামেন্টের স্ট্যান্ডার্ডস কমিশন তিরস্কার করে টিউলিপকে। ২০১৫ সালে এমপি হওয়ার আগে বেশ কিছু দাতব্য সংস্থায় কাজ করেছেন টিউলিপ সিদ্দিক। ফিলিপ গাল্ড এসোসিয়েটসে একজন কনসালট্যান্ট হিসেবেও কাজ করেছেন। ওদিকে ৮ই আগস্ট অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা হিসেবে ক্ষমতায় এসেছেন শান্তিতে নোবেল পুরস্কার বিজয়ী প্রফেসর ড. মুহাম্মদ ইউনূস। তিনি আওয়ামী লীগকে ‘ফ্যাসিস্ট’ হিসেবে বর্ণনা করেছেন। এই দলটিকে জালিয়াতির নির্বাচন, বিচার-বহির্ভূত হত্যাকাণ্ড এবং রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানগুলোকে জিম্মি করে রাখার জন্য অভিযুক্ত করেছে প্রতিদ্বন্দ্বী দলগুলো এবং মানবাধিকার বিষয়ক গ্রুপগুলো। তবে বিক্ষোভকারীদের বিরুদ্ধে প্রাণঘাতী অস্ত্র ব্যবহারে নিরাপত্তা রক্ষাকারীদের নির্দেশ দেয়ার কথা গত মাসে প্রত্যাখ্যান করেছেন শেখ হাসিনা। তার বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগকে তিনি মিথ্যা প্রপাগান্ডা বলে অভিহিত করেছেন। ওদিকে গত মাসে ডাউনিং স্ট্রিট বলেছে, টিউলিপের ওপর আস্থা আছে বৃটিশ প্রধানমন্ত্রী স্যার কিয়ের স্টারমারের। রাশিয়া সমর্থিত পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র নিয়ে যে দুর্নীতির অভিযোগ করা হয়েছে তার সঙ্গে জড়িত থাকার কথা প্রত্যাখ্যান করেছেন টিউলিপ। বৃটিশ সরকারের কর্মকর্তারা বলেছেন, টিউলিপের কোনো অন্যায়ের তথ্য-প্রমাণ নেই তাদের কাছে।

সংশ্লিষ্ট সংবাদ:

সর্বাধিক পঠিত