দলিল রেজিস্ট্রেশন সংক্রান্ত খরচে বড় রকমের পরিবর্তন এনেছে বর্তমান অন্তর্বর্তীকালীন সরকার। ২০২৫-২৬ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটে রেজিস্ট্রেশন ফি ও উৎসকর হার উল্লেখযোগ্যভাবে কমিয়ে আনা হয়েছে, যা ভূমি মালিক ও ক্রেতাদের জন্য এক বিশাল স্বস্তির খবরদারুণ সুখবর! নতুন বাজেটে দলিল রেজিস্ট্রেশন ফি কমানোর সিদ্ধান্ত, জমি ক্রেতাদের মুখে স্বস্তির হাসি!
দলিল রেজিস্ট্রেশন সংক্রান্ত খরচে বড় রকমের পরিবর্তন এনেছে বর্তমান অন্তর্বর্তীকালীন সরকার। ২০২৫-২৬ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটে রেজিস্ট্রেশন ফি ও উৎসকর হার উল্লেখযোগ্যভাবে কমিয়ে আনা হয়েছে, যা ভূমি মালিক ও ক্রেতাদের জন্য এক বিশাল স্বস্তির খবর
অর্থ উপদেষ্টা সালাহউদ্দিন আহমেদ জাতীয় বাজেট উপস্থাপনের সময় এই সিদ্ধান্তের ঘোষণা দেন। বাজেটের পরপরই জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (NBR) এক প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে বিষয়টি নিশ্চিত করে।
নতুন করহার:রাজধানীসহ প্রধান বাণিজ্যিক এলাকাগুলোর ক্ষেত্রে দলিল রেজিস্ট্রেশনে ৮% এর পরিবর্তে এখন ৬% উৎসকর দিতে হবে।আবাসিক ও শহরতলির এলাকায় উৎসকর ৬% থেকে কমিয়ে ৪% করা হয়েছে।গ্রামাঞ্চলে দলিল রেজিস্ট্রেশনের উৎসকর ৪% থেকে কমিয়ে ৩% নির্ধারণ করা হয়েছে।এছাড়া এলাকাভেদে সর্বোচ্চ করসীমাও কমানো হয়েছে। যেমন:ক শ্রেণির জমিতে আগে যেখানে ৮% বা সর্বোচ্চ ১৫ লাখ টাকা উৎসকর দিতে হতো, এখন সেখানে ৬% বা ৯ লাখ টাকার মধ্যে যেটি বেশি সেটি দিতে হবে।খ ও গ শ্রেণির ক্ষেত্রেও উৎসকর হ্রাস করা হয়েছে যথাক্রমে ৬% বা সাড়ে ৩ লাখ টাকা, এবং ৬% বা ৯ লাখ টাকা পর্যন্ত।এই সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়েছেন ভূমি বিশেষজ্ঞ ও সাধারণ জনগণ। তারা বলছেন, পূর্বে উচ্চ রেজিস্ট্রেশন ফি থাকার কারণে অনেকেই দলিল রেজিস্ট্রেশন থেকে বিরত থাকতেন, যা ভবিষ্যতে জমি সংক্রান্ত জটিলতার সৃষ্টি করত।
জমি ক্রেতাদের মুখে স্বস্তির হাসি কর কমানো রাজস্ব বাড়বে
আপডেট:

