ইতালিতে চলমান মিলানো-কর্টিনা শীতকালীন অলিম্পিককে কেন্দ্র করে দেশটির অভ্যন্তরীণ রাজনীতিতে চরম উত্তেজনা বিরাজ করছে। বিক্ষোভ ও নাশকতার ঘটনায় ক্ষুব্ধ প্রধানমন্ত্রী জর্জিয়া মেলোনি বিরোধী দল এবং আন্দোলনকারীদের তীব্র সমালোচনা করেছেন।
ঘটনার সারসংক্ষেপ নিচে সাজিয়ে দেওয়া হলো:
অলিম্পিক ও নাশকতা: মেলোনির কঠোর হুঁশিয়ারি
প্রধানমন্ত্রী জর্জিয়া মেলোনি মিলানে সহিংসতায় লিপ্ত আন্দোলনকারীদের সরাসরি ‘ইতালির শত্রু’ (Enemies of Italy) বলে অভিহিত করেছেন। তার অভিযোগ:
ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ণ: বিশ্ব যখন ইতালির অলিম্পিক আয়োজনের প্রশংসা করছে, তখন একদল মানুষ সহিংসতা ও নাশকতার মাধ্যমে দেশের ভাবমূর্তি এবং অর্থনীতির ক্ষতি করছে।রেলপথে নাশকতা অগ্রহণযোগ্য মিলানের পাশাপাশি বোলোনিয়াতেও রেললাইনের তার কেটে সাবোটাজ বা নাশকতা চালানো হয়েছে। এ নিয়ে প্রতিরক্ষামন্ত্রী গুইদো ক্রোসেত্তোও তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন।সংস্কৃতি ও রাজনীতি: ‘আদর্শিক সেন্সরশিপ’
সানরেমো ফেস্টিভ্যাল থেকে কমেডিয়ান আন্দ্রেয়া পুচ্চির সরে দাঁড়ানোর ঘটনাকে কেন্দ্র করে মেলোনি বামপন্থীদের একহাত নিয়েছেন। তার দাবি,বামপন্থীরা ‘আদর্শিক সেন্সরশিপ’ ও অসহিষ্ণুতার পরিবেশ তৈরি করছে।বিরোধী দলের দ্বিমুখী নীতি মেলোনি প্রশ্ন তোলেন যে, তাকে ব্যঙ্গ করলে সেটাকে ‘স্যাটায়ার’ (Satire) বলা হয়, কিন্তু বিরোধী নেত্রী এলি শ্লাইন বা বামপন্থীদের নিয়ে কিছু বললেই কেন তাকে ‘সেক্সিজম’ লিঙ্গবৈষম্য হিসেবে তকমা দেওয়া হয়? প্রধানমন্ত্রী সমালোচনার বিরোধীদের পাল্টা জবাব সরকারের এসব অভিযোগকে স্রেফ ‘নাটক’ বলে উড়িয়ে দিয়েছে প্রধান বিরোধী দল পিডি (PD) এবং ফাইভ স্টার মুভমেন্ট। তাদের বক্তব্য:
সরকার অলিম্পিকের সময় নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ব্যর্থ হয়েছে।নিজেদের ব্যর্থতা ঢাকতে এখন তারা কাল্পনিক ‘শত্রু’ খুঁজে বেড়াচ্ছে এবং বিরোধীদের ওপর দোষ চাপাচ্ছে।
ইতালিতে মিলানো-কর্টিনা শীতকালীন অলিম্পিককে বিক্ষোভকে কেন্দ্র করে দেশটির অভ্যন্তরীণ রাজনীতিতে সরকার ও বিরোধী দলে
আপডেট:

