বিদেশি শিক্ষার্থী ও কর্মীদের প্রবেশ সীমিত করার যে পদক্ষেপ নিয়েছে কানাডা। দেশটির অভিবাসনবিষয়ক মন্ত্রী মার্ক মিলার বলেছেন, আগামী বছর, অর্থাৎ ২০২৫ সালে সর্বোচ্চ ৪ লাখ ৩৭ হাজার বিদেশি শিক্ষার্থী ও কর্মীকে প্রবেশের অনুমতি দেওয়া হবে। আগামী দিনগুলোতে অভিবাসন নীতি কঠোর করার অংশ হিসেবে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।রয়টার্সের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, কানাডার অভিবাসনবিষয়ক মন্ত্রী মার্ক মিলার এক বিবৃতিতে বলেছেন, ‘বাস্তবতা হলো- যারা কানাডায় আসতে চান, তারা এখন থেকে আর চাইলেই এ দেশে প্রবেশ করতে পারবেন না। আর যারা ইতোমধ্যে প্রবেশ করেছেন, তারা চাইলেই স্থায়ীভাবে বসবাসের সুযোগও পাবেন না।’প্রসঙ্গত, ভৌগলিক আয়তনের বিচারে বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম দেশ কানাডা বরাবরই ‘অভিবাসীদের স্বর্গ’ বলে পরিচিত। উন্নত জীবনযাত্রা, কর্মসংস্থানের অবারিত সুযোগ এবং আয়তনের তুলনায় জনসংখ্যার স্বল্পতাই এর প্রধান কারণ। বিগত বছরগুলোতে দেশটির সরকার সব সময় অভিবাসীদের স্বাগত জানিয়েছে।তবে করোনা মহামারির ধাক্কা কেটে যাওয়ার পর বদলে যায় পরিস্থিতি। এশিয়া ও আফ্রিকার দেশগুলো থেকে জোয়ারের মতো আসতে থাকে অভিবাসনপ্রত্যাশীরা। তাদের আশ্রয় দিতে গিয়ে রীতিমতো হিমসিম খেতে থাকে কানাডার সরকার। দেশটির আবাসন ও নাগরিক পরিষেবা ব্যবস্থায় সৃষ্ট হয় অসহনীয় চাপ।

