বাংলাদেশ দূতাবাস, লিবিয়া প্রবাসী বাংলাদেশিদের কল্যাণ ও নিরাপত্তা নিশ্চিতে নিয়মিত সেবা কার্যক্রমের পাশাপাশি সাম্প্রতিক সময়ে বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ কার্যক্রম সম্পন্ন করেছে। ত্রিপলীর সাম্প্রতিক অস্থিতিশীল পরিস্থিতিতে দূতাবাস প্রবাসীদের সঙ্গে সার্বক্ষণিক যোগাযোগ রক্ষা করেছে এবং যুদ্ধ কবলিত এলাকা থেকে উদ্ধারের জন্য স্থানীয় কর্তৃপক্ষের সঙ্গে সমন্বয় করেছে। পরিবর্তিত পরিস্থিতিতে স্থানীয় কর্তৃপক্ষের সহযোগিতায় বাংলাদেশিদের নিরাপত্তা ও কল্যাণ নিশ্চিত করতে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। দূতাবাসের সতর্কতা, প্রবাসীদের নিরাপদে অবস্থান এবং সর্বোপরি আল্লাহর রহমতে বড় ধরনের বিপদ এড়ানো সম্ভব হয়েছে।ত্রিপলীর অস্থিতিশীল পরিস্থিতির মধ্যেও দূতাবাস তাজুরা ডিটেনশন সেন্টারে আটক ৮৩ জন এবং তবরুক ও বেনগাজীর গানফুদা ডিটেনশন সেন্টারে আটক ৭৬ জন বাংলাদেশির সাক্ষাৎকার গ্রহণ করেছে। দূতাবাস ডিটেনশন সেন্টারে আটক অভিবাসীদের তথ্য যাচাই-বাছাই শেষে ১৫২ জন বাংলাদেশিকে ট্র্যাভেল পারমিট প্রদান করেছে এবং তাদেরকে আইওএম-এর সহযোগিতায় ২৭ মে ২০২৫ তারিখে বেনগাজী থেকে দেশে পাঠানোর জন্য ফ্লাইট পরিচালনার সার্বিক সমন্বয় সম্পন্ন করেছে।এই সময়ে লিবিয়ায় মৃত চারজন বাংলাদেশির মরদেহ দেশে প্রেরণ করা হয়েছে। এর মধ্যে তিনজনের মরদেহ সরকারি খরচে এবং একজনের মরদেহ পরিবারের খরচে পাঠানো হয়েছে। বিশেষ করে জাওইয়া শহরে অজ্ঞাত একটি মরদেহ পরিবারের মাধ্যমে সনাক্ত করে দেশে পাঠাতে দূতাবাস সার্বিক সহযোগিতা প্রদান করেছে।
দূতাবাসের প্রচেষ্টায় ত্রিপলীর নিরাপত্তা বাহিনীর হেফাজতে থাকা ২৬ জন বাংলাদেশিকে মুক্ত করে তাদের নিজ নিজ আত্মীয়-স্বজনের নিকট পৌঁছানোর ব্যবস্থা করা হয়েছে। ত্রিপলীতে উদ্ধার হওয়া একজন অসুস্থ বাংলাদেশিকে স্থানীয় সারে জাওইয়া হাসপাতালে ভর্তি করে প্রয়োজনীয় রক্ত সংগ্রহ এবং অস্ত্রোপাচারের ব্যবস্থা করা হয়েছে।
এছাড়া ট্র্যাভেল পারমিট ও নতুন পাসপোর্টধারী আড়াই শতাধিক বাংলাদেশি নাগরিকের দেশে প্রত্যাবাসনের লক্ষ্যে তাদের বহির্গমন অনুমতি অর্জনের জন্য লিবিয়ার ইমিগ্রেশন বিভাগের সাথে দূতাবাস ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করেছে।
দূতাবাসের প্রচেষ্টায় ত্রিপলীর নিরাপত্তা বাহিনীর হেফাজতে থাকা ২৬ জন বাংলাদেশিকে মুক্ত
আপডেট:

