ছাত্র এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকদের চলমান পৃথক দুটি আন্দোলনকে ‘যৌক্তিক’ বললেও এর ভিন্ন দিকও দেখছেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি বলেন, ‘এটাকে আমরা দুই ভাবে দেখি। প্রথমত দেখি, দেশের যে মূল সমস্যা, সেটা ডাইভার্ট (ভিন্ন দিকে নেওয়া) করার জন্য এ ধরনের আন্দোলনকে তৈরি করা হচ্ছে। এটা আমরা এক দিক থেকে দেখি।’তবে ছাত্র-শিক্ষকদের এ আন্দোলনকে যৌক্তিক বলে মনে করেন মির্জা ফখরুল। তিনি বলেন, ‘ছেলেদের যে দাবি, সেটা আমরা ছাত্র এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকদের চলমান পৃথক দুটি আন্দোলনকে ‘যৌক্তিক’ বললেও এর ভিন্ন দিকও দেখছেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি বলেন, ‘এটাকে আমরা দুই ভাবে দেখি। প্রথমত দেখি, দেশের যে মূল সমস্যা, সেটা ডাইভার্ট (ভিন্ন দিকে নেওয়া) করার জন্য এ ধরনের আন্দোলনকে তৈরি করা হচ্ছে। এটা আমরা এক দিক থেকে দেখি।’তবে ছাত্র-শিক্ষকদের এ আন্দোলনকে যৌক্তিক বলে মনে করেন মির্জা ফখরুল। তিনি বলেন, ‘ছেলেদের যে দাবি, সেটা আমরা সমর্থন করি। এটাকে অযৌক্তিক বলার কোনো কারণ নেই।’আজ সোমবার দুপুরে বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার শারীরিক অবস্থা সম্পর্কে গুলশানে কার্যালয় প্রাঙ্গণে সাংবাদিকদের ব্রিফিংয়ে এক প্রশ্নের জবাবে মির্জা ফখরুল এ কথাগুলো বলেন।প্রশ্ন ছিল, প্রধানমন্ত্রী কোটাবিরোধী আন্দোলনকে অযৌক্তিক বলেছেন। ২০১৮ সালেই কোটার সমাধান হয়ে যায়, বিষয়টিতে এখন আবার কোর্ট কেন সামনে আনা হলো। জবাবে বিএনপির মহাসচিব এ আন্দোলনকে দুভাবে দেখছেন বলে জানান। এটাকে দেশের বর্তমান সমস্যাগুলো থেকে দৃষ্টি সরিয়ে দেওয়ার চেষ্টা কি না, সে প্রশ্ন তোলেন।তবে মির্জা ফখরুল কোটাবিরোধী আন্দোলন সমর্থন করে বলেন, ‘৫০ বছর পরেও (স্বাধীনতার) আপনি ৫৬ শতাংশ কোটা দিয়ে রাখবেন, এটা সম্পূর্ণ অযৌক্তিক।’এতে মেধার যে বিকাশ একদমই হচ্ছে না এবং তাতে দেশের বিরাট ক্ষতি হচ্ছে বলে মন্তব্য করেন বিএনপির মহাসচিব। একই সঙ্গে তিনি পেনশন স্কিম নিয়ে শিক্ষকদের আন্দোলনকে ‘অত্যন্ত যুক্তিসংগত’ বলে মন্তব্য করেন। এতে বিএনপির ইন্ধন রয়েছে কি না, এমন প্রশ্নে মির্জা ফখরুল বলেন, ‘আমরা কখনোই এ ধরনের আন্দোলনে অভ্যস্ত নই। এটা সব ছাত্র-শিক্ষকেরা করছেন। আমরা এখানে ইন্ধন দেব কেন? তবে যেটা সত্য সেটা সত্য বলব, যেটা যৌক্তিক সেটা যৌক্তিক বলব। দেশের মানুষ যে তাদের দাবিতে ঐক্যবদ্ধ হয়, সেটা আমাদের অনুপ্রাণিত করছে।’

