বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান বলেছেন, স্বৈরাচারকে বিদায় করেছি, অল্প লক্ষ্য পূরণ হয়েছে। সামনে আরও অনেক পথ বাকি। সেই পথ পাড়ি দিতে পারলে, মানুষের ভোটের অধিকারও নিশ্চিত হবে। আমরা যদি ঐক্যবদ্ধ থাকি, তাহলে বাংলাদেশের মানুষের যে প্রত্যাশা তা পূরণ করতে সক্ষম হবো। তাই আমাদের ঐক্যবদ্ধ থাকার বিকল্প নেই। দেশে রাজনৈতিক মুক্তির পাশাপাশি জনগণের অর্থনৈতিক মুক্তির পথও বের করতে হবে। যদি আমরা জাতিকে ঐক্যবদ্ধভাবে এগিয়ে নিতে পারি তাহলে আমরা অর্থনৈতিকসহ সবদিক থেকেই মুক্তি পেতে সফল হবো।শনিবার সিরাজগঞ্জের এনায়েতপুর ইসলামিয়া উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে বেলকুচি, চৌহালী ও এনায়েতপুর থানা বিএনপি আয়োজিত আন্দোলনে শহীদদের স্মরণ সভায় ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়ে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। তারেক রহমান বলেন, কিছুদিন আগেও মানুষের কথা বলার অধিকার ছিল না। দেশের মানুষ সেই অধিকার অল্প সময়ের মধ্যেই অর্জন করেছে। তবে, আমরা আংশিক সফল হয়েছি। যে পর্যন্ত ভোটের অধিকার নিশ্চিত না হবে সে পর্যন্ত বিএনপির আন্দোলন অব্যাহত থাকবে। বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান বলেন, আমরা জাতির কাছে ৩১ দফা উপস্থাপন করেছি। এখানে অনেক কিছু আছে। বিএনপির লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য মানুষের পাশে দাঁড়ানো। আজকে যদি দেশকে এগিয়ে নিতে হয় তাহলে শুধু যে সংস্কার চেয়েছি তা করলেই হবে না, দেশকে অর্থনৈতিকভাবে স্বাবলম্বী করতে হবে। শুধু রাজনৈতিক মুক্তিই সব সুফল বয়ে আনবে না। দেশ সামগ্রিকভাবে সম্ভাবনাময় হিসেবে গড়ে তুলতে হবে।বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান বলেছেন, স্বৈরাচারকে বিদায় করেছি, অল্প লক্ষ্য পূরণ হয়েছে। সামনে আরও অনেক পথ বাকি। সেই পথ পাড়ি দিতে পারলে, মানুষের ভোটের অধিকারও নিশ্চিত হবে। আমরা যদি ঐক্যবদ্ধ থাকি, তাহলে বাংলাদেশের মানুষের যে প্রত্যাশা তা পূরণ করতে সক্ষম হবো। তাই আমাদের ঐক্যবদ্ধ থাকার বিকল্প নেই। দেশে রাজনৈতিক মুক্তির পাশাপাশি জনগণের অর্থনৈতিক মুক্তির পথও বের করতে হবে। যদি আমরা জাতিকে ঐক্যবদ্ধভাবে এগিয়ে নিতে পারি তাহলে আমরা অর্থনৈতিকসহ সবদিক থেকেই মুক্তি পেতে সফল হবো।শনিবার সিরাজগঞ্জের এনায়েতপুর ইসলামিয়া উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে বেলকুচি, চৌহালী ও এনায়েতপুর থানা বিএনপি আয়োজিত আন্দোলনে শহীদদের স্মরণ সভায় ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়ে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।তারেক রহমান বলেন, কিছুদিন আগেও মানুষের কথা বলার অধিকার ছিল না। দেশের মানুষ সেই অধিকার অল্প সময়ের মধ্যেই অর্জন করেছে। তবে, আমরা আংশিক সফল হয়েছি। যে পর্যন্ত ভোটের অধিকার নিশ্চিত না হবে সে পর্যন্ত বিএনপির আন্দোলন অব্যাহত থাকবে।বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান বলেন, আমরা জাতির কাছে ৩১ দফা উপস্থাপন করেছি। এখানে অনেক কিছু আছে। বিএনপির লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য মানুষের পাশে দাঁড়ানো। আজকে যদি দেশকে এগিয়ে নিতে হয় তাহলে শুধু যে সংস্কার চেয়েছি তা করলেই হবে না, দেশকে অর্থনৈতিকভাবে স্বাবলম্বী করতে হবে। শুধু রাজনৈতিক মুক্তিই সব সুফল বয়ে আনবে না। দেশ সামগ্রিকভাবে সম্ভাবনাময় হিসেবে গড়ে তুলতে হবে।তারেক রহমান বলেন, কোন অবস্থাতেই বৈষম্য বিরোধী ছাত্র গণআন্দোলনে বীর শহীদদের রক্ত বৃথা যেতে দেওয়া হবে না, মানুষের মত প্রকাশের স্বাধীনতা, ভোটের অধিকার নিশ্চিত ও মৌলিক অধিকার প্রতিষ্ঠা করতে হবে।স্মরণ সভায় প্রধান বক্তা হিসেবে ভার্চ্যুয়ালি বক্তব্য দেন দলটির স্থায়ী কমিটির সদস্য ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু। বিশেষ অতিথি ছিলেন দলটির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী। বিএনপির রাজশাহী বিভাগীয় সহ সাংগঠনিক সম্পাদক আমিরুল ইসলাম খান আলিমের সভাপতিত্বে আরও বক্তব্য দেন রোমানা মাহমুদ, সাইদুর রহমান বাচ্চু, ডা. এমএ মুহিত, নুরুল ইসলাম গোলাম প্রমুখ।

