সোমবার, মার্চ ২৩, ২০২৬

সংস্কার ও নির্বাচন—উভয়ই প্রয়োজন — তারেক রহমান

আপডেট:

বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান বলেছেন, ‘দেশের প্রয়োজনে আরো নতুন নতুন রাজনৈতিক দলের উত্থান ঘটবে—এটাই গণতান্ত্রিক রীতি। এ নিয়ে বিচলিত হওয়ার কিছু নেই। রাষ্ট্র ও রাজনীতির প্রয়োজনে বিএনপি সব গণতান্ত্রিক উদ্যোগকে স্বাগত জানায়। বিএনপি তার জন্মলগ্ন থেকে আজ পর্যন্ত সব পরিস্থিতিতে সব সময়ে বহুদল ও মতের চর্চার পক্ষে।’ রাজধানীর ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশন মিলনায়তনে গতকাল ছাত্রদল প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর আলোচনা সভায় তিনি এ কথা বলেন। লন্ডন থেকে তারেক রহমান সভায় ভার্চুয়ালি যুক্ত হন।প্রধান অতিথির বক্তব্যে তারেক রহমান বলেন, ‘কোনো হঠকারী সিদ্ধান্তের কারণে যাতে গণ-অভ্যুত্থানের আকাঙ্ক্ষা বিনষ্ট হওয়ার পরিস্থিতি সৃষ্টি না হয়, এ ব্যাপারে সবাইকে সতর্ক ও সজাগ থাকতে হবে। গণতন্ত্রকামী জনগণের প্রতি আহ্বান, আপনারা ধৈর্য হারাবেন না, নির্বাচনের জন্য মানসিক প্রস্তুতি নিতে থাকুন। নির্বাচন কমিশন তাদের অর্পিত দায়িত্ব যথারীতি পালন করবে সে বিশ্বাস রাখুন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান বলেছেন, ‘দেশের প্রয়োজনে আরো নতুন নতুন রাজনৈতিক দলের উত্থান ঘটবে—এটাই গণতান্ত্রিক রীতি। এ নিয়ে বিচলিত হওয়ার কিছু নেই। রাষ্ট্র ও রাজনীতির প্রয়োজনে বিএনপি সব গণতান্ত্রিক উদ্যোগকে স্বাগত জানায়। বিএনপি তার জন্মলগ্ন থেকে আজ পর্যন্ত সব পরিস্থিতিতে সব সময়ে বহুদল ও মতের চর্চার পক্ষে।’ রাজধানীর ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশন মিলনায়তনে গতকাল ছাত্রদলের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর আলোচনা সভায় তিনি এ কথা বলেন। লন্ডন থেকে তারেক রহমান সভায় ভার্চুয়ালি যুক্ত হন।প্রধান অতিথির বক্তব্যে তারেক রহমান বলেন, ‘কোনো হঠকারী সিদ্ধান্তের কারণে যাতে গণ-অভ্যুত্থানের আকাঙ্ক্ষা বিনষ্ট হওয়ার পরিস্থিতি সৃষ্টি না হয়, এ ব্যাপারে সবাইকে সতর্ক ও সজাগ থাকতে হবে। গণতন্ত্রকামী জনগণের প্রতি আহ্বান, আপনারা ধৈর্য হারাবেন না, নির্বাচনের জন্য মানসিক প্রস্তুতি নিতে থাকুন। নির্বাচন কমিশন তাদের অর্পিত দায়িত্ব যথারীতি পালন করবে সে বিশ্বাস রাখুন।দলের নেতাকর্মীদের উদ্দেশে তারেক রহমান বলেন, ‘আপনারা অপপ্রচারে বিভ্রান্ত হবেন না, বরং সতর্ক থাকবেন। নিজেরা এমন কোনো কাজে সম্পৃক্ত হবেন না যাতে কেউ অপপ্রচারের সুযোগ পায়। নিজেদের জনগণের আস্থায় রাখার জন্য সর্বোচ্চ চেষ্টা করুন। জনগণ কোন রাজনৈতিক দলকে গ্রহণ করবে কিংবা বর্জন করবে, নির্বাচনের মাধ্যমে সেই রায় দেবে। কিন্তু যারা জনগণের আদালতের মুখোমুখি হতে ভয় পায় অথবা তাদের ভিন্ন কোনো উদ্দেশ্য রয়েছে, তারাই নির্বাচন অনুষ্ঠান নিয়ে নানা রকম বিভ্রান্তি সৃষ্টি করে।তারেক রহমান বলেন, ‘কোনো কোনো মহল থেকে সংস্কার নাকি নির্বাচন—এমন জিজ্ঞাসাকে বিএনপি তথা দেশপ্রেমিক সব মানুষ স্রেফ অসৎ উদ্দেশ্যপ্রণোদিত কূটতর্ক বলে বিবেচনা করে। তিনি বলেন, ‘বিএনপি মনে করে, রাষ্ট্র, রাজনীতি ও রাজনৈতিক দলের গুণগত পরিবর্তনের জন্য সংস্কার ও নির্বাচন—উভয়ই প্রয়োজন। বিদ্যমান ব্যবস্থাকে সময়োপযোগী করতে সংস্কার একটি অনিবার্য ধারাবাহিক প্রক্রিয়া। একইভাবে গণতান্ত্রিক ব্যবস্থাকে টেকসই এবং প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দিতে নির্বাচনই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ও কার্যকর পন্থা।

সংশ্লিষ্ট সংবাদ:

সর্বাধিক পঠিত