মঙ্গলবার, মার্চ ৩১, ২০২৬

ফেনীতে রেল ক্রসিংয়ে দুজনের মৃত্যু দায় কার

আপডেট:

দুর্নীতি অব্যবস্থাপনা, কিশোর গ্যাং, সন্ত্রাসের জনপদ দেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম অর্থনৈতিক অঞ্চল, অভিবাসী বাংলাদেশী বিভিন্ন জেলার সিএনজি চালক রিক্সা চালকসহ জনবহুল ছোট্ট শহরটির নাম ফেনী। কথিত আছে ফেনীতে ডিসি, এসপি সহ প্রশাসনের সর্বস্তরে আসার জন্য সবাই মুখিয়ে থাকে । ঢাকার রমনা জোন নারায়ণগঞ্জ সিলেট চট্টগ্রামের কক্সবাজার রাউজান, আনোয়ারা, এইসব অঞ্চলে প্রশাসনিক কর্মকর্তারা আসতে পারলে নিজেদেরকে ধন্য মনে করেন। বর্তমান ফেনী জেলা প্রশাসক সাইফুল ইসলাম পৌর প্রশাসক ডি জি এল জি ডি প্রশাসক গোলাম মোহাম্মদ বাতেন, এডিসি ইসমাইল,উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সহকারী ভূমিকা কমিশনার যারা রয়েছেন তাদেরকে মোটামুটি মোটা দাগে সবাই ভালো বলছেন। গত কিছুদিন আগে দৈনিক সকালের কণ্ঠের অনলাইন এর সম্পাদক রেল ক্রসিং পার হওয়ার সময় দুর্ঘটনা কবলিত হতে হতে বেঁচে যান। তৎক্ষণাৎ তিনি একটি সচিত্র প্রতিবেদন তৈরি করে রেল ক্রসিং এর দুরবস্থার কথা প্রশাসনকে জানানোর জন্য তার ফেসবুক পেইজে প্রকাশ করেন। সেটি আমলে না নেয়ার কারণে গতকাল কলেজ শিক্ষকসহ তার মা প্রাণহারান। এটিকে কোনভাবেই দুর্ঘটনা বলা যাবে না,একে হত্যাকান্ড বলতে হবে। দীর্ঘদিন পর্যন্ত ফেনীর জন্য মানুষের দাবি ছিল কলেজ রোডের এ রেল ক্রসিংটির আন্ডারছ অথবা ফ্লাইওভার নির্মাণ। ঠান্ডার হওয়ার সত্ত্বেও কোন এক অদৃশ্যের কারণে বছর এটি নির্মিত হয় এতে ব্যবসায়ীরা দোকান মালিকের অবৈধ দোকান মালিকেরা জড়িত বলে সব মহলে জানা আছে। এই হত্যাকাণ্ড টি দায় পৌর প্রশাস ফেনী স্থানীয় রাজনীতিবিদেরা যেতে পারেন না। কথা হচ্ছে সংবাদপত্র মনের কথা বলবে কর্মরতাদের দৃষ্টি আকর্ষণ করবে সেটির ব্যবস্থা গ্রহণ করবে কিন্তু এই দুর্নীতিগ্রস্ত সমাজ ব্যবস্থা প্রশাসনিক ব্যবস্থা কারণে সংবাদপত্রে প্রকাশিত সংবাদ গুলো আমলে নেওয়া হয় না। অনেকেই বিলম্বে সব সিএনজি অটো রিক্সা সকলের ডাটাবেজ তৈরি করে যাদের লাইসেন্স আছে তারাই শুধু সিএনজি অটোরিকশা চালাতে পারবে জেলা প্রশাসক, পৌর প্রশাসক, উপজেলা প্রশাসনের কর্মকর্তা কর্মচারীবৃন্দ সবাই দেখভাল করবেন কি? নাকি আরো কিছু হত্যাকাণ্ড হলে দুর্ঘটনার নামে তাদের টনক নড়বে। দুর্ঘটনার নামে হত্যাকান্ড গ্রহণযোগ্য নয়। ফেল করে সিং এর দায়িত্বরত লাইন মেরে কে সবসময় হিংসিং খেতে হয় তার একার পক্ষে এই বেপরোয়াট সিএনজি চালকদের কে নিয়ন্ত্রণ করা কোনভাবেই সম্ভব না এদের মধ্যে অনেকেই এখন মাদকাসক্ত বাবা সেবনকারী গাজা সেবনকারী ডুপ টেস্ট এর মাধ্যমে এদেরকে লাইসেন্ দিতে হবে।

সংশ্লিষ্ট সংবাদ:

সর্বাধিক পঠিত