আনোয়ার মোরশেদ মজুমদার (বুলেট)
যারা ভারতীয় উপমহাদেশের ইতিহাস পড়েছেন দিল্লি ভ্রমণ করেছেন ও ইলৎ্যমিস কথা জানতেই পারেন। হঠাৎ করে তুর্কি দাসদের ৪০ জন মিলে দিল্লি মসনদ দখল করে। বাংলাদেশের জন্ম থেকেই এই ৪০ দাসদের মতো মসনদ দখল না করে রাষ্ট্র নায়কদের ব্যবহার করে নানাভাবে বিভ্রান্ত করে তাদের আখের গুছিয়ে নিয়েছে। সৎ ও নিষ্ঠাবান দেশ প্রেমীকদের সব সময় অপদস্থ হতে হয়েছে।স্বাধীনতার পর ২২ পরিবারে থেকে ১০০০ পরিবার সৃষ্টি হয়েছে। এই পরিবার গুলো কারনে দেশে নিষ্ঠাবান দাসেরা অসহায় হয়ে পড়ে।বাংলাদেশ এখন দাসদের রাজত্ব চলছে। গত ১৬ বছর এই দাসেরা রাষ্ট্রের মালিকদের উপর জুলুম নির্যাতন চালিয়েছে। রাষ্ট্রব্যবস্থায় দাসেরা অনেক শক্তিশালী মালিকের অসহায়। মালিকদেরকে নানা রকম প্রলোভন দিয়ে বুঝিয়ে দাসেরা রাষ্ট্রের সকল সম্পদের উপর কর্তৃত্ব করেছে। নানান আইন করে মালিকদের কর্তৃত্ব খর্ব করার প্রয়াস চালিয়ে আসছে। গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ এর মালিকেরা এইসব আইনি কাঠামোর কারণে নানাভাবে হয়রানির শিকার হতে হয়। আজ এক অনুষ্ঠানে পরিবেশ উপদেষ্টা বলেছেন শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান আদর্শনিষ্ঠ সৎ ছিলেন। এ রাষ্ট্রের জনকের কথা তিনি ভুলে গিয়েছেন। তার দল তার রাষ্ট্র পরিচলনা ভুল ছিলো তার ভূমিকা সমালোচনা করায় যেতে পারে, কিন্তু তিনি অসৎ ছিলেন দেশ প্রেমিক ছিলেন না এই কথাটি বাংলাদেশের তার বিরুদ্ধবাদীরা বলতে পারবে না। তিনি তার বক্তব্যে যে বৈষম্য সৃষ্টি করেছেন সততার কথা বলতে গিয়ে অসততার আশ্রয় নিয়েছেন সেটি বলাই বাহুল্য। জুলাইয়ের আন্দোলন ছিল রাষ্ট্রের মালিকদের রাষ্ট্রের কর্তৃত্ব না দেওয়া, তাদের বাক স্বাধীনতাকে হরণ করা। রাজনৈতিক ও দলীয় মাফিয়া থেকে রাষ্ট্রের সম্পদ রক্ষা করা। জুলাই আন্দোলনে যত ছাত্র জনতা শহীদ হয়েছে তারা কেউ রাষ্ট্রের সুবিধাভোগী শ্রেণির অন্তর্ভুক্ত নয়। যারা আহত হয়েছে পঙ্গুত্ববরণ করেছে তারাও রাষ্ট্রের সুবিধাভোগী শ্রেণীভুক্ত নয়। বাংলাদেশের ১৯৭১ সালে স্বাধীনতা যুদ্ধে শহীদেরা রাষ্ট্রের সুবিধাভোগী শ্রেণী থেকে আসেনি। বৈষ্ণবহীন সমাজব্যবস্থা রাষ্ট্রের মালিকদের কাছে রাষ্ট্রের মালিকানা ফেরত দেওয়ার জন্য যে আন্দোলনটি হয়েছে সে আন্দোলনটি এখন রাষ্ট্রের সুবিধাভোগীদের কবলে পড়েছে । যারা ওই সময়টিতে এই আন্দোলনে একাত্মতা ঘোষণা করেছে তারা এখন অসহায় হয়ে পড়েছে।

