ফেনীর দুই আসনের নির্বাচনে নমিনেশন ঘোষণার পর পরে রিভিউ আবেদন নানা বিতর্কের মধ্য দিয়ে চলছে। সোশ্যাল মিডিয়াতে বিএনপির শীর্ষ কয়েকজন নেতা মনক্ষুণ্যের প্রতিদিন অভাস দিচ্ছেন। অনেকে নিজেদেরকে স্বচ্ছ নির্যাতিত প্রমানে চেষ্টা না রকম কসরত করছেন বলে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামিলীগের এক স্থানীয় ওয়াড নেতা হেসে বলেন ভন্ড নির্যাতিত নেতাদের ফেইসবুক পোস্ট দেখে আনন্দ পাই। এরা ঘাটলায় এসে সুবিধাদা নিয়েছে। এই সব সুবিধাবাদীদের জন্য আওয়ামীলীগের অনেক নেতা কর্মী কষ্ট পেয়েছে। আওয়ামীলীগের সমর্থন উপর অনেক কিছু নির্ভর করছে। । আওয়ামীলীগের দু:শ্বাসনের ১৬ বছরে সুবিধাভোগীরা বিএনপি জেলা নেতাদের সবাইকে চেনে। তারা তখন ঘাটলা গিয়ে সমঝোতার মাধ্যমে টেন্ডার নিয়েছে, সুবিধা নিয়েছে মাঝে মধ্যে লোক দেখানো যে জেলে গিয়েছে।তবে এখন তো সুবিধাবীদের জয় জয়কার। বন্যচোরা দুর্নীতিবাজ রাজনৈতিক নেতারা ঐ সকল তোষামোদ কারী নিয়ে নিজের দলের সর্বনাশ ডেকে আনে। ফেনীর বিএনপির অবস্থা এমনই বলে দাবি করছে সাধারণ বিএনপির সমর্থক ও কর্মীরা।গাজী হাবিবুল্লাহ মানিকের জনপ্রিয়তা ঈর্ষনীয় পর্যায়ে রয়েছে বলে স্থানীয় বিএনপি’র নেতা কর্মীরা ও সমর্থকেরা বলেছে। তবে গতকাল বীর মুক্তিযোদ্ধা তিনবারের এমপি ভিপি জয়নাল তার জনপ্রিয়তা দেখাতে বিশাল সো ডাউন করেছেন। ফেনীতে জামায়েতকে মোকাবিলা করার যোগ্যতা একমাত্র ভিপি জয়নালের আছে বলে প্রবীণ-বিএনপি’র নেতাকর্মীরা মনে করে। মনোনয়ন নিয়ে বিএনপিতে মিশ্র প্রতিক্রিয়া রয়েছে। ফেনী যুবদল, স্বেচ্ছাসেবার দল, বিএনপির একাংশ ২ আসনের ভিপি জয়নালে নমিনেশন প্রাপ্তিতে খুশি হয়েছে।অন্য দিকে আলাল উদ্দিন আলল রিভিউ এর প্রতীক্ষায় রয়েছে। তবে দল থেকে এখন পর্যন্ত ভিপি জয়নাল বিকল্প হিসেবে হাবিবুল্লাহ মানিকে গ্রহণযোগ্য বলে অনেকেই মনে করছে। তবে ভোটের রাজনীতিতে ভিপি জয়নাল অনেকটা এগিয়ে। তবে ফেনী জেলা বিএনপি এই বিরোধে সুযোগ জামায়াত ইসলাম ফেনীতে সুবিধা জনক অবস্থান তৈরিতে সহায়তা করেছে বলে অনেকে মনে করছে।

