মঙ্গলবার, মার্চ ৩, ২০২৬

স্মৃতি আন্দোলন খালেদা জিয়ার ফেনীর উন্নয়নে ইতিকথা

আপডেট:

৯০ এর গণঅভ্যুত্থানের পর স্বৈরাচার এরশাদের পতনের মাধ্যমে বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক নির্বাচনে বিএনপি বিজয়ী হয়ে সরকার গঠন করে।সারাদেশে পাঁচটি আসনে খালেদা জিয়া বিজয় হলেও ফেনীর ১ আসনটি রেখে বাকিগুলো তিনি ছেড়ে দেন। প্রধানমন্ত্রী হয়ে তিনি দেশ সেবায় আত্মনিয়োগ করেন। ফেনী দুই আসনের সংসদ সদস্য হিসেবে জননেতা জয়নাল হাজার নির্বাচিত হন। যৌবনের প্রারম্ভিক অবস্থায় ছাত্র রাজনীতিতে আমি অংশগ্রহণ করি। জননেতা জয়নাল হাজারীর সাথে ১৯৯৩ সালে জাতীয় সংসদে যাওয়ার সৌভাগ্য হয়। সেই যাওয়াতে একটি বিষয়ে আমার দৃষ্টি গোচর হয়। প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া সংসদে তার পিএস এর মাধ্যমে হাজারী কাছে একটি চিরকুট পাঠান তিনি তার সাথে ফেনীর কে উন্নয়নে কি কি করনীয় তা জানাতে জয়নাল হাজারী কে বলেন। এক গোয়ামি হঠকারিতা রাজনৈতিক বিরোধ সব মিলিয়ে জয়নাল হাজারী চিরকুট আমলে না নিয়ে সেটি রেখে দিয়েছিলেন। প্রধানমন্ত্রী হিসেবে তিনি সারা বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী ছিলেন ফেনীর প্রতি তার একটি বিশেষ দরদ ছিল কিন্তু জয়নাল হাজারী সেটিকে কাজে লাগাতে পারেননি। রাজনৈতিক কৌশলের কারণে তিনি বিএনপিকে অবদমিত করার চেষ্টা সবসময় করেছেন। তথাপি প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া বাংলাদেশের চারটি যুব উন্নয়নের কেন্দ্র মধ্যে একটি ফুলগাছীতে স্থাপন করেন। বক্তিতা মঞ্চে অনেকবারই উনার বিরোধিতা করেছি রাজনীতিক কারণে কিন্তু তার চিরকুটের কথা আবার স্মরণে সমোজ্জ্বল। ৯৬ এর গান আন্দোলনে আমি অংশগ্রহণ করি খালেদা জিয়া পদত্যাগ করেন রাষ্ট্র ক্ষমতায় আওয়ামীলী বিজয় অর্জন করে। খালেদা জিয়ার ফেনীর উন্নয়ন অগ্রগতিতে যথাযথ প্রচেষ্টা ছিল রাজনৈতিক কারণে নেতৃবৃন্দের গ্রুপে এবং জয়নাল হাজারীরঅসহযোগিতা ফেনীর উন্নয়নকে বাধাগ্রস্ত করে। ১৯৯৪ সালে গণভবনে প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া ফেনীর দুই আসনের বিরোধীদলীয় সংসদ সদস্য সহ ১৫ জনকে ঈদুল ফিতরের দাওয়াতের কাঠ প্রেরণ করে বঙ্গভবনে আমন্ত্রণ জানান। সেই সৌভাগ্যবান ব্যক্তিদের মধ্যে আমি একজন ছিলাম যদিও সাবেক সংসদ সদস্য হাজারী না যাওয়াতে আমাদের কারো যাওয়া সম্ভব হয়ে ওঠেনি। আজ আপোষহীন নেত্রী বেগম খালেদা জিয়া অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে রয়েছেন তার আশু রোগ মুক্তি কামনা করছি। রাজনৈতিকভাবে আমি তোর দল সমর্থন করি না। ২০০৩ সাল থেকে আমি রাজনৈতিক বিমুখ হয়েছি হয়েছি এর পর ইতালিতে অভিবাসিত হয়েছি ।২০০৭ সাল থেকে সাংবাদিকতাকে পেশা হিসেবে গ্রহণ করেছি কোন রাজনৈতিক নেতা-নেত্রী দল গুষ্টি কারো প্রতি আমার পক্ষপাত মূলক আচরণ নেই। তবে দেশের জন্য যেটি ভাল মঙ্গল সেটি আমি কামনা করি। দীর্ঘ ষোলো বছরের গণতন্ত্রহীনতা তারপরে তার প্রতি এক ধরনের বিরূপভাব বাংলাদেশের গণতন্ত্রকে ক্ষতিগ্রস্ত করে। এই সময়ে খালেদা জিয়ার মত দেশ প্রেমিক রাজনৈতিক প্রজ্ঞাবান প্রধানমন্ত্রী আবশ্যক ছিল।

সংশ্লিষ্ট সংবাদ:

সর্বাধিক পঠিত