আগেই বলেনি মতাদর্শগত কারণে আমি অধ্যাপক ভিপি জয়নাল আবেদিন রাজনীতির সমর্থক নই। রাজনীতি ছেড়ে ইউরোপে দীর্ঘদিন অভিবাসী ছিলাম। ১৯৯৩ সাল থেকে সাংবাদিক হওয়ার চেষ্টা করেছি। সাপ্তাহিক মার্শাল, ত্রৈমাসিক মুক্তির মিছিল বন্ধুদেরও নিজের বাপের ঘাটের পয়সা খরছ করে সাংবাদ কর্মী হওয়ার নিরলস চেষ্টা করেছি কিন্তু বিধিবাম রাজনৈতিক কারনে ছন্দপতন ঘটে রাজনীতিতে জড়িয়ে পড়ি। তারপর নানা কারনে জটিলতার পেসা হিসাবে সংবাদকর্মী হতে পারিনি। আমার অগ্রজ সাংবাদিক জাতীয় বার্তার সম্পাদক,সাপ্তাহিক পথ পত্রিকায় স্বাধীনতা দিবস, ও জাতির দিবসে লিখেছি। গভীর শ্রদ্ধা সাথে ফেনী দুই বিশিষ্ট সাংবাদিক ওদুদ, সামছুল, স্বরণ করছি। আমার কাঁচা হাতের লিখা ছাপিয়ে উৎসাহ দিয়েছেন। ফেনী রাজনৈতিক নেতা ও সামাজিক নেতাদের গভীর ভাবে পর্যবেক্ষেন করেছি ও জেনেছি। মুল প্রসঙ্গে আসি ভিপি জয়নাল স্বাধীনতা যোদ্ধা, সরসরি রণাঙ্গনে বীর ধরপে স্বাধীনতা বিরোধী কবর রচনা করেছেন স্বাধীনতার সোনালী সূর্য ফেনীর স্বাধীনতা অর্জনে তার গুরুত্বপূর্ণ ভুমিকা রয়েছে। আমার বাবার বন্ধুদের মধ্য কর্ণেল( অঃ) জাপর ইমাম বীর বিক্রম, জয়নাল হাজারী, শাহ আলম মজুমদার, এডভোকেট আকরামুজ্জামান, এডভোকেট নান্নু,বীর মুক্তি যোদ্ধা ফয়েজুর রহমান ছিলেন রাজনীতিবীদ। এই গুনিজনেরা ফেনীর রাজনৈতিক ভাবে বেশ শক্ত ভিত তৈরী করে স্বস্ব ক্ষেত্রে সফল। ভিপি জয়নাল ফেনী রাজনৈতিক ইতিহাসে দূর্নীতি মুক্ত রাজনীতিবীদ ও সাবেক সংসদ সদস্য তার এখন বয়স হয়েছে তার বন্ধুদের ও রাজনৈতিক সহকর্মীরা অনেকে পরলোকের বাসিন্দা হয়ে গেছেন। তাকে নিয়ে টল ও অপ-সাংবাদিকতা কোন ভাবে গ্রহনযোগ্য নয়। ওনার কর্ম ও রাজনৈতিক সমালোচনা করা যেতে পারে। কিন্তু তার একটা ভুল বলাকে মিডিয়া ট্রায়ল করা কোন ভাবে গ্রহনযোগ্য নয়। তার মতো সৎ হয়ে লড়াই করে তার সমলোচনা করা যেতে পারে। এই অপ-সাংবাদিকতা করে তার জনপ্রিয়তা কমানো যাবেনা। আগেই বলেছি আমি ওনার রাজনৈতিক দলের সমর্থক নই। তবে আমি তার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হওয়ার পক্ষে জোরালো সমর্থক। তিনি নির্বাচিত হলে যদি আল্লাহ হায়াত রাখেন ফেনীর উন্ননায় ও চাঁদাবাজি বহুল অংশে কমে যাবে। তার প্রতি এই অপ প্রচারের কারনে কোন ক্ষতি হবেনা। তিনি বিজয় হবেন সেই প্রত্যাশা করি। আমি দলকানা, গোষ্ঠী, অপ-সাংবাদিকতাকে ঘৃণা করি। আর হলুদ সাংবাদিক পদাচরনে দেশ ও জনগন অতিষ্ঠ। এদের শুভবুদ্ধির কবে হবে জনগণ জানতে চায়।

