সমস্ত গৌরব ও কৃতিত্ব মহান আল্লাহ তায়ালার প্রতি নিবেদিত, এবং গত ১৫ বছরে মজলুম ও নির্যাতিত মানুষের হৃদয়ের গভীর থেকে উঠে আসা দোয়ার ফল।
জুলাইয়ের ঐতিহাসিক ছাত্র আন্দোলনের কৃতিত্ব বাংলাদেশের ছাত্র-ছাত্রী, সাধারণ জনগণ, কর্মজীবী ভাই-বোন, অভিভাবক, রিকশাচালক, ড্রাইভার, মাদ্রাসার ছাত্র-ছাত্রী, ইসলামি পণ্ডিত, কৃষক এবং অনেক অনলাইন অ্যাক্টিভিস্ট সংগঠন ও ব্লগারদের। এই আন্দোলন কোনো একক ব্যক্তির প্রচেষ্টার ফল নয়, বরং এটি সবার সম্মিলিত শক্তি, ত্যাগ ও একাগ্রতার ফসল। এটি অত্যন্ত দুঃখজনক এবং নিন্দনীয় যে, কোনো নির্দিষ্ট রাজনৈতিক দল বা গোষ্ঠী এই গণআন্দোলনের কৃতিত্ব নিজেদের নামে নেওয়ার চেষ্টা করবে।এই আন্দোলন দলীয় বিভাজনের ঊর্ধ্বে উঠে জাতীয় ঐক্যের এক অবিস্মরণীয় উদাহরণ হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল। অনলাইন অ্যাক্টিভিস্ট ও ব্লগারদের অবদান এখানে বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য। তাদের দক্ষ দৃষ্টিভঙ্গি, তথ্য প্রচার, এবং সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে জনমত গঠনের মাধ্যমে তারা আন্দোলনের সাফল্যে অনন্য ভূমিকা রেখেছে।আজকের বাংলাদেশ শুধু একটি দেশ নয়. এটি একটি সংগ্রামী আত্মার নাম। বৈষম্যের বিরুদ্ধে এই লড়াই আমাদের একত্রিত করেছে, আমাদের শক্তি এবং সম্ভাবনার কথা মনে করিয়ে দিয়েছে। আমরা প্রমাণ করেছি, আল্লাহর ওপর ভরসা রেখে এবং একতাবদ্ধ হয়ে আমরা যে কোনো অন্যায় ও শোষণকে চূর্ণ করতে পারি।জুলাইয়ের ছাত্র আন্দোলন প্রমাণ করে যে, যখন একটি জাতি একতাবদ্ধ হয়, তখন কোনো প্রতিকূলতাই তাদের লক্ষ্য অর্জনে বাধা হয়ে দাঁড়াতে পারে না। এটি একটি যুগান্তকারী বার্তা দেয় যে, বৈষম্য ও অন্যায়ের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে জনগণের ঐক্যই সবচেয়ে শক্তিশালী অস্ত্র।
বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের কারো একক প্রচেষ্টার নয়
আপডেট:

