রবিবার, মে ৩, ২০২৬

মার্কিন রাস্ট্র দূতেের কাছে দেশ প্রেম শিখুন

আপডেট:

 

লেখক ঃ ইঞ্জিঃ মোঃ সিরাজুল ইসলাম।

বিজ্ঞাপন

তাং ঃ ১৮.১২.২০২৩

 

বিজ্ঞাপন

মার্কিন রাস্ট্র দূত “পিটার হাস” বাংলাদেশের নির্বাচনে গ্লোবাল পলিটিক্সের পাশাপাশি দৌড়ঝাঁপ করছেন প্রচুর। কখনও ফখরুল সাহেবদের সাথে মিটিং তো কখনও “বেবিচক” চেয়ারম্যান এয়ার ভাইস মার্শাল মোঃ

মফিদুর সাহেবের সাথে মিটিং, কখনও আবার চেয়ারম্যান সফিউল আজীমের সাথে! আবার ফিরে যাচ্ছেন ওয়াশিংটন শলাপরামর্শ করতে!”

 

বাংলাদেশের বিমান মোট ২১ টা। ১৬ টা বোয়িং আমেরিকা থেকে কেনা ৫ টা অপেক্ষাকৃত ছোট কানাডা থেকে। ২০০৮ সালে সেনা তত্বাবধায়ক সরকার ১০ টা বোয়িং কিনতে আমেরিকার সাথে চুক্তিবদ্ধ হয়েছিলো! শেখ হাসিনা সরকার এক ঝাক নতুন প্রজন্মের উড়োজাহাজ কিনতে যাচ্ছে। ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট ম্যাক্রো তার দেশের “এয়ারবাস” কেনার জন্য ছুটে এসেছিলেন। ২০০৮ সালে ১০ বোয়িং এর মূল্য আমেরিকা নিয়েছিলো ২.৫ বিলিয়ন ডলার। শেখ হাসিনা বোয়িং রেখে অপেক্ষাকৃত কম মূল্যে অত্যাধুনিক এয়ারবাস কিনতে আগ্রহী। ফ্রান্স ব্যাবসাটা

নিয়ে যায় তাই পিটার হাসের দৌড়ঝাঁপ বিমান বাংলাদেশের চেয়ারম্যানের সাথে মিটিং সিটিং আবার বেসরকারি বিমান চেয়ারম্যানের সাথেও মিটিং করেছেন তাদের সরাসরি ঢাকা নিউইয়র্ক রুট অনুমতি আশ্বাস দিয়েছেন।

 

প্রিয় পাঠক, একজন রাস্ট্র দূতের এমন হওয়া উচিত যিনি ভু-রাজনৈতিক দৃষ্টি তো দিবেন নিজ দেশের ব্যবসা

বানিজ্য সম্প্রসারণ করার বিরাট একটা ভুমিকা আছে রাস্ট্র দূতের! কি কেনা যায় কি বেচা যায় সে আমদানি রপ্তানি বোঝার মত লোক রাস্ট্র দূত করতে হয় সরকারকে! আজ ১৮ দেশে গার্মেন্টস রপ্তানি দুয়ার খুলেছে তা শুধু রাস্ট্র দূত দের বিচক্ষণতায় সম্ভব হয়েছে।

রাস্ট্র দূত যদি এমন নিয়োগ দেন যিনি বিদেশে ফ্রী মেয়ে মানুষ পেয়ে বোগল দাবা করে মদ গিলে রোডে পার্কে বেহুশ হয়ে পড়ে থাকেন আর ঐ দেশের পুলিশ তার উদাম শরীর কাপড় এনে আব্রু ঢেকে এ্যাম্বেসিতে পৌঁছে দেন তাহলে তেমন সরকার সে দেশের কেমন দরদী আর এমন রাস্ট্র দূত ই বা কি প্রয়োজন?

 

মনে করেন, ১৯৭৫ সালের ৩ রা নভেম্বর জেল হত্যা ঘটায়ে যারা স্পেশাল বিমানে রেগুন হয়ে ব্যাংকক পৌছে এবং পাকিস্তান তাদের বিমান দিয়ে সেই মুজিব হত্যা কারীদের লিবিয়ায় পৌঁছে দেয়। সেখান থেকে

জাতিরজনক হত্যাকারী “শরীফুল হক ডালিম, নূর চৌধুরী, মেজর রাশেদ চৌঃ, আজিজ পাশা, একেএম মহিউদ্দিন, নাজমুল হোসেন, আঃ মাজেদ, শাহরিয়ার রশীদ, খায়রুজ্জামান, যথাক্রমে হংকং, কেনিয়া, চীন, মালয়েশিয়া, জাপান, আর্জেন্টিনা, কুয়েত, সেনেগাল, পাকিস্তান, কানাডা, ইন্দোনেশিয়া, মিশর, জিম্বাবুয়ে, ব্রাজিল, সৌদি আরব, তানজানিয়া, আবুধাবিতে রাস্ট্র দূত করে পাঠানো হয়! ১৯৯৬ সালে আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় আসার আগ পর্যন্ত তারা বাংলাদেশ কে বিশ্বে রিপ্রেজেন্ট করেছেন খুনি হিসাবে!

 

প্রিয় পাঠক, রাস্ট্র দূত যেখানে খুনি বদমাশ মদ মহিলা খোর, মহিলা মদ নিয়ে পার্কে রাস্তায় বেহুশ থাকতো সেই দেশের সরকারের পরিচিতি বিশ্বে কি হয় এবং দেশের উন্নয়নে তাদের কি অবদান রাখার যোগ্যতা রাখে?

উল্লেখ্য, দুজন চুরির দায়ে বিদেশের মাটিতে জেল খেটেছেন, একজন সিঙ্গাপুর জেলে ছিলেন সেখান থেকে আওয়ামী সরকার ধরে এনেছে!

 

পিটার হাসরা লেখাপড়া শিখে অনেক বছর ফরেন সার্ভিসে থেকে রাস্ট্র দূত হয়েএসেছেন তাই নিজ দেশের উন্নয়ন বোঝেন এবং সে জন্য দৌড়ঝাঁপ করেন!

মুজিব হত্যার পরে ১৯৯৬ পর্যন্ত বিদেশে দেশের পরিচিতি যারা তুলে ধরেছেন এবং যে বাংলাদেশ সরকার দেশের খুনিদের দেশের রিপ্রেজেনটেটিভ করে বিদেশে পাঠিয়েছেন তারা দেশের কতটুকু ভালো চেয়েছেন আর যে খুনিরা তটস্থ থেকেছেন কোন দেশে আশ্রয় নিবেন, আওয়ামীলীগ ক্ষমতায় এলে কি হবে তাদের মাথায় বাংলাদেশের কি উন্নয়ন আসবে একটু ভেবে দেখবেন?

সংশ্লিষ্ট সংবাদ:

সর্বাধিক পঠিত