অন্তর্বর্তী সরকারের পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়, পানি সম্পদ এবং তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান বলেছেন, অনেক বছর পর দেশে একটা প্রকৃত ভোট হবে। যেখানে সরকারের কোনো পক্ষের কোনো অবস্থান নেই। মানুষ যাতে নির্ভয়ে জেনে-বুঝে তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারে- আমাদের সেই প্রচেষ্টাই থাকবে। নির্বচন সুষ্ঠু, উৎসবমূখর ও অংশগ্রহণমূলক হোক এটাই আমাদের প্রত্যাশা।সরকার ও গণমাধ্যম একসঙ্গে মিলে ভোটের চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় জনমত গড়ে তুলতে পারে।
শনিবার সকালে সিলেট প্রেসক্লাবে পিআইবি আয়োজিত ‘নির্বাচন বিষয়ক প্রশিক্ষণ’র উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের পর সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এসব কথা বলেন।
এ সময় রিজওয়ানা হাসান বলেন, প্রায় ১৬ বছরের স্বৈরাচারী শাসনের পর আমরা একটি সুষ্ঠু ভোটের আয়োজন করতে যাচ্ছি। দেশে যখন একটা স্বৈরাচারী শাসনব্যবস্থা থাকে, তখন সকল ব্যবস্থাতেই তার লোকজন ঢুকে পড়ে।মনস্তত্ত্ব ওরকম হয়ে যায়। সেটার বিপরীতে গণঅভ্যুত্থানের শক্তির উপর দাঁড়িয়ে নির্বাচনটা করতে যাচ্ছি। আয়োজন করছি একটা গণঅভ্যুত্থানের শক্তির ওপর দাঁড়িয়ে। সেখানে পরাজিত শক্তি কিছু বাধার সৃষ্টি করতে পারে।সে বাধাগুলো আমাদের মোকাবেলা করতে হবে। আমার তো মনে হয়, পরাজিত শক্তির পক্ষে কোনো রকমেরই জনমত নেই। যেখানে কোনো রকমের জনমত না থাকে, সেখানে জনগণকে সঙ্গে নিয়ে আমরা চ্যালেঞ্জগুলো মোকাবেলা করতে পারব।সৈয়দা রিজওয়ানা আরও বলেন, নির্বাচনকে ঘিরে পরাজিত শক্তি কিছু বাধার সৃষ্টি করতে পারে। সেগুলো অতিক্রম করে সুষ্ঠু নির্বাচনের লক্ষে এগিয়ে যেতে হবে।
অপশক্তিকে শুভশক্তি দিয়ে মোকাবেলা করতে হবে।
এসময় উপদেষ্টা আরও বলেন, ভোটের সময় বিভিন্ন জায়গাতে কিছুটা রাজনৈতিক উত্তেজনা থাকে। সরকার আশাবাদী, তা উতরে যাওয়া যাবে। সে জন্য প্রথম থেকেই সরকার কাজ শুরু করেছে।বিভিন্ন গণমাধ্যমে হামলা ও মব বিষয়ে অপর এক প্রশ্নের জবাবে তিনি আরও বলেন, এই আতঙ্ক তৈরি করছে পরাজিত শক্তি। গণঅভ্যুত্থানের মাধ্যমে যেহেতু সেই অপশক্তিকে প্রতিহত করা গেছে, বাকি চ্যালেঞ্জগুলোও সরকার মোকাবিলা করতে পারবে
নির্বাচনকে ঘিরে পরাজিত শক্তি কিছু বাধার সৃষ্টি করতে পারে : তথ্য উপদেষ্টা রিজওয়ানা হাসান
আপডেট:

