মুহাম্মদ আরফাত হোসেন: চট্টগ্রাম-১৪ তথা চন্দনাইশ- সাতকানিয়া (আংশিক) আসনে নৌকা প্রতীকের প্রার্থী আলহাজ্ব নজরুল ইসলাম চৌধুরী ১ জানুয়ারি (সোমবার) দিনব্যাপী উপজেলার বরমা ইউনিয়নের বিভিন্ন এলাকায় গণসংযোগকালে তিনি বলেছেন, আপনারা জানেন আমি আপনাদের সন্তান এবং আপনারা আমাকে বিগত ২বার ভোট দিয়ে সংসদ সদস্য নির্বাচিত করেছেন। আমি সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়ে আমি ঘরে ঘুম যায় নাই। আমি রাত-দিন পরিশ্রম করে আমার এলাকায় ব্যাপক উন্নয়ন করেছি । এইযে পাকা রাস্তা গুলো দেখতেছেন এগুলো আগে ছিলনা। আগে ছিল কতগুলো ফুট মানুষ চলাফেরা করতে পারতোনা। গাড়ি চালানো দুরের কথা এগুলো সব আমি করেছি। আপনারা জানেন আমি এই ১০ বছরে কাউকে হামলা-মামলা ও নির্যাতন করি নাই। আমি কোন এলডিপি, বিএনপি, জামাতের ভাইকে মামলা দিই নাই শান্ত মানুষ আমি। আমি এগুলোকে ঘৃণা করি, আমি কোন সন্ত্রাস লালন পালন করিনা। আমি চাঁদাবাজি ও সন্ত্রাসী করিনা। আমার গাড়িতে কোনদিন কোন সন্ত্রাস নিয়ে ঘোরাফেরা করিনা। যার কারণে আমার এলাকা শান্ত। আগে দেখতাম সন্ধ্যার পর গোলাগুলি হতো মানুষ ভয়ে ঘরে ঢুকে পরতো। আমি এমপি হওয়ার পর একটা গোলাগুলির আওয়াজ শুনছেন আপনারা? কারণ উত্তপ্ত হয় যে এমপি যদি সন্ত্রাসী পালন করে তাহলে এলাকাটা উত্তপ্ত হয়ে যায়। সুতরাং আমি মনে করি আমার এলাকা শান্ত শান্তয় থাকবে মানুষ শান্তিতে বসবাস করবে এবং আগামী ৭ জানুয়ারি আমাকে নৌকা মার্কায় বিপুল ভোটে জয়ী করবে। এসময় গণসংযোগে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা আ’লীগের সভাপতি জাহিদুল ইসলাম জাহাঙ্গীর, আ’লীগ নেতা যথাক্রমে মাহবুবুর রহমান শিবলী, আবুল কৈয়ুম চৌধুরী, মাষ্টার আহছান ফারুক, মাহবুবুর রহমান চৌধুরী, মোজাম্মেল হক, চেয়ারম্যান খোরশেদ আলম টিটু, জাবেদ গাউস মিল্টন, আবু তালেব, শহিদুল আজম কাজিমী, গাজী সালাউদ্দিন, আবদুর রহিম, চন্দনাইশ সমিতির সভাপতি মাকসুদুর রহমান, যুবলীগ নেতা কৃষ্ণ চক্রবর্তী, সাখাওয়াত হোসেন, জামসেদ মো.গাউস রিকন, রিয়াদ বিন কাশেম, ছাত্রলীগ নেতা মো.মিজানুর রহমান, আ’লীগ, যুবলীগ, ছাত্রলীগসহ বিভিন্ন অঙ্গ সংগঠন ও সহযোগী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ।

