লেখক ঃ ইঞ্জিঃ মোঃ সিরাজুল ইসলাম।
তাং ঃ ০২.০১.২০২৪
নির্বাচনের দারুন প্রচার চলছে। রাজধানীর কোন এক এলাকার চার তলায় বসবাস। সংসার ধর্ম বলতে কিছু নাই!
লেখাপড়া ছাড়া শুধু খাওয়াদাওয়া বা কোন আলোচনা সভায় যোগদান। পড়ার মধ্যে The Arab News, ডেইলি বেইজিং, তাস, নিউইয়র্ক টাইমস, ডেইলি স্টার, প্রথম আলো!
নির্বাচন হয়ে যাবে বলে ৮০% বিএনপি নেতার মতামত। কিন্তু রাজধানী তে সরকারের পলিসি ভুল আছে আমার মতামত! শুধু নৌকার প্রচার ছাড়া আমি কোথাও তেমন অন্য দলের প্রচার তেখতে পাচ্ছি না। সরকারের কূটনীতিক
অংশ ছিলো তৃনমুল বিএনপি, জাতীয় পার্টির, বিএনপি মেজর হাফিজ, স্বতন্ত্র প্রচারের রাজধানী কাপিয়ে তোলা! কেন তা আমার বলে দেয়ার দরকার আছে কি, কিভাবে তা বলার অপেক্ষা রাখে কি? বিএনপির জগত শেঠরা যদি বিশ্বের ১০৬ জন নোবেলজয়ী কে দিয়ে ডঃ ইউনূসের পক্ষে অবৈধ আওয়াজ তোলাতে পারে, ইসরায়েলের মোসাদ প্রধানের সাথে নূরকে সাক্ষাৎ করাতে পারে, মার্কিন ততকালীন বিদেশ মন্ত্রীকে বায়াস করে বিশ্ব ব্যাঙ্কের পদ্মাসেতু অর্থায়ন ঠেকাতে পারে, এক মাসে ১১ বার মার্কিন ততপরতা চালাতে পারে বাংলাদেশে গনতন্ত্র নাই, মানবতা নাই ধোয়া তুলে বাংলাদেশ সরকার কে নাস্তানাবুদ করতে পারে তা হলে বিরোধী দলের নির্বাচন প্রচারের রাজধানীর বিদেশি কূটনৈতিক পাড়ার ঘুম নষ্ট করতে হয় কিভাবে তা যদি একজন কলাম লেখকের বলে দিতে হয় তা হলে আওয়ামী নেতা-নেত্রী কবে আর রাজনীতির বড় অংশ জুড়ে যে কূটনীতি (হারামি নীতি) শিখবেন?
নির্বাচন হয়ে যাবে। আমার স্ত্রীর বাড়ীতে, মানে আমার যে বাড়ীতে বসবাস সে বাড়ীতে বাংলাদেশ বিএনপির মহিলা সাংস্কৃতিক সম্পাদক ভাড়া থাকেন যার বাবা দুইবার বিরোধী দলের সাংসদ ছিলেন তিনিও সমান পপুলার। নির্বাচনের সুযোগ পেলে তিনিও সাংসদ হবেন শতভাগ নিশ্চিত, তিনি এমন ই ভাবেন নির্বাচন ঠেকাতে পারবে না বিএনপি। বিতর্কিত করার চেষ্টা হবে!
প্রিয় পাঠক, ১৯৫৪ সালে বাঙালি যুক্ত ফ্রন্ট সরকার গনতান্ত্রিক ভোটে ক্ষমতায় আসার মাত্র ৫৬ দিনের মাথায় মীর জাফরের বংশধর ঈসকান্দার মির্জা ক্ষমতা কেড়ে নেন সামরিক প্রধান বলে, দুই বছর মাথায় ১৯৫৮ সালে আইয়ুব খান সেনা প্রধান হিসাবে ঘাড় ধাক্কা দিয়ে ইস্কান্দার কে বিলেত নির্বাসন দিয়ে ক্ষমতায় বসেন। কিন্ত বাংলাদেশের মুজিব ভাসানী সোহরাওয়ার্দী তাকে আরাম হারাম করে দিলো বিশেষ করে মুজিবের সেই আইয়ুবের ছেলে গহর আইয়ুবের ঘুষ।
আইয়ুব ১৯৬৫ তে নির্বাচন দিতে বাধ্য হন।
প্রিয় পাঠক, ১. আইয়ুব ফাতিমা জিন্নাহ কে কৌশলে ভোট কিনে ঠকিয়ে দেন। সে নির্বাচন বিতর্কিত ছিলো। সেটা বিডি মেম্বর ভোট ছিলো!
২. জিয়াউর রহমান বিচারপতি আব্দু সাত্তার ভালো মানুষ টাকে নষ্ট করলেন লোভ দিয়ে এবং হা না ভোট করালেন।
জিয়া ৯৮% ভোটে পাশ করলেন, কোথাও কোথাও নাকি ১০৫% ভোট ও পেয়েছিলেন, সে নির্বাচন ও বিতর্ককিত ছিলো!
৩. সামরিক ডিক্টেটর এরাশাদ তার গুরু সামরিক ডিক্টেটর জিয়ার পথ অনুসরণ করে ১৯৮৫ সালের ২১ মার্চ হা না ভোটের নির্বাচন দেন এবং ৯৪.৫% ভোট পেয়ে বিজয়ী হন।
সে নির্বাচন ও বিতর্কিত ছিলো!
৪. মার্কিন ৪৩ তম রাষ্ট্রপতি জর্জওয়াকার বুশের বাবাা সিনিয়র বুশের মত আমেরিকার প্রেসিডেন্ট হন।২০০০ সালের রিপাবলিকান প্রার্থী হয়ে ডেমোক্রেটিক “দলের আলগোরা” বিতর্কিত নির্বাচনে পরাজিত করেন! সারাদেশে আলগোরা সংখ্যা গরিষ্ঠতা পেয়েও ইলেকট্রোলিয়ার ভোটে তিনদিন পর গোরাকে পরাজিত দেখানো হয়।
সে নির্বাচন ও বিশ্বে বিতর্কের আলোড়ন সৃষ্টি করেছিলো।
বুশ তা ঢাকতে আফগান আক্রমণ, ইরাক দখল, ওয়ার্ল্ড ট্রেড সেন্টার ধ্বংস তার নির্বাচন বিতর্ক ঢেকে দেয়, নজর চলে যায় বিশ্বের অন্য দিকে!
প্রিয় পাঠক, “দ্বাদশ জাতীয় নির্বাচন বাংলাদেশ” বিএনপি বিতর্ক সৃষ্টি করলে কিবা আসে যায়? বাংলাদেশের স্বাধীনতা, মুক্তিযুদ্ধ, বাংগালী হত্যার সংখ্যা, পদ্মা সেতুতে কেউ উঠো না রডের বদলে বাশ দিয়ে তৈরি এমনি সহস্র বিতর্কিত করেছে এদেশটাকে কারন তাদের হাতে আছে জগত শেঠ! দলটা নিজেদের বাঙালি পরিচয় দিতে লজ্জা বোধ করে!
ভালো থাকেন সুস্থ থাকেন। নির্বাচন ছাড়া ক্ষমতায় যাওয়ার মধ্যম পন্হা নাই অতএব সবাই ভোট দিতে যাবেন এবং প্রশাসনকে অধিকতর কঠোর ও নিরপেক্ষতা কাম্য।
ক্যাপশন ঃ
পাকিস্তানের জাতির পিতা যার ডিনার ছিলো শূকরের মাংস
ও ঘিয়ে ভাজা পরাটা সাথে বিয়ার, নামাজ কোনদিন পড়েন নাই, গরীবের মামলা কোনদিন লড়েন নাই(রেফারেন্স ঃ দঃ এশিয়ার কামেল ইসলামি চিন্তাবিদ ওয়াজিয়ান মাঃ মূর্তাজা) তিনি মুসলমানদের রাস্ট্র চেয়ে আলাদা করলেন বৃহৎ ভারত এবং মুসলমানদের হিরো বনে গেলেন একজন বেনামাজি!
কবি ইকবাল যিনি মুসলিম আলাদা আবাসভুমির প্রস্তাবক
যিনি মনে করতেন রবীন্দ্রনাথ নয় তার নোবেলবিজয়ী হওয়া উচিত ছিলো, মুসলিম বলে পান নাই!



