লেখক ঃ ইঞ্জিঃ মোঃ সিরাজুল ইসলাম।
তাং ঃ ২২.০২.২০২৪
আমেরিকা বিশ্বের গনতন্ত্রের মানস কন্যা !
সেখানে গনতন্ত্রের বহে বন্যা!
আব্রাহাম লিংকন দিয়েছিলেন গনতন্ত্রের শ্রেষ্ঠ সজ্ঞা,
তাই তো মার্কিন মুল্লুকে বহে গনতন্ত্রের গঙ্গা!
প্রিয় পাঠক, বিশ্ব ইতিহাস যারা জানেন তার বলতে পারবেন এই মুহূর্তে আমাদের তারেক রহমানের ঘাড়ে যে কয়টা মামলা মার্কিন বিরোধী দলের নেতা ট্র্যাম্প এর ঘাড়ে ও সেই কয়টা প্রায় ১৯. তারেক গ্রেনেড মেরে মামলায় ট্রম্প না মেরে —
দ্বিতীয় বিশ্ব যুদ্ধের পর কত দেশে গনতান্ত্রিক সরকার ফেলে সামরিক সরকার প্রতিষ্ঠা করেছে, ৮০ দশকেই প্রায় ৫০ টা। আপনার দেশ ও তার ভিতর আছে। কিউবার ফিদেল কাস্ত্রো মার্কিন কথা শোনে না বলে কতবার মারার attempt নিয়েছে, প্রায় মাত্র ৬৩৫ বার। সে দেশের গোয়েন্দা দেশ প্রেমিক তাই ধরে ফেলেছে কিন্তু আপনার দেশের ততকালীন গোয়েন্দা প্রধান পাকিস্তান সরকারের চাকুরী করে ১৯৭২ গোয়েন্দা প্রধান হয়েছিলেন তাই “মুজিব” হত্যার শত মিটিং সিটিং তিনি এবং তার গোয়েন্দা বিভাগ গোপন করেছিলো!
মার্কিন বিশ্বে নিজ আধিপত্য ধরে রাখতে কত লোক হত্যা করেছে, বিভিন্ন তথ্য বলে প্রায় তিন কোটি। কত সামরিক ঘাটি তৈরি করেছে, প্রায় ৮০০ ঘাটি। রাগ করবেন না, সব ই গনতন্ত্রের জন্য! ইরান নিজের তৈরি বিমান ভেনিজুয়েলার কাছে বিক্রি করেছে ২০২২ সালে।
সে বিমান ভেনিজুয়েলা পাঠানোর পথে আর্জেন্টিনায় গ্রাউন্ডেড করেছে কেন?
ইরান ভেনিজুয়েলা দুই দেশ ই মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের বন্ধু না! এসব ই গনতন্ত্রের জন্য। ইসরায়েল সেদিন গাজায় ২০ হাজার মুসলমান হত্যা করেছে তাদের সহ ইউক্রেন সহায়তা বিল পাশ করেছে মার্কিন সিনেট মাত্র
৯৫ বিলিয়ন ডলার ! এ ডলার ফিলিস্তিনের মুসলমান মারতে ইসরায়েল সহায়তা ও ইউক্রেন কে আরও শেষ করতে রাশিয়ার সাথে যুদ্ধ এগিয়ে নিতে সেলাইন পুশ করতে! গতকালের খবর রাশিয়া ইউক্রেনের আরও একটা শহর নিয়ে গেছে।আমেরিকা যা করছে সবই গনতন্ত্রের জন্য কিন্তু!
ইরাক আফগান সিরিয়া লিবিয়া সবাই চীৎকার করছে মার্কিন সেনা ফেরত নাও, স্যার জো বাইডেন কানেই তুলছেন না! মার্কিন নাই তো গনতন্ত্র নাই, ওরা তো বোঝে না তাই চীৎকার দেয়! বাংলাদেশ আর এক ফাজিল রাস্ট্র তাদের জাতির পিতার বন্ধু ছিলো ইয়াসিন আরাফাত, ফিদেল কাস্ত্রো, ম্যান্ডেলা, আনোয়ার সাদাত, আলজেরিয়ার জোট নিরপেক্ষ নেতা “বুমেদিন”, ৯২ দেশ সন্মেলনে মুজিব ভাষন দিয়েছিলেন। তার বন্ধু ছিলো আফ্রিকার না খাওয়া ৫৪ দেশের সবাই, যুগোস্লাভিয়ার ” টিটো”! তাই বাংলাদেশে গনতন্ত্র নাই বা চাই মার্কিন শ্লোগান। জগৎ শেঠ উমিচাঁদ ইয়ার লতিফ রায়দুর্লাভ, ঘষেটি বেগম রা তো দেশের ভিতরে আছেন দুধে ভাতে। সরকারের ভিতর ও আছেন হাইব্রিড নেতা গদি পরিবর্তন হলে তারা মোস্তকের দলে!
আমেরিকার গনতন্ত্রের সবচেয়ে বড় নজির মার্কিন গান্ধী বা সুভাসবোস, মুজিব ন্যায় “লুথার কিং” নিগ্রো নেতা ক্ষমতায় না থেকেও ছিলেন বিশ্ব কালা মানিক, তাকে হত্যা করা হয় ১৯৬৮ সালে সরাসরি। কারন কালো তিনি, পপুলার, ভীত কেঁপে গেছিলো পূজিবাদের। মার্কিন সিনেট ৯৫ বিলিয় ডলাট বিল পাশ করে মুসলমান মারতে, ইউক্রেন কে বাকী অংশ মাটিতে মিশাতে কিন্তু নিজ দেশে গৃহহীন রা পার্ক রাস্তায় ঘুমায়। আফ্রিকার ৫৪ দেশে কেউ দু’বেলা খাবার পায় না তাদের দেখে না,
বিশ্বে যুদ্ধ চায়, অশান্তি চায়, পাকিস্তানের ইমরানকে ফেলে সামরিক শাসন আনে, আটা ৬৩৫ রুপি হলেও সাহায্য দেয় না! এই হলো মার্কিন গনতন্ত্র মানবতা মনুষ্যত্ব —–
ভালো থাকেন সুস্থ থাকেন নিজ দেশেকে ভালোবাসেন।
কুরআনের তর্জমা শোনেন। সেই পথে মুসলমান চলেন!
উপরে যিনি আছেন তিনি মানবতা চান মনুষ্যত্ব চান, গরীব ফকির মিসকিন এতিম কে পয়সা দেন, পেটে খাবার দেন, মাদ্রাসা বানায় ব্যবসা নয়!



