বৃহস্পতিবার, জানুয়ারি ১৫, ২০২৬

বাফুফে তাবিথ আউয়ালের ১ বছর নেতৃত্ব দেওয়া কমিটি বিতর্কিত কোনো কর্মকা করেনি

আপডেট:

ফুটবল ফেডারেশন কর্মকর্তাদের যতই সমালোচনা করা হোক, এটা স্বীকার করতেই হবে যে, প্রকৃত নির্বাচন বলতে যা বোঝায় তা বাফুফেতেই হয়। হতে পারে প্যানেল, লবিং বা অর্থ ওড়ে কিন্তু জিতেই আসতে হয়। যা বাংলাদেশের অন্যান্য ফেডারেশনের বেলায় দেখা মেলে না। সবকিছুই থাকে বিতর্কে ভরপুর।২০০৮ থেকে ২০২৪ পর্যন্ত চার মেয়াদে টানা ১৬ বছর বাফুফের সভাপতি ছিলেন কাজী সালাউদ্দিন। যতই প্রভাবশালী ও বিতর্কিত হোক তাঁকেও নির্বাচনের নিয়ম মেনেই দায়িত্ব নিতে হয়েছে। ২০২৪ সালের ২৬ অক্টোবর সালাউদ্দিন যুগের অবসান হয়। অনেকে আবার একে ফ্যাসিস্টের পতনও বলেন।সালাউদ্দিন আর নির্বাচনই করেননি। ২০২৫ সালের ২৬ অক্টোবর বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশনের নির্বাচনের মাধ্যমে নতুন কমিটি গঠন হয়। নতুন সভাপতি নির্বাচিত হন তাবিথ আউয়াল। দেখতে দেখতে তাঁর নেতৃত্ব দেওয়া কমিটির ৩৬৫ দিন হয়ে গেল। তাঁর এক বছর পূর্তি হচ্ছে। চার বছর মেয়াদি নতুন কমিটির প্রথম বছরটা কেমন কাটল? সালাউদ্দিনকে ঘিরে তো বিতর্কের শেষ ছিল না। তার বিদায়ের পর নতুন কমিটি কী দিতে পারল? হয়তো কেউ কেউ বলবেন, চার বছর যেতে দেন না, তার পর কাজের বিচার করবেন। কথাটা একেবারে ফেলে দেওয়ার মতো না। তার পরও এক বছরের তো বিশ্লেষণ করতে হবে।তাবিথের নেতৃত্ব দেওয়া কমিটি বিতর্কিত কোনো কর্মকা করেনি। কিন্তু নতুনত্বের কথা বললে শূন্যই বলতে হবে। যদি বলি নতুন দায়িত্ব পাওয়ার পরই তো নারী জাতীয় দল সাফ চ্যাম্পিয়ন হয়েছে। এর প্রথমটা তো আগের কমিটির সময় হয়েছিল। বয়সভিত্তিক ফুটবলেও তো আগে সাফল্যের ছড়াছড়ি ছিল। হামজা দেওয়ান চৌধুরী, সামিত সোম, ফাহমিদুল ইসলাম ও জায়ান আহমেদের জাতীয় দলে খেলাটা কি বড় প্রাপ্তি! অবশ্যই, কিন্তু তাদের জাতীয় দলে খেলানোর প্রক্রিয়া শুরু তো করেছিল আগের কমিটি। নতুন কমিটি সামিত, ফাহমিদুল ও জায়ানের ব্যাপারে উদ্যোগ নেয়। তাহলে প্রাপ্তি বলতে কি এ তিনজনের জাতীয় দলে খেলা? লাভ হলো কি এশিয়ান কাপের চূড়ান্ত পর্বে তো উঠতে পারল না।

সংশ্লিষ্ট সংবাদ:

সর্বাধিক পঠিত