বৃহস্পতিবার, জুলাই ২, ২০২৬

জলবায়ু সহনশীল অর্থনীতি ও টেকসই বায়োইকোনমি গড়তে আঞ্চলিক সহযোগিতার আহ্বান :আবদুল আউয়াল মিন্টু

আপডেট:

ব্যাংকক, ১ জুলাই ২০২৬:ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য জলবায়ু সহনশীল সবুজ অর্থনীতি ও টেকসই বায়োইকোনমি প্রসারে এশিয়া-প্যাসিফিক অঞ্চলের সদস্য রাষ্ট্রগুলোর মধ্যে সুদৃঢ় আঞ্চলিক সহযোগিতার আহ্বান জানিয়েছেন পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রী আবদুল আউয়াল মিন্টু। আজ থাইল্যান্ডের ব্যাংককে জাতিসংঘের অর্থনৈতিক ও সামাজিক কমিশন ফর এশিয়া অ্যান্ড দ্য প্যাসিফিক (UNESCAP) আয়োজিত ‘কমিটি অন এনভায়রনমেন্ট অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট’-এর ৯ম অধিবেশনের মন্ত্রী পর্যায়ের গোলটেবিল বৈঠকে তিনি এই আহ্বান জানান।অর্থনৈতিক সম্ভাবনা ও অন্তর্ভুক্তি: মন্ত্রী উল্লেখ করেন, বৈশ্বিক বায়োইকোনমির বাজার ২০৩০ সালের মধ্যে ৭.৭ ট্রিলিয়ন ডলারে উন্নীত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। তবে এই প্রবৃদ্ধি যেন কৃষক, জেলে, নারী ও প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর কল্যাণ নিশ্চিত করে পরিবেশবান্ধব ও অন্তর্ভুক্তিমূলক হয়। ডেল্টা দেশ হিসেবে বাংলাদেশ প্রতিনিয়ত বন্যা, ঘূর্ণিঝড় ও তীব্র তাপদাহের মুখোমুখি হচ্ছে। বিশ্বব্যাংকের তথ্যমতে, ২০২৪ সালে তীব্র তাপদাহের কারণে বাংলাদেশে প্রায় ১.৭৮ বিলিয়ন মার্কিন ডলারের ক্ষতি হয়েছে এবং ২৫ মিলিয়ন কর্মদিবস নষ্ট হয়েছে।সবুজ উদ্যোগ ও সাফল্য: বাংলাদেশ সরকার, ESCAP, FAO, ADPC এবং UNEP-এর যৌথ আলোচনা সভায় মন্ত্রী বাংলাদেশের পরিবেশবান্ধব সফলতার চিত্র তুলে ধরেন। এর মধ্যে রয়েছে প্লাস্টিকের বিকল্প পাটের ‘সোনালী ব্যাগ’, বায়োগ্যাস কর্মসূচি, এবং দুর্গম উপকূলে ৪.১৩ মিলিয়নেরও বেশি সোলার হোম সিস্টেম স্থাপন। এছাড়া সুন্দরবন রক্ষা ও উপকূলীয় জনগোষ্ঠীর সুরক্ষায় ব্লু-বায়োইকোনমির ওপর জোর দেন তিনি।
​ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা: প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের দূরদর্শী নেতৃত্বে বর্তমান সরকারের নীতিগত অগ্রাধিকার হিসেবে আগামী ৫ বছরে দেশব্যাপী ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ, সবুজ কর্মসংস্থান, বর্জ্য থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদন এবং ৩আর (3R) পদ্ধতিতে সার্কুলার ফিউচার মডেল বাস্তবায়নের কার্যক্রম চলছে বলে মন্ত্রী জানান।

সংশ্লিষ্ট সংবাদ:

সর্বাধিক পঠিত