লেখক ঃ ইঞ্জিঃ মোঃ সিরাজুল ইসলাম।
তারিখ ঃ ৩১.০১.২০২৪
আজ মাসের শেষ তারিখ! আনন্দের সাথে “উপজেলা চেয়ারম্যান নির্বাচনে জাতীয় প্রতিক নিষিদ্ধ” সরকারের এই সিদ্ধান্ত কে আন্তরিকতার সাথে ধন্যবাদ জানাচ্ছি।
ব্যক্তি দুষ্টক্ষতে ভরা, সুদ ঘুষ নিয়োগ-বাণিজ্য ভূমিদস্যুতা শালিসি বানিজ্য জনগনের ভোগান্তিতে ডক্টরেট! ফোন করুন তিনি ব্যস্হ, জনগন সাক্ষাৎ ভোটের পর আর দেন না, কোন কাজ নিয়ে বিপদে পড়ে কেউ গেলে দশ দিন ঘুরাবেন এটা তার সচিবকে চেয়ারম্যানের প্রশিক্ষণ। এহেন চরিত্র ইউপি চেয়ারম্যান থেকে উপজেলা চেয়ারম্যান দ্বারা নিত্য হয়রানি হন দেশের জনগন! এসব লোক সরকারের এত সফলতা ধূলায় মিশেয়ে সরকার কে জনগণ থেকে বিছিন্ন করে! এমন সব অযোগ্য অমানবিক প্রার্থী জিতে যায় নৌকা ধানের শীষের জোরে কারন মানুষ সব “মুজিব হাসিনার নৌকা পাগল” প্রার্থী খোঁজে না। আমার এলাকায় আওয়ামী লীগ করে যে পরিমান লোক তার থেকে “শেখ হেলাল লীগ” করে বেশী মানুষ কারন তিনি সর্বজনীন একজন মানুষ, দক্ষিণ বেঙ্গল উন্নয়ন তার হাতে হয়েছে। নৌকা প্রীতিকের বিরুদ্ধে কেউ যেতে চান না কারন হেলেল ভাইর বিরুদ্ধে হয়ে যায়।
এবার মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বুঝতে পেরেছেন, এত অপদার্থ কি ভাবে পাশ করে আসে, কি ভাবে আমার উপজেলা চেয়ারম্যান থাকতে U NO গরীবকে দেয়া সরকারি বিল্ডিং বানাতে রডের বদলে বাঁশ ব্যবহার করে। এত কাজ করেও জনগনের ভাগ্য পরিবর্তন থেকে পাতি নেতারা কোটিপতি হয়? তাই তিনি প্রতিক বন্ধ করেছেন! আমার তরফ থেকে ধন্যবাদ জানাই এমন দারুন একটা পদক্ষেপ নেয়ার জন্য।
বাংলাদেশের ৮ টা বিভাগের ৬৪ জেলায় মোট ৪৯৫ টা উপজেলা। ৪৯৫ জনের দেড়শ দুশো বিরোধী দল থেকে এলে কি অসুবিধা বরং তারা ভয়ে কাজ করবেন সুনাম অক্ষুণ্ণ রাখতে, রডের বদলে ভীম ঢালতে বাশব্যবহার করার সাহস পাবে না। আশা করি ইউনিয়ন পরিষদে ও একই নিয়ম চালু থাকবে। ৪৫৭৮ টা ইউপি চেয়ারম্যান, ২ হাজার বিরোধী দল থেকে আসলে কি অসুবিধা। চেয়ারম্যানদের স্বৈরাচারী মনোভাব কমবে, যোগ্য লোক আসবেন যারা মানবতা মনুষ্যত্ব হৃদয় ধারন করেন। রাতারাতি কোটিপতি হতে চান না! চেয়ারম্যান নির্বাচিত হতে হলে জনগনকে কাজ দেখায় খুশি করে আসতে হবে, বেয়াদব হাইব্রিড অমানবিক লোক পদে আসতে পারবে না। মসজিদ মন্দিরের সোলার বিদ্যুৎ দিয়া পয়সা খাবে না,জন্ম নিবন্ধন দিতে পাচ হাজার টাকা ঘুষ নিবে না।
প্রিয় পাঠক, সকাল বেলা আমার এক ছোট ভাই শেখ মোরশেদ নিউইয়র্ক থেকে এলাকায় একটা ছোট ভাই “কামরুল ইসলামের ” উপজেলা পদপ্রার্থী পোস্টার আমাকে পাঠিয়েছে। আমি অনেক ভাবলাম, সত্যি ই তো
দলীয় প্রতিক থাকলে সে পদপ্রার্থী হতে পারতো না।
আমাদের কাছ থেকে টাকা নিয়ে কতজন ১৫ ই আগষ্ট শোক দিবসো গরু লুটায় আমরা পর্দার আড়ালে থেকে যাই, নেতা হয় রাম রহিম যদু মধু শ্যাম, যার বাপ-দাদারা চৌদ্দ পুরুষ নৌকার নেয় নাই নাম।
আমার এলাকায় অনেক একনিষ্ঠ রাজনৈতিক জেল খাটা নেতা বাইরে বেরিয়ে আসছে তাদের প্রার্থী যোগ্যতা প্রমান করতে। জয় তু শেখ হাসিনা, জয়তু শেখ হেলাল, শেখ তন্ময়।
ছবিতে দেখুন আমার গ্রাম ইউপি সদস্য শেখ মোস্তফা
শেখ তন্ময়ের সাথে “শীতবস্ত্র বিতরন” শেষে ছুটছেন গ্রাম থেকে গ্রামে।



