লেখক ঃ ইঞ্জিঃ মোঃ সিরাজুল ইসলাম।
তাং ঃ ২৩.০৮.২০২৩
রাশিয়া ইউক্রেন যুদ্ধে আমার বার-বার কলকাতার সিনেমার কৌতুক অভিনেতা শ্রদ্ধেয় “ভানু” দাদার কথা
মনে পড়ে! বাঙালি হয়ে ভানু বন্দোপাধ্যয় কে না চেনা অন্যায়! ভানুর কৌতুক ক্যাসেট বোধহয় এখনও বাজারে পাওয়া যায়!
রাশিয়া আজ আনুষ্ঠানিক ইউক্রেনের দখলকৃত চারটা প্রদেশ “দোনেৎস্ক, লুহানস্ক প্রজাতন্ত্র, জাপোরিঝঝিয়া এবং খেরসনকে রুশ ফেডারেশনের আওতায় নিয়ে গেলো, রুশ প্রেসিডেন্ট আজ আনুষ্ঠানিক সই করলেন!
ইউক্রেন ইউরোপীয় দেশগুলোর মধ্যে রাশিয়া সর্ববৃহৎ এবং এশিয়া ইউরোপ নিয়ে রাশিয়া বিশ্বের বড় দেশ।
ইউক্রেন ইউরোপীয় আয়তনে ২ য় দেশ, জনসংখ্যায় ৮ম, ১% মুসলমান, ৬০% ইস্টার্ন, বাকী খৃষ্টান হিন্দু ইত্যাদি। গম উৎপাদনে বিশ্বে রাশিয়া শ্রেষ্ঠ, ইউক্রেন ২য়। সেই দেশটাকে শেষ করে দিলো মার্কিন পরামর্শ।
আবার জর্জিয়ায়া কে পরামর্শ দিচ্ছেন ন্যাটোতে যোগ দিতে, রাশিয়ার অধীনে তাদের দুটো প্রদেশ রয়ে গেছে, রাশিয়া তাকেও হুমকি দিয়েছে।
ইউক্রেন পুরা সেভলি দেশ হিসাবে বেচে থাকতো যদি মিমাংসা কেউ করে দিতো। মার্কিন নীতিতে তা নাই।
রাশিয়ার মাজা ভাংতে যেয়ে ইউক্রেন নিঃশেষ হলো,
ইউরোপীয় ২৭ টা দেশ দারিদ্রতায় নেমে গেলো।
জার্মানির ৫২ বিলিয়নের পাইপ লাইন অকেজো হলো।
ইতালির সেনা প্রধান বলেছেন, ” নিশ্চিত করে বলতে পারি, ইউক্রেনের জয়লাভের কোন সম্ভাবনা নাই বরং দেশ হারাবার সম্ভাবনা শতভাগ!
ভানুর কৌতুকে মোড়ল পরামর্শক, ফাঁসির রায় হলে জামিনে থাকা আসামী মোড়লকে ছুটে এসে জিজ্ঞেস করছেন, ” ফাঁসির রায় তো হয়ে গেলো, এখন কি করি?”
মোড়ল স্বতঃস্ফূর্ত ভাবে উৎসাহ দিয়ে বললেন,”কি অসুবিধা, ফাঁসির দড়িতে ঝুলে পড়, আমিতো আছি! ”
জো বাইডেন স্যারকে ইউক্রেন প্রশ্নে আমার এমন ই মনে হয় সেই গ্রামের মোড়লের অবয়ব তার —-
ভালো থাকেন সুস্থ থাকেন নিজ দেশকে ভালবাসেন!
একই কুরআন পড়ে ইরানের মুসলমানরা ড্রোন বানায় বিশ্বের তিন ড্রোন বিজ্ঞানের একটা দেশ “ইরান”।
২০ হাজার মাদ্রাসা বাংলাদেশে, ২১ লাখ ছাত্র প্রতি বছর বের হয়, বছরে কয়েকশো কওমি মাদ্রাসা তৈরি হয় এদেশে, সেখানে শিখানো হয়, ” কিছু দেখো না, কিছু শিখো না, বিজ্ঞান শিখলে নাস্তিক অবধারিত, তাই তারা
টেলিভিশন দেখে না, খবর শোনো না, দঃ এশিয়ার কামেল বুজুর্গ ব্যক্তি মাওলানা শামসুল হক, মাওলানা মুর্তজা, মাওলানা থানভি রাঃ কেও চেনে না!!! ড্রোন দিয়ে কি মাছ রান্না করা যায়, মিশাইল খায় না মাথায় দেয় অথচ মাওলানা আজহারী সাহেব আমেরিকার “মীনায়” বিশ্ব আলেম সন্মেলনে বিশেষ সন্মান পেয়েছেন যিনি এমফিল করেছেন এবং থিসিস করতেছেন ডক্টরেট ডিগ্রির জন্য!



