লেখক ঃ ইঞ্জিঃ মোঃ সিরাজুল ইসলাম।
তাং ঃ ১১.১২.২০২৩
Death lays His icy hand on the Kings as well! মৃত্যু তার তুষার হস্ত রাজার উপর ও অর্পণ করে! আপনি যত ধনসম্পদ বাড়ী গাড়ী শক্তি অহম হম্বিতম্বি করার শক্তি অর্জন করেন না কেন একটা কথা হৃদয়ের এক কোণে পুষে রাখবেন, আপনি স্হায়ী না, আপনাকে যেতে হবে ছেড়ে এ
ধরাধাম, অতএব অধম না হয়ে জীবন ত্যাগের আগে হয়ে যান উত্তম!
ইত্তেফাকের তোফাজ্জল হোসেন মানিক মিয়ার ছিলেন মুজিবের সবচেয়ে আপনজন, ছেলে মইনুল হোসেন আওয়ামী টিকিটে ১৯৭০সালে সেই সুবাদে সাংসদ হন। সারা জীবন আওয়ামী বিরোধিতা ছিলো তার প্রধান কাজ।
১৯৭৪ সালে আমেরিকা কেনা খাদ্যের জাহাজ বঙ্গোপসাগর থেকে ফেরত নিয়ে দুর্ভিক্ষ সৃষ্টি করে দিলে মইনুল হোসেন, হলিউডের এনায়েত উল্লাহ খানরা মার্কিন সহযোগী তায় এগিয়ে যান! তখন ৩ টাকার কমে তাতের শাড়ী কিনতে পাওয়া যেতো, জেলে কন্যা “বাসন্তী” কে ! তিন টাকা দামের তাত শাড়ী কিনতে না পেরে ৪০ টাকার লালনের জাল পরায় আব্রু ঢেকে দুর্ভিক্ষের ভয়াবহতা দেখায় বিশ্বে মুজিব কে ছোট করে মুজিবের ব্যর্থতার নায়ক নাকি মইনুল হোসেন! এদেশের লোক আজীবন ভন্ড ধার্মিক এবং তাল কানা! কেউ বুঝলো না যে তিন টাকার তাতের শাড়ী কিনতে পারে না সে ‘চল্লিশ টাকার লায়লন জাল কিনে পরে আব্রু বাচায় কিভাবে?’
এ ছবি বৃটিশ যাদুঘরেও বাংলাদেশের দুর্ভিক্ষের ভয়াবহতা বুঝাতে রক্ষিত হয়! মুজিব হত্যার পর মইনুল সাহেব খন্দকার মোশতাকের ডেমোক্রেটিক লীগে যোগ দেন। মানিক মিয়ার মৃত্যুর পর মুজিব তার সন্তানদের পিতৃতুল্য
স্নেহ দিয়েছিলেন। ১৯৭১ এ অপারেশন সার্চলাইটে ইত্তেফাক ভবন পোড়ায় দেয়া হয়। মইনুল পাক লবিং করে ২ লাখ টাকা ক্ষতপূরন নিয়ে বিদেশে পাড়ি দেন, পড়ে থাকে মুক্তিযুদ্ধ!
আজ বেগম খালেদার পরিনতি, তারেক জিয়ার এই দশার জন্য মইনুল সাহেব দায়ী। অন ইলেভেনের পর তিনি মঈন ফখরুদ্দিনের আইন উপদেষ্টা হন। আজীবন বিএনপি সমর্থক মইনুল মাইনাস two করাতে যেয়ে দুর্নীতি চাঁদাবাজী মামলা দেন দুই নেত্রীর বিরুদ্ধে। খালেদা চার, হাসিনা ছয়। গ্রেফতার করান, মাজা ভাঙেন পিটিয়ে তারেক কোকোর, কোকার দ্রুত মৃত্যুর এটা বড় কারন।
তিনি ক্ষমতা পেয়ে অপমান করেছেন মির্জা আব্বাস, রেজভী শেখ হাসিনা। হাসিনা বলেছিলেন, “আমরা ক্ষমতায় এলে কোনদিন, সামরিক তত্বাবধায়কের দুর্নীতি বিরোধী অভিযান কে বৈধতা দেবো! মইনুল সাহেব উত্তরে সাংবাদিকদের বলেছিলেন,” উনার স্বীকৃতির জন্য আমরা বসে থাকবো না। হঠাৎ সকালে অফিসে যেয়ে নতুন নতুন কৌশল অবল্বন রাজনীতিবিদ দের চরিত্র হননের, অফিসে বসেই চিঠি পান, “পদত্যাগ এবং অফিস ত্যাগের!
তার বক্তব্যের ভিতর প্রকাশ পেতো দাপট, অহমিকা, ক্ষমতা, ” মির্জা আব্বাস কিসের রাজনীতিবিদ, সেতো বাস ড্রাইভার! রেজভী রাজনীতিবিদ কবে সেতো পলিটিকাল ক্লাউন! হামিদ রাজাকার কে বিশিষ্ট সাংবাদিক সিরাজউদ্দীনের পপুলার কলাম “মঞ্চের নেপথ্যে” হামিদ কে দিয়ে লেখান এবং বাংলাদেশ খোলসে পাকিস্তান পক্ষে লেখা চলে যায় । মানুষ না বুঝে বাংলাদেশের বিরুদ্ধে পাকিস্তান ভালো ছিলো ভাবতে শুরু করে। লেখকের লেখা একটা জাতি কে ভুল পথে নিতে পারে, সূক্ষ্ম এমন কারচুপি তিনি করেছেন ! অনেক বলতে পারি লিখতে পারি আরো তিন পাতায় মইনুল ইতিহাস —-
প্রিয় পাঠক, যম কাউকে সময় নাহি দেয়, এ বিশ্ব ছেড়ে যেতে হয়, আপনি যখন ক্ষমতার দাপটে দিনকে রাত বানাচ্ছেন তখন এ কথাটা মনে রাখবেন উপরে কেউ আছেন, সহজ সরল দুর্বল লোকটাকে পায়ে পিষে যাচ্ছেন তার কিছু করার নাই কিন্তু আপনাকে বধ করবে যে গোকূলে বেড়েছে সে! ক্ষণকালের আগুপাছু মাত্র।
আমি মইনুল হোসেনের অফিসে গেছি, তার সহধর্মিণী “সাজুু” ব্যানারে বের হয় “রোববার সাপ্তাহিক ” তার সম্পাদক আমার দারুন আপনজন ছিলেন, আমার বাসায় খেয়েছেন, আমিও! তার ব্যারিস্টারির সহকর্মী এ্যাডঃ বুলবুল ও আমার বাসায় খেয়েছেন! সম্পাদক ও আমার জেলার মানুষ। আমার ঢাকাস্থ জেলা সমিতির একজন সাধারণ সম্পাদক অন্য জন সাংগঠনিক সম্পাদক ছিলেন, রাজনৈতিক পরিচয় আমার থেকে আলাদা তবুও ভালো মানুষ, একসাথে কাজ করোছি। আমি তখন জ্যাষঠ সহসভাপতি!



