লেখক ঃ ইঞ্জিঃ মোঃ সিরাজুল ইসলাম।
তাং ঃ ২৭.১২.২০২৩
মানুষ বিয়ে কেন করে? প্রথমতঃ যৌন কর্ম নাগালে আনতে। নিশ্চিতে হাতের কাছে আওতায় আনা যৌন কর্ম টি! ঘটা করে আমাদের দেশের ভন্ডরা বলে থাকেন পবিত্র প্রেম, যৌনতা বিহীন ভালবাসা! এসব এক ধরনের ভান্ডামি শৈল্পিক ভাষা আসলে সব শেষ গোল ঐ পর্যন্ত, সব প্রেমিকরা ছোটেন শেষ গোল পর্যন্ত ! তাই না হলে লাইলী মজনু শিরি ফরহাদ রজকিনী চন্ডীদাস দেবদাস পার্বতী রাধা কৃষ প্রেমে তারা সাকসেসফুল তাহলে পাগল কেন, মদ খেয়ে মাতাল কেন, অনিদ্রা অরুচি ডিপ্রেশন মৃত্যু কেন? কারন ঘর বাধা হয় নাই আর ঘর বাধার অপর পিঠ যৌনতা!
আরও মজার কথা হচ্ছে পবিত্র প্রেম – প্রেম করে কিন্তু বহুগামিতা ছাড়ে না! বেশ কিছু পুরুষ অশিক্ষিত মেয়ে বিয়ে করেন গাছেরটা ও খাবেন তলার টা ও কুড়াবেন এই চিন্তায়।
প্রিয় পাঠক, মানুষের থেকে পশুপক্ষী অনেক বিশ্বস্ত।
নেকড়ে, পেঙ্গুইন, সারস, কালো ঈগল, দাঁড়কাক, চিতাবাঘ, শকুন কখন ও তার সাথী ছাড়া যৌনতায় লিপ্ত হবে না মৃত্যু পর্যন্ত বিশ্বস্ত!
আসলে আমার বিষয় ভিন্ন। দু’জন মানুষ একসাথে থাকা বেশ জটিল। আলাদা দেহ, আলাদা মন, আলাদা রুচি, আলাদা চাহিদা, আলাদা পরিবারে বেড়ে ওঠা সব মিলে মতপার্থক্যের ঘটনা ঘটে অহরহ। যতই সংসার জীবন পুরানো হয় ততই মোহ কমে যায়, অনেকে ২য় বা ৩ য় প্রেমে পড়ে, তালাক বিচ্ছেদ আত্মহত্যা মানসিক যন্ত্রণা যখন শেষ হবে না মনে সিদ্ধান্ত আসে তখন সমাধান খোঁজে মরে! তারপর আছে নারী পুরুষ উভয় দিকের Dominating. একজন আর একজনে উপর প্রভুত্ব, সব ধর্ম ই পুরুষ প্রভুত্ব উস্কে দিছে। আছে সম্পদের হিস্যার বিষয়। শুরুতে আমারটা তোমার, তোমার টা আমার কিন্তু একসময় দেখা যায় সম্পদ যার হাতে চলে যায় তিনি ই master of the family!
এ জন্য বিশ্বে অনেক দেশ চিন্তিত তাদের বংশ বিস্তার নিয়ে, হয় বিয়ে করে না, না হয় সন্তান নেয় না। সুভাষ বোসের বাবার ১৪ সন্তান ছিলো। রবীন্দ্রনাথের বাবার ১৪ সন্তান ছিলো, মহাত্মা গান্ধীরা ১৪ ভাইবোন! আমার সহধর্মিণীরা ১০ ভাইবোন, আমরা ৫ ভাই বোন, আমার এক সন্তান, আমার দুই ভাইয়ের ই দুই সন্তান প্রত্যেকের। সন্তান কোন কাজে আসে? লেবার দেন নো রিটার্ন। সন্তানের সাথে ভালোবাসা এক তরফা। বাংলাদেশের সিনেমার নায়ক আনোয়ার হোসেন সারাজীবনের আয় লগ্নী করেছেন সন্তানের পিছে তারা বিদেশ আয়েশে আছে কিন্তু বাবা না খেয়ে মারা গেছেন! কবি আল মাহমুদ, ভারতের মান্না দে সন্তানের অত্যাচারে মরেছেন! তা হলে বিয়ে কেন শুধু যৌন সুখ, সে জন্য সারা বিশ্বে সেক্স ডল প্রচুর নারী পুরুষ উভয়ের ঘাটতি মিটাচ্ছে অপজিট সেক্সের মতই।
এখানে যে ছবি টা দিচ্ছি তা সব শেষ চাহিদা মিটানো রোবট আবিষ্কার হয়েছে, সুন্দরী স্মার্ট, অনুভূতিশীল, একজন নারীর মত ই রেসপন্স করে কাজে কামে সংসার ধর্মে বিছানায়। নারী-পুরুষের সবার পরিপূরক আছে! অতএব কে পুরুষের ঘরে যেয়ে মার গুতা খায়, কে মেয়ে মানুষ বিয়ে করে রোজ কটকট শোনে?
অতএব পুরুষের পায়ের নিচে নারীর স্বর্গ তা বলা শেষ হয়ে যাচ্ছে তবে নারীদের আর্থিক সচ্ছলতা আনতে হবে!
ভালো থাকেন সুস্থ থাকেন নিজ দেশকে ভালোবাসেন।
মন বড় যাদের তারা পড়বেন কারন অগ্রসরমান প্রগতিশীল বিশ্বের সাথে তাল মিলিয়ে এসব আর্টিকেল লেখা। আপনি যদি ১৩০০ বিসির লোক হন না পড়া ভালো। ১৩০০ বিসিতে কামসূত্র লেখা। তখন ও মানুষের পেটে কামসূত্র সহ্য হয়েছে আপনি তো ২০২৩ এ এসে ও কামসূত্র লেখককে অশ্লীল গালি দেয়া লোক।



