আশরাফুল ইসলাম তুষার,কিশোরগঞ্জ:
কিশোরগঞ্জ সদর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী সাবেক ছাত্রনেতা খালেদ সাইফুল্লাহ সাফাত বলেছেন,আমার কোন মার্কা নাই আমার মার্কা জনগণ।আপনারা চাইলে আমি নির্বাচন করবো না চাইলে করবো না।শুক্রবার বিকালে মারিয়া ইউনিয়নের জেলখানা মোড় এলাকায় এক শীত বস্ত্র বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন তিনি।
তিনি আরো বলেন,আমি দীর্ঘদিন যাবত আপনাদের সুখে দুখে পাশে আছি।করোনাকালীন সময়েও আমি আপনাদেরকে খাদ্যসামগ্রী উপহার দিয়েছি।এখন কনকনে শীতের মধ্যে ১১ টি ইউনিয়নে শীতবস্ত্র বিতরণ করছি।তাই আপনাদের কাছে আবেদন বাইরের ভাড়াটিয়া কোন লোককে ভোট দিয়ে আর বিজয়ী করবেন না।কারন ঘরের ফুত চুরি করলেও ভালা।বাইরের ছেলে চুরি করলে গায়ে মানবে না’।এ সময় শীতবস্ত্র বিতরণ কার্যক্রমে সমাজসেবক সালাহ উদ্দিনের সভাপতিত্বে উপস্থিত ছিলেন যুবলীগ নেতা হুমায়ুন কবির,আল আমিন,মোসাদ্দেক সহ আরো অনেকেই।কনকনে শীতের মধ্যে শীতবস্ত্র হিসেবে কম্বল পেয়ে ছিন্নমূল দুঃস্থ, অসহায় ও প্রতিবন্ধীরা আবেগে আপ্লুত হয়ে পড়েন।কম্বল পাওয়া রিকশা চালক আবুল মিয়া বলেন, আমি রিকশা চালক। রাত হলে ছেলে মেয়ে নিয়ে শীতে খুব কষ্ট করি। রোজগার করে যে টাকা পাই তাদিয়ে একটা ভালো কম্বল কিনার সামর্থ নেই। অনেকের কাছে একটা কম্বল চাইচিলাম কেউ দেয়নি। আজ সাফাত ভাই আমার বাড়িতে এসে নিজে শীতবস্ত্র দিয়েছেন। এটা আমার জীবনের সব থেকে বড় পাওয়া।এখন রাতে শান্তিতে ঘুমাতে পারব।৬০ বছরে বৃদ্ধা সালেহা বেগম বলেন, শীতে রাতে ঘুমাতে অনেক কষ্ট হতো। অনেক সময় শীতের কারণে ঘুম ভেঙে যেত কিন্তু আজকে আমাকে একটা শীতবস্ত্র হিসাবে কম্বল দিয়েছেন। আজ আমি শান্তিতে ঘুমাতে পারব।কম্বল পাওয়া জুয়েনা বেগম বলেন, আমার স্বামী কাজ করতে পারে না তাই পোলাপাইনরে দুইটা শীতের পোশাকও কিনে দিতে পারতেছেনা। এই শীতের মধ্যে রাতে অনেক কষ্টে ছেলে-মেয়ে নিয়া ঘুমাই। আজকে আমাকে একটা কম্বল দিয়েছে। এখন ভালো করে ঘুমাতে পারব।
কিশোরগঞ্জ সদর উপজেলার ১১ টি ইউনিয়নে শীতে অসহায় শীতার্তদের মাঝে কম্বল বিতরণ করছেন উপজেলা চেয়ারম্যান প্রার্থী খালেদ সাইফুল্লাহ সাফাত।
আমার কোন মার্কা নাই আমার মার্কা জনগণ -উপজেলা চেয়ারম্যান প্রার্থী সাফাত
আপডেট:

