মঙ্গলবার, মার্চ ৩, ২০২৬

ছাগলনাইয়া বিএনপি ও তার অঙ্গসংগঠনে মতবিরোধ তুঙ্গে

আপডেট:

আনোয়ার মোরশেদ (বুলেট) ***

ছাগলনাইয়া বিএনপি তে নানা গ্রুপের বিরোধ তুঙ্গে। বৈষ্ণব বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের কারণে আওয়ামী লীগ সরকারের পতন হয়। আওয়ামীলীগের নেতা কর্মীরাম যখন পালানোতে ব্যস্ত তখন ছাগলনাইয়া বিএনপি ও তারা অঙ্গ সংগঠনসমূহের নেতাকর্মীরা আওয়ামীলীগের দুর্নীতিবাজদের ফেলে যাওয়া পুকুর, ইটের ভাটা, দখল কৃত খাস জমি, বালু মহল দখল নিয়ে ব্যাস্ত। তাদের এসবগুলো বিএনপি দখল করার করে রয়েছে,দখল প্রক্রিয়াতে বিএনপি স্থানীয় নেতারা অঙ্গ সংগঠনের নেতারা ভিন্ন দল ভাগ হয়ে রয়েছে। যেকোনো মুহূর্তে এদের মধ্যে সংঘর্ষের আশঙ্কা প্রকাশ করছে জনসাধারণ ছাগলনাইয়া উপজেলা আওয়ামিলীগে সাধারণ সম্পাদক সোহেল চৌধুরী তার ভাই জুয়েল চৌধুরী বালু মহল, মাটি খেকো এবং তাদের নানা ব্যবসা প্রতিষ্ঠান সহ সবকিছু ফেলে পালিয়ে গেছে। তাদের পালানোর পর তাদের পেলে যাওয়া সম্পদ তাদের সাবেক সহযোগী বিএনপি লোক তাদেরকে সহযোগিতা করছে। এ সহযোগিতার প্রক্রিয়া অব্যাহত রয়েছে। বিএনপি কেন্দ্রীয় নেতা র্মীজা আব্বাস বলেছেন কোন বড় হিন্দু ব্যবসায়ীর কাছে বিএনপি নাম নিয়ে চাঁদা দাবি করে। চাঁদা দাবি করতে গেলে কৌশল করে ঐ ব্যবসায়ী মির্জা আব্বাসকে ফোন দেন মির্জা আব্বাস ফোন দিয়ে নামধার ওই যুবকদেরকে জিজ্ঞাসা করলে তারা মির্জা আব্বাসকে চিনি না বলে দেখার বিষয় হচ্ছে আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর চর দখলের মত তার বিএনপি তার অঙ্গ সংগঠনসমূহ বিভিন্ন এলাকায় চাঁদাবাজি করছে বলে খবর পাওয়া গেছে। বিষয়টি হচ্ছে আগে যারা আওয়ামীলীগকে স্বৈরাচারী তকমা দিচ্চে তারা কি করছে। এই আন্দোলন বিএনপি করেনি ছাত্র জনতা করছে। এই আন্দোলনটি গড়ে ওঠে ছাত্রদের কোটা আন্দোলন কে কেন্দ্র করে পরে এটি বৈষম্য বিহীন ছাত্র আন্দোলনে এবং পরে এক দফা দাবিতে এটি সারা বাংলাদেশে সরকারের অব্যবস্থাপনা ও দলীয়করন খুনের মাধ্যমে সরকারকে টিকিয়ে রাখার জনগণ তাদের প্রতি আস্হা হারিয়ে ফেলে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা পালাতে বাধ্য হন, তার দলের অধিকাংশ নেতা আত্মগোপনে রয়েছেন অথবা পালিয়ে গেছে যারা প্রকৃত আওয়ামী লীগার ছিল না, এখানে ছিল ইয়াবা ব্যবসায়ী দুষ্কৃতিকারী চোর, দালাল, এদেরকে নিয়ে সোহেল চৌধুরী আর ভাই জুয়েল চৌধুরী ব্যবহার করত এরা সবাই আগে বিএনপি করতো। কথা হচ্ছে সোহেল চৌধুরী ও জুয়েল চৌধুরী দুর্নীতিতে অর্জিত সম্পদ সমূহ রক্ষা করতে ছাগলনাইয়ার কতিপয় বিএনপি নামধারী নেতাকর্মী স্থানীয় সহযোগিতা জনসাধারণ বলাবলি করছে। এই মধ্যে ছাগলনাইয়া বিএনপি তার অঙ্গসংগঠনের মতবিরোধ ব্যাপক আকার ধারণ করছে। গত সরকারের আমলে ত্যাগী বিএনপি নেতাকর্মীরা এখন তারা সবচেয়ে বেশি অবহেলিত বিশেষ করে ৬নং পাঠান নগর ইউনিয়নের ত্যাগী সৎ নেতা কর্মীরা। যে অবস্থা বিরাজমান যেকোনো মুহূর্তে তাদের ফেলে যাওয়া সম্প্রতি দখল নিয়ে সংঘর্ষ ও খুন খারবি হতে পারে। অভিজ্ঞ মহল মনে করে এর দায়-দায়িত্ব বিএনপির জেলা নেতা ও নেতা উপজেলার নিতে হবে। ছাগলনাইয়া উপজেলার প্রসাশন আইন শৃঙ্খলা বাহিনী বিষয়টি দেখবেন কি? আসার কথা হচ্ছে বিএনপি’র ঢাকা মহানগর দক্ষিণ আহব্বায়ক মুন্সি রফিকুল আলম মজনু ফেনী ১ আসনের সমন্বয়ক দেখবেন বলে ত্যাগী নেতা কর্মীরা আশা করে। যদিও এখনো পুলিশ বাহিনী তাদের কার্যক্রম শুরু করতে পারেনি, যার কারনে জনমনে আতঙ্ক বিরাজ করছে। যেহেতু এটি সীমান্তবর্তী অঞ্চল তাই নজর দেওয়া প্রয়োজন তা না হলে আগেকার সরকারের আমলে যে দুর্নীতি অপব্যবস্থাপনা বিচার না পাওয়ার সংস্কৃতি চলতেই থাকবে জনগণ আশা করে আন্তর্বর্তীকালীন সরকার তাদেরকে এই ধরনের চাঁদাবাজি লুণ্ঠন থেকে রক্ষা করবেন। তারা ছাত্র আন্দোলনের নেতাদের অনুরোধ করছে তারা যেন এ বিষয়টি তাদের উর্দ্ধতন নেতৃবৃন্দকে জানাতে। জনগণ আশা করে একটি শান্তিপূর্ণ সহ অবস্থানের বসবাসযোগ্য ছাগলনাইয়া গড়ে উঠবে।

সংশ্লিষ্ট সংবাদ:

সর্বাধিক পঠিত