এবারের ভয়াবহ বন্যার প্লাবনে পরশুজন এবং ফুলগাজী উপজেলা পুরোটাই পানির নীচে।
—-বিশেষ প্রতিনিধি ঃফরহাদ চৌধুরী ***
চীনের দুঃখ যেমন হোয়াং হো নদী ফেনী ০১আসন তথা ফুলগাজী, পরশুরাম, ছাগল নাইয়া সংসদীয় এলাকার উত্তরাঞ্চল ফুলগাজী পরশুরাম এর বুক চীরে চলে যাওয়া মুহুরী নদী এখন এই এলাকার এক মরন যন্ত্রণার ফাঁদ হয়ে দাঁড়িয়েছে। ত্রিপুরা সীমান্তে এর উজানস্থল।গত জুন মাসে এই মুহুরী নদীর পরশুরাম অংশের শালধরে দুলারী বাঁধ বলে খ্যাত এই বাঁধ ভেঙে পশ্চিমে চিথলিয়া ইউনিয়ন এর সকল গ্রাম এবং পুরো ফুলগাজী উপজেলা পানীর নীচে তলিয়ে যায়। বিপুল পরিমান ফসল এবং জান মালের ক্ষয় ক্ষতি সাধীত হয়েছিলো।তখন কার সাংসদ এর উদ্যেগে এই বাঁধের সংস্কার হলে হয়তো ৩রা জুলাই, আর টানা বর্ষনের ফলে আজ ২০শে জুলাই বন্যার ভয়াল রূপ দেখতে হতো না।
আজ ২০ শে আগস্ট পূনরায় এই বাঁধ দিয়ে প্রবল বেগে পানি প্রবেশ করে সিলোনীয়া এবং কহুয়া নদীর পানির সাথে মিশে গিয়ে পুরো ফুলগাজী, পরশুরাম উপজেলার মানুষ আজ পানি বন্দ্বি।পরশুরাম উপজেলার চিথলিয়া ইউনিয়ন এর মালীপাথরে ঘর বাড়ি, মাছের ঘের সহ প্রচুর ক্ষয়,ক্ষতি বেশী হয়েছে বলে মুঠোফোনে একজন আমাকে জানান।ফুলগাজী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (প্রশাসক) তানিয়া ভূঁইয়া বানভাসি মানুষের জন্য ত্রান নিয়ে নিলক্ষী, দেড়পাড়া,শ্রীপর অংশে ছুটে আসেন। ঊনার এই কাজে সহযোগিতা করেছেন ০৩ নং ওয়ার্ড এর তরুন এবং যুব সমাজ।এলাকার সাধারণ জনগণের সাথে কথা বলে জানা গেছে যে পর পর তিন বারের প্লাবনে লাগানো ধানের চারা গুলো একেবারে নষ্ট হয়ে গেছে।আর কৃষক এর মাথায় হাত দিয়ে কপাল ধরে অসহায় ভাবে তাকিয়ে আছে।
পরশুজন ও ফুলগাজী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (প্রশাসক) গণের মাধ্যমে সাধারণ মানুষ এই সরকারের কাছে এর সমাধান চেয়ে সমস্বরে চিৎকার করে বলেছেন।
ফরহাদ চৌধুরী।
বিশেষ প্রতিনিধি
“দৈনিক সকালের কন্ঠ”
২০/০৮;২০২৪ ইং।


