মঙ্গলবার রাত ৮টার দিকে গুরুতর আহত অবস্থায় সীমা নামে ওই নারীকে উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নিয়ে আসা হয়। ইতোমধ্যে ঘটনায় জড়িত ইমন হোসেন (২৩) নামে এক যুবককে আটক করেছে কেরানীগঞ্জ থানা পুলিশ। তার বাড়ি ভোলার চরফ্যাশনে।সীমাকে হাসপাতালে নিয়ে আসা স্বামী আক্তার হোসেন বলেন, আমি কাজে ছিলাম। ঘটনার খবর পেয়ে ওই বাসার দিকে রওনা হয়। যে বাসায় ঘটনাটি ঘটেছে সেটি আমার বাসা থেকে ৩-৪ মিনিট দূরে। সেখানে গিয়ে আমার স্ত্রীকে রক্তাক্ত অবস্থায় দেখতে পায়। পরে আশপাশের লোকজন আমাকে জানায়— ছিনতাইয়ের ঘটনা ঘটেছে। পরে ওই রক্তাক্ত অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেলে নিয়ে এলে চিকিৎসক আমার স্ত্রীকে মৃত ঘোষণা করেন।পরকীয়ার বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, আমি ইমন নামে কাউকে চিনি না। আমার স্ত্রী পরকীয়া করত এমন বিষয়ে আমি কিছু জানি না। আমি এখন পর্যন্ত জানি এটা ছিনতাইয়ের ঘটনা। ছিনতাইকারী আমার স্ত্রীকে হত্যা করেছে। আমার মেয়েকে কোচিং থেকে নিয়ে ফেরার পথে এই ঘটনা ঘটেছে। আমার ১৬ বছরের একটি ছেলে, ১২ বছরের একটি ছেলে ও সাত বছরের একটি মেয়ে রয়েছে। আমার স্ত্রীর মাথায় ও শরীরের বিভিন্ন জায়গায় জখমের চিহ্ন রয়েছে।এ বিষয়ে দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. মাজহারুল ইসলাম বলেন, সিমা আক্তার হত্যাকাণ্ডের ঘটনাটি ছিনতাইয়ের ঘটনা নয়। নিহত সীমা আক্তারের সঙ্গে ইমন হোসেন নামে ওই যুবকের পরকীয়া প্রেমের সম্পর্ক রয়েছে।

