নারী দিবস প্রসংঙ্গ…….
পৃথিবীর সকল মানুষকে
নারী দিবসের শুভেচ্ছা । সম-অধিকারের এক সেচ্চার আওয়াজ আজ পৃথিবী জুড়ে ! আমি বিস্মিত এমন বোকামিতে,পূরুষ কখনই নারীর সমকক্ষ হতে পারেনি আর পারবেও না । নারী তার গর্ভে সমগ্র পৃথিবী ধারণের ক্ষমতা রাখে ! নারী জন্ম দিতে সক্ষম । জগতের সকল মমতা, ধৈর্য, শালীনতা, পরিমার্জিতবোধ, সৌন্দর্য, মহান আল্লাহ রব্বুল আলামীন একটা নারীর ভেতর ঠেসে ঠেসে ঢুকিয়েছেন। যে বেহেশত পাবার জন্য এতো এতো ইবাদত করা লাগে, নারী পুরুষ নির্বিশেষে, অথচ সেই বেহেসত আল্লাহ রব্বুল আলামীন মায়ের পায়ের নীচে রেখেছেন। ( সুবাহান আল্লাহ )।
আল্লাহর রাসুলকে একবার প্রশ্ন করা হয়েছিলো ;
হে আল্লাহর রাসুল আমি বাবাও মায়ের মধ্যে কার সেবা বেশি করবো?
আল্লাহর রাসুল ইরশাদ করলেন, তুমি তোমার মায়ের সেবা করবে । তারপর আবার সেই অগন্তক নবীজিকে প্রশ্ন করলেন, তারপর আমি কার সেবা করবো? আল্লাহর রাসুল বললেন তুমি তোমার মায়ের সেবা করবে। তৃতীয়বার সেই ব্যক্তিটি নবীজিকে আবারও প্রশ্ন করলেন, হে আল্লাহর রাসুল এরপর আমি কার সেবা করবো ? আল্লাহর রাসুল মৃদু হেসে বললেন, তুমি তোমার মায়ের সেবা করবে ।
চতুর্থবার ব্যক্তটি আবার প্রশ্ন করলেন ;
এবার আমি কার সেবা করবো?
আল্লাহর রাসুল বললেন, এবার তুমি তোমার পিতার সেবা করতে পারো !!
তাহলে মোদ্দা কথা এই দাঁড়ালো
১ — গোল্ড পদক পেলো মা
২ — সিলভার পদক পেলো মা
৩ — ব্রোঞ্জ পদকও মা পেলেন ৪ নম্বরে পিতাকে সান্ত্বনা পুরস্কার নিয়ে খুশি থাকতে বলেছেন মহান আল্লাহ রব্বুল আলামীন। ১০০ ভাগের ৭৫ ভাগ মা পাবেন, বাকি ২৫ ভাগ পিতা।
ইসলাম যেখানে নারীর মর্যাদা এতোটা উচ্চাসনে নির্ধারণ করেছেন, সেখানে কেন কিছু মূর্খ নারী সম-অধিকারের শ্লোগান দেয় বুঝি না। হ্যাঁ একজন পরুষ রাস্তায় খালি গায়ে হাঁটতে পারে, কিছু নারীকে আমার প্রশ্ন, হে নারী ; তুমিও কি রাস্তায় বিবস্ত্র হয়ে হাঁটতে চাও ? রাস্তায় কোন খাবারটা তুমি খেতে চাও, উন্মুক্ত খাবার, নাকি আবরণ দেওয়া খাবার? নিশ্চয়ই তুমি ঢেকে রাখা খাবারটাই খাবে? আলহামদুলিল্লাহ আমিতো ঢেকে রাখা জিনিসটাই পছন্দ করবো। সাধারণত একটা মোবাইলের দোকেনে গেলেও মোবাইল যতই কমদামী কিনি না কেন, আমরা বলি ইনটেক বা প্যাকেট থেকে খুলে দেন। কাপড়ের ব্যপারেও একই আচরণ করি, খাবারেও তাই। বাজারেতো এখন তরমুজ পাওয়া যাছে,
কিছু লাল টকটকে তরমুজ বিক্রেতারা কেটে সাজিয়ে রাখে ক্রেতার দৃষ্টি আকর্ষণ করার জন্য। আপনি কখনই ঐ তরমুজ কেনেন না, যদি না তা পলি দিয়ে ঢাকা থাকে। অতএব প্রত্যকে নারীকে বলছি ; পুরুষ কখনই নারী সমতুল্য হতে পারে না।
হে নারী নিজে স্বয়ং সম্পূর্ণ হও। হাজার গুণবৃদ্ধি পাক তোমার নিজস্ব মৌলিকত্ব । গর্বের সাথে চলো।
( তবে অহংকারবোধে নয় )। শুধু এই একটি দিবস নয়, আমি মনে করি বছরের তিনশত পয়ষট্টি দিনই নারী দিবস । আমি নারী ; আমি পুরুষের থেকে বেশি মর্যাদাশীল। নারী পুরুষ নির্বিশেষে, গর্ভে ধারণের ক্ষমতা রাখে যে নারী, সেই নারী সম-অধিকারের শ্লোগান কিভাবে দেয়! ওম শান্তি ; জগতের সকল প্রাণী সুখি হোক। সবাইকে নারী দিবসের প্রাণঢালা অভিনন্দন।
আশকারী বনি

