ফাহিম আল চৌধুরী
বাংলাদেশ সেনাবাহিনী, মাতৃভূমির শ্রেষ্ঠ সন্তান:একটি জাতির শেষ আশ্রয়স্থল, চূড়ান্ত শক্তি,তা হলো তার সেনাবাহিনী। বাংলাদেশও এই সত্যের ব্যতিক্রম নয়। আমাদের প্রিয় মাতৃভূমির শ্রেষ্ঠ সন্তান, বাংলাদেশ সেনাবাহিনী মহান মুক্তিযুদ্ধ থেকে শুরু করে আজ পর্যন্ত প্রতিটি জাতীয় সংকটে নির্ভীক ও নিষ্ঠার সাথে দেশের পাশে থেকেছে। তারা শুধু অস্ত্রধারী বাহিনী নয়, তারা আমাদের গৌরব, আমাদের নিরাপত্তার প্রতীক, আমাদের অহংকার।রাজনীতিতে দল-মত ভিন্নতা থাকা স্বাভাবিক। নেতৃত্ব নিয়ে বিতর্কও গণতন্ত্রের অংশ। কিন্তু সেনাবাহিনী, তারা রাজনীতির ঊর্ধ্বে। তাদের নিয়ে কথা বলার আগে একবার নয়, একশোবার নয়, এক হাজারবার চিন্তা করা উচিৎ। কারণ তারা জাতির অতন্দ্র প্রহরী, যারা নিজেদের পরিবারকে পিছনে রেখে দেশের জন্য জীবন উৎসর্গ করে।৫ আগস্ট থেকে এ পর্যন্ত প্রায় ৩০,০০০ সৈনিক আমাদের আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সঙ্গে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে দিনরাত অক্লান্ত পরিশ্রম করে চলেছেন, যাতে দেশের প্রতিটি নাগরিক নিরাপদে থাকতে পারেন। এই সৈনিকরা আজ অনেকেই ঘর থেকে দূরে, পরিবারের মুখ দেখতে পারছেন না। এমনকি নিজেদের নিয়মিত প্রশিক্ষণ পর্যন্ত বন্ধ রেখেছেন, শুধু এই দেশ, এই জাতিকে সুরক্ষিত রাখার জন্য।কিন্তু হৃদয় ভারাক্রান্ত হয় যখন দেখি, এই আত্মত্যাগের প্রতিদান হিসেবে আমরা কেউ কেউ তাদের নিয়েই প্রশ্ন তুলি, আঙুল তুলি, অপমান করি! এটা কেবল কৃতঘ্নতা নয়! এটা চরম নৈতিক অধঃপতন।জুলাই মাসের ছাত্র আন্দোলনের সময়, যখন পরিস্থিতি অস্থিতিশীল হয়ে উঠছিল, তখন এই সেনাবাহিনীই দায়িত্বশীল ও দূরদর্শী ভূমিকা নিয়ে দেশকে রক্ষা করেছে, আমাদের সন্তানদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করেছে।সবচেয়ে দুঃখজনক এবং ক্ষোভের বিষয়, বিদেশে বসবাসরত তথাকথিত স্বার্থান্বেষী, বিকৃতমনা, কিছু তথাকথিত সাংবাদিক ও গাদ্দার স্বার্থান্বেষী ব্যক্তি সেনাবাহিনীর অভ্যন্তরীণ তথ্য, কখনো সত্য-মিথ্যা মিশিয়ে, কখনো মনগড়া গুজব আকারে প্রকাশ করছে। বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর গোপন তথ্য ফাঁস করেছে এই দেশদ্রোহী! বিশ্বে আর কোথাও কেউ তাদের নিজ দেশের সেনাবাহিনী নিয়ে এভাবে তথ্য ফাঁস করে না। শুধু এই দেশেই কিছু আত্মবিক্রিত চর এমন জঘন্য সাহস দেখানোর ধৃষ্টতা রাখে।এই ধিক্কারযোগ্য, আত্মঘোষিত তথাকথিত সাংবাদিক, আসলে এক বর্ণচোরা গাদ্দার—আগের সরকারের দয়ার ছায়ায় থেকে সব সুযোগ হাতিয়ে নিয়ে নিজের ক্ষমতার বাহাদুরি দেখিয়েছে। অথচ সে একজন কুখ্যা*ত চাঁদা*বাজ ও নোংরা ব্ল্যাক*মেইলার, যিনি বহু নিরপরাধ মানুষ ও প্রতিষ্ঠানকে শোষণ করেছে, জিম্মি করে সর্বস্ব লুটে নিয়েছে। তার এসব ঘৃণ্য অপরাধের অকাট্য প্রমাণ, দলিলসহ আমার হাতে আছে। এই অপবিত্র নরকের কীট ভাঙা পরিবার থেকে উঠে আসা, তার সম্পূর্ণ নোংরা অতীত ও পারিবারিক ইতিহাস আমি সংগ্রহ করেছি বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর নির্ভরযোগ্য সূত্র থেকে। সময় হলে জাতির সামনে তার মুখোশ ছিঁড়ে নগ্ন সত্যটা প্রকাশ করা হবে—এই দেশের মানুষ জানবে, কারা আসলে জাতির ঘাড়ে বসে রক্ত চুষেছে।
এইসব বিষাক্ত কলমধারীরা, যারা তথাকথিত মুক্ত সাংবাদিকতার নামে প্রিয় বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর মানহানি করে, তারা জাতির ঘৃণার পাত্র। ইনশাআল্লাহ, তারা বিচারের মুখোমুখি হবেই। জাতির সামনে একদিন দাঁড় করানো হবেই, সত্য ও ন্যায়ের আদালতে
বাংলাদেশ সেনাবাহিনী মানে আত্মত্যাগ, মানে বীরত্ব, মানে নিঃশব্দে দেশকে আগলে রাখার অঙ্গীকার। তাদের প্রতি সম্মান জানানো মানে দেশপ্রেমের পূর্ণতা। আজ এই সম্মান রক্ষায় প্রতিটি নাগরিককে এগিয়ে আসতে হবে, কণ্ঠে প্রতিবাদ, হৃদয়ে ভালোবাসা আর বিশ্বাস নিয়ে।
বাংলাদেশ সেনাবাহিনী, মাতৃভূমির শ্রেষ্ঠ সন্তান:একটি জাতির শেষ আশ্রয়স্থল, চূড়ান্ত শক্তি,তা হলো তার সেনাবাহিনী। বাংলাদেশও এই সত্যের ব্যতিক্রম নয়। আমাদের প্রিয় মাতৃভূমির শ্রেষ্ঠ সন্তান, বাংলাদেশ সেনাবাহিনী মহান মুক্তিযুদ্ধ থেকে শুরু করে আজ পর্যন্ত প্রতিটি জাতীয় সংকটে নির্ভীক ও নিষ্ঠার সাথে দেশের পাশে থেকেছে। তারা শুধু অস্ত্রধারী বাহিনী নয়, তারা আমাদের গৌরব, আমাদের নিরাপত্তার প্রতীক, আমাদের অহংকার।রাজনীতিতে দল-মত ভিন্নতা থাকা স্বাভাবিক। নেতৃত্ব নিয়ে বিতর্কও গণতন্ত্রের অংশ। কিন্তু সেনাবাহিনী, তারা রাজনীতির ঊর্ধ্বে। তাদের নিয়ে কথা বলার আগে একবার নয়, একশোবার নয়, এক হাজারবার চিন্তা করা উচিৎ। কারণ তারা জাতির অতন্দ্র প্রহরী, যারা নিজেদের পরিবারকে পিছনে রেখে দেশের জন্য জীবন উৎসর্গ করে।৫ আগস্ট থেকে এ পর্যন্ত প্রায় ৩০,০০০ সৈনিক আমাদের আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সঙ্গে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে দিনরাত অক্লান্ত পরিশ্রম করে চলেছেন, যাতে দেশের প্রতিটি নাগরিক নিরাপদে থাকতে পারেন। এই সৈনিকরা আজ অনেকেই ঘর থেকে দূরে, পরিবারের মুখ দেখতে পারছেন না। এমনকি নিজেদের নিয়মিত প্রশিক্ষণ পর্যন্ত বন্ধ রেখেছেন, শুধু এই দেশ, এই জাতিকে সুরক্ষিত রাখার জন্য।কিন্তু হৃদয় ভারাক্রান্ত হয় যখন দেখি, এই আত্মত্যাগের প্রতিদান হিসেবে আমরা কেউ কেউ তাদের নিয়েই প্রশ্ন তুলি, আঙুল তুলি, অপমান করি! এটা কেবল কৃতঘ্নতা নয়! এটা চরম নৈতিক অধঃপতন।জুলাই মাসের ছাত্র আন্দোলনের সময়, যখন পরিস্থিতি অস্থিতিশীল হয়ে উঠছিল, তখন এই সেনাবাহিনীই দায়িত্বশীল ও দূরদর্শী ভূমিকা নিয়ে দেশকে রক্ষা করেছে, আমাদের সন্তানদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করেছে।সবচেয়ে দুঃখজনক এবং ক্ষোভের বিষয়, বিদেশে বসবাসরত তথাকথিত স্বার্থান্বেষী, বিকৃতমনা, কিছু তথাকথিত সাংবাদিক ও গাদ্দার স্বার্থান্বেষী ব্যক্তি সেনাবাহিনীর অভ্যন্তরীণ তথ্য, কখনো সত্য-মিথ্যা মিশিয়ে, কখনো মনগড়া গুজব আকারে প্রকাশ করছে। বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর গোপন তথ্য ফাঁস করেছে এই দেশদ্রোহী! বিশ্বে আর কোথাও কেউ তাদের নিজ দেশের সেনাবাহিনী নিয়ে এভাবে তথ্য ফাঁস করে না। শুধু এই দেশেই কিছু আত্মবিক্রিত চর এমন জঘন্য সাহস দেখানোর ধৃষ্টতা রাখে।এই ধিক্কারযোগ্য, আত্মঘোষিত তথাকথিত সাংবাদিক, আসলে এক বর্ণচোরা গাদ্দার—আগের সরকারের দয়ার ছায়ায় থেকে সব সুযোগ হাতিয়ে নিয়ে নিজের ক্ষমতার বাহাদুরি দেখিয়েছে। অথচ সে একজন কুখ্যা*ত চাঁদা*বাজ ও নোংরা ব্ল্যাক*মেইলার, যিনি বহু নিরপরাধ মানুষ ও প্রতিষ্ঠানকে শোষণ করেছে, জিম্মি করে সর্বস্ব লুটে নিয়েছে। তার এসব ঘৃণ্য অপরাধের অকাট্য প্রমাণ, দলিলসহ আমার হাতে আছে। এই অপবিত্র নরকের কীট ভাঙা পরিবার থেকে উঠে আসা, তার সম্পূর্ণ নোংরা অতীত ও পারিবারিক ইতিহাস আমি সংগ্রহ করেছি বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর নির্ভরযোগ্য সূত্র থেকে। সময় হলে জাতির সামনে তার মুখোশ ছিঁড়ে নগ্ন সত্যটা প্রকাশ করা হবে—এই দেশের মানুষ জানবে, কারা আসলে জাতির ঘাড়ে বসে রক্ত চুষেছে।
এইসব বিষাক্ত কলমধারীরা, যারা তথাকথিত মুক্ত সাংবাদিকতার নামে প্রিয় বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর মানহানি করে, তারা জাতির ঘৃণার পাত্র। ইনশাআল্লাহ, তারা বিচারের মুখোমুখি হবেই। জাতির সামনে একদিন দাঁড় করানো হবেই, সত্য ও ন্যায়ের আদালতে
বাংলাদেশ সেনাবাহিনী মানে আত্মত্যাগ, মানে বীরত্ব, মানে নিঃশব্দে দেশকে আগলে রাখার অঙ্গীকার। তাদের প্রতি সম্মান জানানো মানে দেশপ্রেমের পূর্ণতা। আজ এই সম্মান রক্ষায় প্রতিটি নাগরিককে এগিয়ে আসতে হবে,
Fahim Al Chowdhury
L’esercito del Bangladesh, il miglior figlio della madrepatria: l’ultimo rifugio di una nazione, la sua massima forza, è il suo esercito. Il Bangladesh non fa eccezione a questa verità. Il figlio migliore della nostra amata madrepatria, l’esercito del Bangladesh, ha sostenuto il Paese senza paura e con fedeltà in ogni crisi nazionale, a partire dalla Grande Guerra di Liberazione fino a oggi. Non sono solo forze armate, sono il nostro orgoglio, un simbolo della nostra sicurezza, il nostro orgoglio. È naturale avere differenze di affiliazione politica. Anche il dibattito sulla leadership fa parte della democrazia. Ma l’esercito è al di sopra della politica. Prima di parlarne, dovresti pensarci non una, non cento volte, ma mille volte. Perché sono i guardiani vigili della nazione, che lasciano le loro famiglie e sacrificano la loro vita per il paese. Dal 5 agosto, quasi 30.000 soldati hanno lavorato instancabilmente giorno e notte, spalla a spalla con le nostre forze dell’ordine, affinché ogni cittadino del paese possa essere al sicuro. Molti di questi soldati oggi sono lontani da casa e non possono vedere le loro famiglie. Hanno persino interrotto il loro allenamento regolare, solo per mantenere questo paese, questa nazione al sicuro. Ma il mio cuore è pesante quando vedo che in cambio di questo sacrificio, alcuni di noi li mettono in discussione, puntano il dito e li insultano! Non è solo gratitudine! Questo è un estremo degrado morale. Durante il movimento studentesco di luglio, quando la situazione stava diventando instabile, è stato questo esercito a svolgere un ruolo responsabile e lungimirante nel proteggere il paese e garantire la sicurezza dei nostri figli. La cosa più triste e irritante è che i cosiddetti egoisti, pervertiti, alcuni cosiddetti giornalisti e individui traditori egoisti che vivono all’estero stanno pubblicando informazioni interne sull’esercito, a volte mescolando la verità con le bugie, a volte sotto forma di voci inventate. Questo traditore ha fatto trapelare informazioni segrete sull’esercito del Bangladesh! Nessun altro al mondo divulga informazioni sull’apparato militare del proprio Paese in questo modo. Solo in questo paese alcune spie autoproclamate hanno l’audacia di mostrare un coraggio così atroce. Questo spregevole, autoproclamato giornalista è in realtà un traditore che ha rubato il colore, approfittando di ogni opportunità per mostrare il suo potere all’ombra della gentilezza del governo precedente. Eppure è un noto estorsore e ricattatore che ha sfruttato molte persone e organizzazioni innocenti, prendendole in ostaggio e saccheggiando tutto ciò di cui erano proprietari. Ho prove inconfutabili, compresi documenti, dei suoi crimini efferati. Ho raccolto l’intero sporco passato e la storia familiare di questo verme infernale, proveniente da una famiglia distrutta, da fonti affidabili nell’esercito del Bangladesh. Quando verrà il momento, la sua maschera verrà strappata di fronte alla nazione e la nuda verità verrà svelata: la gente di questo paese saprà chi è veramente seduto sul collo della nazione e ne succhia il sangue.
Questi scrittori velenosi, che diffamano l’amato esercito del Bangladesh in nome del cosiddetto giornalismo libero, sono oggetto dell’odio della nazione. Insha’Allah, affronteranno la giustizia. Un giorno saranno portati di fronte alla nazione, in un tribunale di verità e giustizia.
L’esercito del Bangladesh significa sacrificio, significa eroismo, significa impegno a proteggere silenziosamente il Paese. Rispettarli significa realizzare il patriottismo. Oggi ogni cittadino deve farsi avanti per proteggere questo onore, con protesta nelle voci, amore e fede nei cuori.


