বৃহস্পতিবার, মার্চ ১২, ২০২৬

বন্যার পানির নামতে শুরু করেছে জেলা প্রশাসনের কৃতজ্ঞতা প্রকাশ ত্রান চলমান থাকবে

আপডেট:

বিজ্ঞপ্তি :
ফেনীর বন্যা কবলিত পরশুরাম, ফুলগাজী, ছাগলনাইয়া (আংশিক), ফেনী সদর (আংশিক) ও দাগনভূঞা (আংশিক) উপজেলার ১০৯টি গ্রামের জনগণের দুর্ভোগ কমাতে সকল অংশীজনের সহযোগিতায় কার্যক্রম পরিচালনা করা হচ্ছে। ইতোপূর্বে ঘোষিত আশ্রয়কেন্দ্রগুলোর মধ্যে ৮২টি আশ্রয়কেন্দ্রে প্রায় ৯ হাজার ২০০ মানুষ অবস্থান করছেন। তাঁদের জন্য খাবারের ব্যবস্থা নিশ্চিত করা হয়েছে।জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে খাদ্য ও অত্যাবশকীয় সামগ্রীর পর্যাপ্ত বরাদ্দ ও মজুদ রয়েছে। কোন এলাকায় সহায়তা পৌঁছাতে দেরি হলে কিংবা না পৌঁছালে উপজেলা নির্বাহী অফিসারদের সাথে যোগাযোগ করা যেতে পারে।আজ সারাদিন বন্যার্তদের জন্য মানবিক সহায়তা ও আশ্রয়কেন্দ্রসমূহে রান্না করা খাবার পৌঁছে দিয়েছেন উপজেলা নির্বাহী অফিসারবৃন্দ, উপজেলার দায়িত্বপ্রাপ্ত বিভিন্ন কর্মকর্তা-কর্মচারীগণ, বাংলাদেশ সেনাবাহিনী, বিভিন্ন স্বেচ্ছাসেবকগণ। গতকাল ও আজ পরশুরাম ও ফুলগাজী উপজেলায় জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে সরবরাহকৃত ১৫০০ প্যাকেট ও উপজেলা পর্যায়ে ক্রয়কৃত শুকনো ও অন্যান্য খাবারের প্যাকেট প্রায় ২৭০০ জন বন্যা দুর্গতের মাঝে বিতরণ করা হয়েছে। পরশুরাম ও ফুলগাজী উপজেলায় দুর্যোগে সবচেয়ে নাজুক গর্ভবতী নারী ও অসুস্থ ১৮ জনকে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী ও স্বেচ্ছাসেবকদের সহযোগিতায় উদ্ধার করা হয়েছে। এছাড়া, বিদ্যুৎ সরবরাহ ও মোবাইল নেটওয়ার্ক সচল রাখতে পল্লী বিদ্যুতায়ন বোর্ড ও মোবাইল নেটওয়ার্ক সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠানের সাথে জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে সার্বক্ষণিক যোগাযোগ রক্ষা করা হচ্ছে। জনগণের নিরাপত্তা বিধানে যেসকল এলাকায় সাময়িকভাবে বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ রাখা হয়েছে তা বন্যার পানি বিপৎসীমার নিচে নামলেই সচল করা হবে। এ বিষয়ে ধৈর্য্যের সাথে সহযোগিতা করার অনুরোধ করছি।
সরকারি বিভিন্ন দপ্তর/সংস্থার কর্মকর্তা/কর্মচারী, স্থানীয় স্বেচ্ছাসেবকবৃন্দ, রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ ও সম্মানিত নাগরিকদের সহায়তায় এ মানবিক কার্যক্রম চলমান থাকবে। সকলের প্রতি অকৃত্রিম কৃতজ্ঞতা।

সংশ্লিষ্ট সংবাদ:

সর্বাধিক পঠিত