কুয়ালালামপুর হোটেল ‘ফুরামা’ থেকে সকাল দশটায় আমরা রওনা দিই ‘গ্যান্টিং হাইল্যান্ড’র উদ্দেশ্যে।
গ্যান্টিং হাইল্যান্ডে পাহাড়ের বুকে যেন মেঘের কোলাহল। মাঝেমধ্যেই মেঘ ভিজিয়ে দেয় শরীর। কখনও ঝির ঝির বৃষ্টি। প্রকৃতির এই সৌন্দর্য উপভোগে এখানে পাঁচ তারকা হোটেলসহ আধুনিক সব সুযোগ সুবিধাই রয়েছে। সব মিলিয়ে পাহাড়ের কোলে যেন এক স্বপ্নপুরি। এই স্বপ্নপুরি গ্যান্টিং হাইল্যান্ড মালয়েশিয়ার এখন অন্যতম পর্যটন কেন্দ্র।সমতল ভূমি থেকে প্রায় ৩৮০০ ফুট উপরে গ্যান্টিং হাইল্যান্ড। কুয়ালালামপুর থেকে বাসযোগে আঁকাবাকা পাহাড়ি পথ পাড়ি দিয়ে যেতে হয় গ্যান্টিংয়ে। বাস টার্মিনাল থেকে আরও ১৮০০ ফুট যেতে হয় ক্যাবল কারে। পাহাড়ের উপর দিয়ে ক্যাবল কারে দুলে দুলে রোমাঞ্চকর এক যাত্রা। ব্যক্তিগত গাড়ি নিয়েও উঠা যায় হাইল্যান্ডে। চারটি পাঁচ তারকা হোটেল, অত্যাধুনিক রেস্টুরেন্ট, ডিসকো বার, ম্যাসাজ সেন্টার, গেম জোন, শপিং সেন্টারসহ বিনোদনের সব ব্যাবস্থা রয়েছে গ্যান্টিং হাইল্যান্ডে ।গ্যানটিং হাইল্যান্ড যাওয়ার পথে পরিদর্শন করলাম ‘বাতুকেভ’ টেম্পল। এখানে আপনার হাতের কাছেই বানর এবং কবুতর ঘুরাঘুরি করবে। মূল টেম্পল পাহাড়ের উপরে। সিঁড়ির ২২০ ধাপ অতিক্রম করে টেম্পলে পৌঁছাতে হয়। আমি উঠতে পারিনি। নিচে থেকে কিছু ছবি নিলাম।
কবি ইকবাল আলমের মালয়েশিয়া ভ্রমণদিনের স্মৃতিকথা
আপডেট:

