এম,এ কাসেম লক্ষ্মীপুরের প্রতিনিধি :লক্ষ্মীপুরের চন্দ্রগঞ্জে মুক্তিযোদ্ধা খাল দখল ইস্যুতে আদালতের স্বতঃপ্রণোদিতসস্ব (সুও মটো) মামলার তদন্ত শুরু করেছে সিআইডি। বৃহস্পতিবার (৯ অক্টোবর) দুপুরে লক্ষ্মীপুর সিআইডির ইন্সপেক্টর (নিরস্ত্র) মো. সফিকুল ইসলাম পিপিএম চন্দ্রগঞ্জ বাজার এলাকায় সরেজমিনে গিয়ে তদন্ত কার্যক্রম শুরু করেন।তস্দবসন্তের প্রাথমিক ধাপ সম্পন্ন হলেও স্থানীয় ব্যবসায়ী মহল আদালতের নির্দেশনা অনুযায়ী কাগজপত্র যাচাই-বাছাই ও অধিকতর তদন্তের মাধ্যমে দখলকারীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।এর আগে মুক্তিযোদ্ধা খাল দখলের ঘটনায় স্বতঃপ্রণোদিত হয়ে মামলা রুজু করেন চন্দ্রগঞ্জ আমলী আদালতের বিচারক (সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট) মোহাম্মদ রেজাউল হক।আদালতের বিবিধ মামলা নং- ০১/২০২৫ অনুযায়ী, চন্দ্রগঞ্জ নিউমার্কেট থেকে গরুহাটা হয়ে বাঁধের গোড়া পর্যন্ত খালের দক্ষিণ পাশের পানি নিষ্কাশনের প্রধান পথ দখল করে খালের প্রবাহ বন্ধ করে দেওয়ার অভিযোগ আনা হয়েছে।গত ১৬ সেপ্টেম্বর একটি দৈনিক পত্রিকা ও অনলাইন সংবাদমাধ্যমে এ বিষয়ে প্রতিবেদন প্রকাশ হলে বিষয়টি আদালতের নজরে আসে। পরবর্তীতে ২৫ সেপ্টেম্বর আদালত স্বতঃপ্রণোদিত হয়ে মামলাটি রুজু করেন।মামলায় স্থানীয় গৌতম চন্দ্র মজুমদার, হাজী সৈয়দ আহম্মদ, নিজাম উদ্দিন, সমীর দেবনাথ, জিল্লাল, সুমনসহ অজ্ঞাতনামা কয়েকজনকে অভিযুক্ত করা হয়েছে। অভিযোগে বলা হয়, তারা যৌথভাবে মূল খালের দুই পাড় ভরাট করে পানি প্রবাহ বন্ধ করেছেন, যা ভূমি অপরাধ প্রতিরোধ ও প্রতিকার আইন, ২০২৩-এর ৪(১)(ক), ৭, ১১ ও ১২ ধারার স্পষ্ট লঙ্ঘন এবং শাস্তিযোগ্য অপরাধ।দালত সংবাদদাতাদের সাক্ষ্য গ্রহণের পাশাপাশি সহকারী কমিশনার (ভূমি), সদরকে নির্দেশ দিয়েছেন অভিযুক্তদের নামে কোনো সরকারি ইজারা দেওয়া হয়েছিল কি না, এবং থাকলে তার মেয়াদ এখনো বৈধ আছে কি না তা যাচাই করতে।একই সঙ্গে আদালত সিআইডি, লক্ষ্মীপুরের বিশেষ পুলিশ সুপারকে ঘটনাটির বিস্তারিত তদন্ত করে অভিযুক্তদের নাম- পরিচয় উদঘাটনপূর্বক ১৫ কার্যদিবসের মধ্যে প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ দিয়েছেন।আগামী ২১ অক্টোবর মামলার পরবর্তী তারিখ নির্ধারণ করা হয়েছে।

