বৃহস্পতিবার, মে ১৪, ২০২৬

সান মারিনোর ভিসার আবেদন করেছেন জিকো

আপডেট:

আগামী ৫ই জুন সান মারিনোর বিপক্ষে একটি প্রীতি ম্যাচ খেলবে বাংলাদেশ ফুটবল দল। ম্যাচটি অনুষ্ঠিত হবে সান মারিনোতে। ওই ম্যাচের জন্য বাফুফে খেলোয়াড়-কোচিং স্টাফ ও কর্মকর্তাদের ভিসা প্রক্রিয়া শুরু করেছে। গতকাল ভিসার জন্য আবেদন করেছেন অনেক ফুটবলার। তাদের মধ্যে আছেন গোলরক্ষক আনিসুর রহমান জিকো। গত সাফ চ্যাম্পিয়নশিপেও বাংলাদেশ দলের গোলরক্ষকদের তালিকায় সবার উপরে ছিলেন জিকো। সবশেষ সাফে সেরা গোলরক্ষকও হয়েছিলেন তিনি। এরপর শৃঙ্খলা বহির্ভূত কাণ্ডে নিষেধাজ্ঞার কবলে পরেন বসুন্ধরা কিংসের এই গোলরক্ষক।নিষেধাজ্ঞা কাটিয়ে মাঠে ফিরলেও জাতীয় দলের হেড কোচ কোচ হাভিয়ের কাবরেরা তাকে আর ডাকেননি। চলতি মৌসুমে বসুন্ধরা কিংসের হয়ে ভালোই খেলছিলেন জিকো। এরপরও কাবরেরার নজরে পড়েননি। গত ৩০ এপ্রিল কাবরেরা অধ্যায়ের সমাপ্তি ঘটে বাংলাদেশে। তবে কাবরেরা বিদায় নিলেও তার সহকারী কোচ হাসান আল মামুন প্রথমে জিকোকে দলে ডাকেননি। সান মারিনোর পাশাপাশি আরেকটি দল মালদ্বীপে চারজাতি টুর্নামেন্ট খেলবে। সেই দলে রাখা হয়েছিল জিকোকে।ওই দলে আবার জিকো খেলতে চাননি। এমন টানাপোড়েনে পরবর্তীতে অবশ্য জিকোকে অন্তত সান মারিনো দলে ভিসা করিয়ে রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে ফেডারেশন। বাংলাদেশ দলের অধিনায়ক জামাল ভূঁইয়া, হামজা চৌধুরী ও শমিত সোমের যথাক্রমে ডেনমার্ক, ইংল্যান্ড ও কানাডার পাসপোর্ট থাকায় তাদের ইউরোপ ভ্রমণে আলাদা ভিসার প্রয়োজন নেই।এদের বাদদিয়ে গতকাল তপু বর্মণ, রাকিব হোসেন, বিশ্বনাথ ঘোষ, সোহেল রানা সিনিয়র ও জুনিয়র, ফয়সাল আহমেদ ফাহিম, মিতুল মারমা, শেখ মোরসালিন, রহমত মিয়াসহ বেশ কয়েকজন ভিসার জন্য ফিঙ্গার প্রিন্ট (আঙ্গুলের ছাপ) দিয়েছেন। ঘরোয়া লীগে দুর্দান্ত খেলা মোহামেডানের সৌরভ দেওয়ান সিনিয়র জাতীয় দলের তালিকায় নেই। সান মারিনোতে ম্যানেজার হিসেবে থাকছেন আমের খান, গোলরক্ষক কোচ বসুন্ধরা কিংসের নুরুজ্জামান নয়ন। তারাও গতকাল ভিসার আবেদন করেছেন। মালদ্বীপে চারজাতি টুর্নামেন্টে ঢাকা আবাহনীর কোচ মারুফুল হক দায়িত্ব পালন করবেন। মারুফুল হক, টেকনিক্যাল ডিরেক্টর সাইফুল বারী টিটু, কাবরেরার সহকারী কোচ হাসান আল মামুন মিলেই মূলত দু’টি দল ঠিক করেছেন।কোন খেলোয়াড় কোন দলে সেই তালিকা এখনও প্রকাশ করেনি ফেডারেশন।
স্প্যানিশ কোচ হাভিয়ের কাবরেরার সঙ্গে চুক্তি নবায়ন করেনি বাফুফে। হামজাদের জন্য নতুন কোচের নিয়োগ প্রক্রিয়া চলছে। সান মারিনো ইতালির মধ্যেই একটি দেশ। তাই বাংলাদেশ ফুটবল কন্টিনজেন্টকে ইতালির ট্রানজিট ভিসা নিতে হচ্ছে। ইউরোপের ভিসা বাংলাদেশের জন্য কিছুটা সময়সাপেক্ষ। তাই বাফুফে স্থানীয় কোচদের মাধ্যমে একটি তালিকা করেছে ফুটবলারদের ভিসার জন্য। নতুন কোচ নিয়োগ হলে তিনি দলের সঙ্গে যোগ দিবেন।

সংশ্লিষ্ট সংবাদ:

সর্বাধিক পঠিত